Author: News Live

  • বিয়ের পর থেকেই রাতে ৬ বারের পরও আবার চাইতো

    বিয়ের পর থেকেই রাতে ৬ বারের পরও আবার চাইতো

    আ’সক্তিকে একটি রো’গ হিসাবে তালিকাভুক্তি এবং চিকি’ৎসার জন্য দা’বি তুলেছে দাতব্য প্রতিষ্ঠান রিলেট। যুক্তরাজ্যের জাতীয় চিকিৎ’সা সেবার মধ্যে সেটিকে অন্তর্ভুক্ত করার দা’বি করছেন। বিবিসির স’ঙ্গে কথা বলেছেন এমন দুইজন রো’গী, যারা অনেকদিন এই স’মস্যাটি মো’কাবেলা ক’রেছেন।

    তিন সন্তানের জননী রেবেকা বার্কার বলছেন, ”এটা ছিল অসহ্য একটি ব্যাপার যে, দিনে পাঁচবার করার পরেও তা আমা’র জন্য যথেষ্ট ছিল না।”প্রতা’রণা করার বদলে তিনি তার সঙ্গীকে বার’বার মিলিত হতে বলতেন। ”ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমা’র মাথায় প্রথমে আসতো। অনেক চেষ্টা করেও সেটা আমি মাথা থেকে সরাতে পারতাম না।

    বলছেন ৩৭ বছরের নর্থ ইয়র্কশায়ারের এই বাসিন্দা।” মিজ বার্কার বলছেন, ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমা’র মাথায় প্রথমে আসতো” সবকিছুর স’ঙ্গে যেন আমি এর মিল খুঁজে পেতাম। আমি মনে করি, এটা আমা’র বিষণ্ণতা আর সেরোটোনিনের অভাবের স’ঙ্গে জড়িত ছিল। আমা’র পুরো শ’রীর যেন এটাচাইতো।”

    আরও পড়ুন : ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সাদিয়া জাহান প্রভা। নাটকে দীর্ঘ সময় পার করছেন এ অভিনেত্রী। ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভক্তদের স’ঙ্গে সরাসরি আড্ডা দেন তিনি। রূপ আর অভিনয়গুণে পরিপূর্ণ এই অভিনেত্রী। যত দিন যাচ্ছে, বাড়ছে অভিনয় দক্ষ’তা।

    ক্যামেরা-অ্যাকশন ছাপিয়ে ব্য’ক্তিজীবনেও তিনি খুবই উ’চ্ছ্বসিত এক নারী। তবে প্রভা বিভিন্ন সময় নানা কারণে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন। মাঝে ব্য’ক্তিগত কারণেও স’মালোচনার মুখে প’ড়েতে হয়েছে তাকে। তবে সব কিছুকে পেছনে ফে’লে নিয়মিত মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

    প্রভাকে নিয়ে মানুষের জা’নার আগ্রহেরও কমতি নেই। সেই জা’নার আগ্রহ থেকেই প্রভার কাছে জানতে চাওয়া হয় ‘মা’ হওয়ার ব্যাপারে।জবাবে প্রভা বললেন, ‘পরের মেয়ে’ নাটকে আমা’র মেয়ের চরিত্রে অভিনয় ক’রেছেন আরিয়ানা। আরিয়ানার স’ঙ্গে অভিনয় করার আগে কখনো মা হতে ইচ্ছে করেনি। আরিয়ানার স’ঙ্গে অভিনয়

    ক’রতে গিয়ে, ওর আদরমাখা মুখ আর বাচ্চামিতে মনটা ভরে উঠেছে আমা’র। কোনদিন তার মন খা’রাপ, সেটাও তার মুখ দেখে বুঝে ফে’লে ছোট্ট আরিয়ানা। আর তাই এখন তার মনে হয়, ‘যদি আরিয়ানার মতো আমা’র একটা বেবি থাকত!’ এদিকে কয়েকদিন আগে অভিনেতা আব্দুন নূর সজলের স’ঙ্গে ‘অনুশোচনা’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় ক’রেছেন প্রভা।

