Author: News Live

  • এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আগামীকাল 

    এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আগামীকাল 

    চলতি মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করা হবে আগামীকাল রোববার (৪ জানুয়ারি)।

    বিজ্ঞাপন
    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত জানুয়ারি (২০২৬) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী, এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রোববার বিকেল ৩টায় ঘোষণা করা হবে।

     

    গত ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম।

    সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রোববার এলপিজির পাশাপাশি ঘোষণা করা হবে অটোগ্যাসের দামও।

     

  • মুফতি আমির হামজার আয় কত, জানা গেল হলফনামায়

    মুফতি আমির হামজার আয় কত, জানা গেল হলফনামায়

    কুষ্টিয়া থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজার পেশা ব্যবসা ও কৃষিকাজ। তার দাখিলকৃত হলফনামা অনুসারে, এই দুই খাত থেকে তার বার্ষিক আয় প্রায় ৯ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকা।

    বিজ্ঞাপন
    মুফতি আমির হামজা কৃষি থেকে বার্ষিক ৫৫ হাজার টাকা ও ব্যবসা থেকে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা আয় করেন। তবে তিনি কোন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তা হলফনামায় উল্লেখ নেই।

    হলফনামায় দেখা যায়, তার হাতে নগদ ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৭০ টাকা, আর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ টাকা। এছাড়া মোটরযানের মূল্য ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্রের মূল্য আনুমানিক ৬ লাখ টাকা।

     

    আমির হামজার নামে একটি ভবন ও একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। ০.৩৩ একর জমির ওপর নির্মিত ভবনের মূল্য ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা এবং অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য ২০ লাখ টাকা। তার মালিকানাধীন ০.৭৮ একর কৃষিজমির মূল্য প্রায় ১১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

    আমির হামজার স্ত্রী ও তিন কন্যার নামে ব্যাংকে যথাক্রমে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ও ৬ লাখ টাকা জমা রয়েছে। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১০ ভরি সোনার গয়না, যার মূল্য ৬ লাখ টাকা, এবং ১২ কাঠা কৃষিজমি।

     

    ২০ ভরি স্বর্ণসহ এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতুর সম্পদের হিসাব প্রকাশ
    মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ওপর। এই তথ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিলকৃত হলফনামার মাধ্যমে জানা গেছে।

     

  • থার্টি ফার্স্টের রাতে পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে নিয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ কর্তন

    থার্টি ফার্স্টের রাতে পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে নিয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ কর্তন

    গত ৩১ ডিসেম্বর, খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের শুরুতে মুম্বাইয়ে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ২৫ বছর বয়সী এক বিবাহিত নারী নববর্ষের আনন্দে তার ৪৪ বছর বয়সী বিবাহিত প্রেমিককে মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য বাড়িতে ডেকে নিয়ে গোপনাঙ্গে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।

    বিজ্ঞাপন
    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা একে অপরের আত্মীয় অভিযুক্ত নারী ভুক্তভোগীর বোনের ননদ। তাদের সম্পর্ক প্রায় ছয়-সাত বছর ধরে অবৈধ ছিল। অভিযুক্ত নারী প্রেমিককে তার স্ত্রী ছেড়ে দিয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতেন এবং এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

    ভুক্তভোগী ব্যক্তি, যিনি ১৮ বছর ধরে সান্তা ক্রুজ ইস্টে পরিবারসহ বসবাস করছিলেন, অবৈধ সম্পর্কের কারণে গত নভেম্বর মাসে বিহারে চলে যান। তবে অভিযুক্ত নারী ফোনে তাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ১৯ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে ফিরে আসার পর থেকে ভুক্তভোগী ব্যক্তি ওই নারীর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছিলেন।

     

    নববর্ষের রাতে, ৩১ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার সময়, নারী নববর্ষের মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। তখন নারীর সন্তানরা ঘুমিয়ে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, নারী প্রথমে প্রেমিককে প্যান্ট খুলতে বলেন, এরপর রান্নাঘর থেকে একটি সবজি কাটার ছুরি নিয়ে এসে আচমকাই তার গোপনাঙ্গে আঘাত করেন। এতে ভুক্তভোগী গুরুতর আহত হন এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

