মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ গঠিত ১৫ সদস্যের কমিটি।
Author: News Live
-
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কত টাকা পাবেন সুবিধাভোগীরা?
বৈঠকের পর সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণামধ্যমকে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন। আজকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটির অনুমোদন হয়েছে। প্রতি মাসে সুবিধাভোগীরা আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা পাবেন ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে।‘এটা কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিশ্বাস, কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হিসাব করে হবে না। এটি সবার জন্য প্রযোজ্য হবে’, যোগ করেন তিনি।এখন পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আশা করছি, আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিংয়ের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশে এটা আরও ব্যাপকভাবে অন্তত প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। আমরা হয়তো একটা উপজেলা প্রথমেই পুরোটা কাভার করতে পারব না; হয়তো প্রথমে একটা ওয়ার্ড, একটি ইউনিয়ন—এভাবে আমরা পর্যায়ক্রমে কাভার করব এবং এভাবেই সারা দেশ এটার সেবা পাবে এবং সুবিধাভোগী হবে।বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা হবে জানিয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, কোনো অবস্থাতে ঘরে বসে কোনো বাছাই হবে না; বাছাই হবে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে। কাউকে বৈষম্য করা হবে না, কাউকে বাদ দেয়া হবে না। কাজেই এটার মধ্যে কোনো গোয়েন্দা বা দলীয় কোনো সম্পৃক্ততা নেই।প্রোগ্রামটা সরকার রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে বাস্তবায়ন করবে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী উপজেলা পর্যায়ে, ইউনিয়ন পর্যায়ে যে কমিটি থাকবে সেখানে নেতৃত্বে থাকবেন। ইউনিয়ন পর্যায়ে আমাদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সরকারি কর্মচারীরা আছেন, তাদের নেতৃত্বে কমিটি থাকবে; ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের নেতৃত্বে কমিটি থাকবে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের জন্য একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাকে ওই উপজেলার দায়িত্ব দেয়া হবে। এটা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট চেকিং এবং রি-চেকিং হবে, যাতে ভুলভ্রান্তি সবচেয়ে কম হয়।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, অর্থসংস্থানের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অর্থ তো সব সময় লাগবে এবং এটা আপাতত যেহেতু একটা অর্থনৈতিক বছরের প্রায় শেষে আমরা এসেছি, কাজেই এটা স্বাভাবিকভাবে অর্থমন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে অর্থ সংকুলানের বিষয়টা চিন্তা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে আগামী বছর থেকে এটা নিয়মিত বাজেট থেকে করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এটা উদ্বোধন করবেন। নিশ্চয়ই উনি একটা উপজেলায় যাবেন এবং সেই উপজেলায় গিয়েই উনি এটা করবেন। সেটা যখন সময় হবে, তখন ১০ মার্চের আগেই আপনাদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে। -
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ নির্দেশনা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’-এর নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত থাকা এবং সময়মতো অফিস ত্যাগ করা বাধ্যতামূলক।
প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।এ ছাড়া মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করার নির্দেশনাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
Copied from: https://rtvonline.com/
-
নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি
বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বেই নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে।
সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন স্পিকার নির্বাচনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তবে বর্তমান স্পিকারের পদত্যাগের কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পাননি।
এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভা ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো সরকারের বাইরে রয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ড. আবদুল মঈন খানকে সংসদের সম্মানজনক কোনো পদে রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।
ড. মঈন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন মহলে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়। অনেকের মতে, তাকে স্পিকার করা হলে তিনি দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়। ওই অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন।
-
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বড় সুখবর
পবিত্র রমজানের ঈদ থেকেই শতভাগ উৎসব ভাতা বা বোনাস পেতে পারেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। এই ভাতা শতভাগ করা হবে।
তবে কবে নাগাদ উৎসব ভাতা শতভাগ করা হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি শিক্ষামন্ত্রী।
সূত্রটি বলছে, এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। খুব তাড়াতাড়ি শতভাগ বোনাস পাবেন শিক্ষকরা। এটা রমজানের ঈদ থেকেও হতে পারে।
জানা গেছে, নীতিমালায় শতভাগ উল্লেখ করতে হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। এজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০০৪ অনুযায়ী, শিক্ষকরা এক মাসের মূল বেতনের ২৫ শতাংশ বোনাস পান। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বোনাস পান ৫০ শতাংশ।
বিগত ১৭ বছর ধরে এই বৈষম্য নিরসনে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা।
‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১’ জারির পর শতভাগ বোনাস পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় শতভাগ উৎসব ভাতা পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার ‘শিক্ষক ও কর্মচারীদের (স্কুল ও কলেজ) বেতন-ভাতা নির্ধারণ’ অনুচ্ছেদের ১১.৭-এর ‘ঙ’ অংশে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন/বোনাসের নির্ধারিত অংশ/উৎসব ভাতার নির্ধারিত অংশ/বৈশাখী ভাতার নির্ধারিত অংশ সরকারের জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫/সরকারের সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে অথবা সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে মিল রেখে করতে হবে।’