Author: News Live

  • বিএনপির প্রার্থীসহ দেড় হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    বিএনপির প্রার্থীসহ দেড় হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপির প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুসহ অঙ্গসংগঠনের দেড় হাজারের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। হত্যা চেষ্টা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ভালুকা মডেল থানায় আতিকুল ইসলাম ও আমান উল্লাহ মামলা দুটি করেন।

    Advertisement

    জানা যায়, নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও বিএনপি থেকে সদ্য বহিস্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম উভয়ই কর্মীসমর্থকদের মাঝে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ করে আসছিলেন। রোববার (২৫জানুয়ারি) পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কানার মার্কেট, বাটাজোর বাজার ও হবিরবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।  সন্ধ্যায় মোর্শেদ আলমের লোকজন এসে উপজেলা বিএনপি অফিসসহ আশপাশের দোকান পাট ভাঙচুর করে।  এছাড়াও পৌর বিএনপি নির্বাচনি মিছিল ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টনের অফিসে হামলা করে। পরে ধানের শীষের কর্মীসমর্থকরা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হরিণের সমর্থক আদি খান সাকিলের ব্যক্তিগত অফিসে হামলা করে অগ্নিসংযোগ করেন।

    আরও পড়ুন

     

    রাত ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। উপজেলা জুড়ে হামলা-পালটা হামলা ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক ঘন্টা অবরোধ থাকে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।  হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০জন আহত হয়।  ওই ঘটনায় ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে থেকে দুটি মামলা করা হয়। পরে আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ ৮৫জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৭শ বিএনপির কর্মীসমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অপর মামলাটির বাদী হয়েছেন আমান উল্লাহ।  এ মামলাতেও একই বিএনপির প্রার্থীসহ ১০৬জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    ভালুকা মডেল থানা অফিসর ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জানান, ২৫ জানুয়ারির নির্বাচনি সহিংসতার ঘটনায় দুইপক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত ৪টি মামলা হয়েছে।  ৪টি মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

     

  • সব সরকারি অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    সব সরকারি অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    নির্বাচন পর্যন্ত সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো ব্যবহার এবং এ সংক্রান্ত ব্যানার দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতে প্রাপ্ত নিম্নবর্ণিত লোগো সব ধরনের পত্র যোগাযোগে (পত্রের উপরে ডান পাশে) ব্যবহার করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

  • নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি বাড়ালো সরকার

    নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি বাড়ালো সরকার

    ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। তা আগেই জানানো হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। এবার এই ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকার আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    তিনি বলেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।

    প্রেস সচিব বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে কেবিনেট বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিনদিন ছুটি পাবেন।

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।