    চোটের পরও ভুক্তভোগী দ্রুত নিজের বাড়িতে ফিরে এসে ছেলেদের ও বন্ধুদের সাহায্যে প্রথমে ভিএন দেশাই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে সায়ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতটি বেশ গভীর এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

     

  • বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    আধুনিকায়নের পথে হাঁটছে পুরো পৃথিবী। তবে এ আধুনিকায়নের প্রভাব দেখা দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সম্প্রতি পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে কমতে শুরু করেছে জনসংখ্যা। দক্ষিণ কোরিয়া এ তালিকায় শীর্ষ স্থানীয় আবস্থানে রয়েছে।
    দেশটিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিয়ে না করার এবং সন্তানের জন্ম না দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে হাঁটলেও নবজাতকের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে দেশটিতে। ফলে দেশটির অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত বৈপরীত্যের মুখোমুখি হচ্ছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কাটানো, তীব্র পেশাদার চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণেই দেশের জন্মহার তলানিতে নেমেছে। এ জন্মহার হ্রাসের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এক দিন পৃথিবীর মানচিত্র থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার অস্তিত্বই মুছে যাবে।
    সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ানে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ২০২০ সাল থেকে প্রথম বারের মতো জনসংখ্যা কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ নারী বিয়েই করতে চান না। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশ নারীরা গৃহকর্মের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেছে। সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব তরুণ-তরুণীদের বিয়ে না করার অন্যতম কারণ বলে বিবেচিত হয়েছে।
    ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মোট প্রজননের হার দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৭২। যা ২০২২ সালে ছিল ০ দশমিক ৮১। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে জন্মহার কমেছে ৮ শতাংশ।
    ৭০ দশকের শুরুতে দেশটিতে নারীদের গড়ে চারটি সন্তান থাকত। ১৯৬০ সালে এই হার ছিল ৬। সেই সময় দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা শুরু করে। ১৯৮২ সাল নাগাদ অর্থনীতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রজননহার ২ দশমিক ৪ এ স্থির হয়ে যায়।
    এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গড় আয়ুর উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে, সন্তানধারণে অনিচ্ছার কারণে ধীরে ধীরে কমে আসছে পরিবারের সংখ্যাও।
    এভাবে চলতে থাকলে নষ্ট হবে দেশে সামাজিক কাঠামো, ভেঙে পড়বে অর্থনীতি। তাই বিয়ে ও সন্তানধারণের প্রতি যুব সমাজকে আকৃষ্ট করতে একগুচ্ছ পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এ প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যুবসমাজকে সম্পর্ক তৈরি, বিয়ে এবং সন্তানধারণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। দেশটির কোনও পুরুষ বা নারী যদি বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে ডেটে যেতে চান, তাহলে সরকার তার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে।
    এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ডেটে যাওয়ার জন্য প্রেমিক-প্রেমিকাকে ৪২ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে দেশটির সরকার। সরকারি সহায়তা শুধুমাত্র প্রেম বা ডেটে যাওয়ার জন্য থেমে নেই। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যদি তাদের মা-বাবারা দেখা করেন, তবে সেই খরচও আলাদাভাবে বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
    জানা গেছে, দক্ষিণ কোরীয় কোনও যুগল যদি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তাহলেও মোটা টাকা আর্থিক সাহায্য দিতে রাজি সরকার। বিবাহে ইচ্ছুক প্রেমিক-প্রেমিকাকে বিয়ের জন্য সে দেশের সরকারের কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হবে।
    এছাড়াও সন্তানধারণের জন্যও দম্পতিদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করায়, কোনও দম্পতি যেন সন্তান ধারণ থেকে বিরত না থাকেন, সে কারণেই এ সিদ্ধান্ত।