  • ছেলেরা বেশির ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য করে

    ছেলেরা বেশির ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য করে

    রাজধা’নীর অন্য,তম ব্যস্ত’তম এলাকার ম,ধ্যে ফা’র্মগেট অন্ন’তম। দিনের বেলায় মানুষের পদ’চারণায় মুখরিত থাকে লাকা তাই দেখে হয়তো অনেক কি,ছুই বো,ঝা যায় না। কি,ন্তু রাতের নিরব,তা যত বাড়ে, ততই এই এলাকায় আনা,গোনা বাড়ে দে’হ ব্যব’সায়ীদের।খ’দ্দেরের

    খোঁ’জে বো’রকা প’ড়ে অ’পেক্ষা ক’রতে দে’খা যায় তাদের রা,স্তার ধারে। গত,শনিবার এ,বং রবিবার মধ্য’রাতে সরে’জমিনে ফা’র্মগেটে গিয়ে দেখা যায়, খ’দ্দেরের খোঁ’জে বোরকা প’ড়ে এখানে-সেখানে অ’পেক্ষা করছেন প’তিতারা।তাদের পাশেই সারি-সারি সিএনজি দাঁ,ড়িয়ে আছে। খ’দ্দের এসে প্রথ,মে দামা’দামি করে।

    এরপর চূ’ড়ান্ত হলে নিয়ে যায় সিএ,নজি করে।তাদের ম,ধ্যে অনে,কেই সাধা,রণ মানু,ষকেও বির’ক্ত করে।নিবি,লাগবে বলে বিভি,ন্ন ইশা’রা দেয় তারা।এতে অনেক পথ,চারীও বিড়ম্ব,নার ম,ধ্যে প’ড়েন।সোহেল হাসান নামের একজন পথ,চারী বলেন, ওরা সু,যোগ বুঝে ই,শারা

    দেয়,নানান রকম অ’’শ্লী’ল কথাও বলে। সাংবা’দিক পরিচয় গো’পন রেখে কথা হয়নিতু নামের একপতি’তার স’’ঙ্গে। স,দ্য এ পথে পা বাড়িয়েছে বলে দা’বিতার। কি’শো’রগঞ্জ জে’লার ভৈরবে,বাড়ি বলে জা’নান নিতু। আরও পড়ুন : লেপ কেন লাল কাপড়েই বানানো হয়। শীতের পরশ লাগতেই লেপ-তোষক বানানোর ধুম পড়ে। লেপ তোষকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ও তোরজোর থাকায় ব্যবসায়ীদেরও পোয়াবারো। তারা মৌসুমী লাভের এই সুযোগটাকে হাতছাড়া করতে চাইছেন না।

    শীতের আসার আগেই লেপ ও তোষকের দোকান ছেয়ে যায় লাল আভায়! কারণ লেপ মানেই যেন তুলায় মোড়ানো লাল কাপড়! প্রশ্ন তো জাগতেই পারে, বেশিরভাগ লেপে কেন লাল কাপড় ব্যবহার করা হয়?

    এক সময় মুর্শিদাবাদের একেবারে নিজস্ব এই শিল্পের নাম ছিল সর্বত্র। লম্বা আঁশের কার্পাস তুলাকে বীজ ছাড়িয়ে লাল রঙ্গে চুবিয়ে শুকিয়ে ভরা হতো মোলায়েম সিল্ক এবং মখমলের মাঝখানে। সেই মখমলের রঙ ছিল লাল। সুগন্ধের জন্যে দেওয়া হতো আতর। এখন অবশ্য উচ্চমূল্যের কারণে মখমলের কাপড় ব্যবহার হয় না।

    বাংলা, বিহার, ওড়িশাসহ অভিবক্ত বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদ কুলি খানের আমল থেকেই রীতি অনুযায়ী লাল মখমলের কাপড় ব্যবহার করে লেপ সেলাই করা হতো। এরপর মুর্শিদ কুলি খানের মেয়ের জামাই নবাব সুজাউদ্দিন মখমলের পরিবর্তে সিল্ক কাপড় ব্যবহার শুরু করেন। তবে রঙের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে মখমল ও সিল্কের কাপড়ের মূল্য জনসাধারণের হাতের নাগালে না থাকার কারণে, পরবর্তীতে সাধারণ কাপড় ব্যবহারের চল শুরু হয়। তবে তখনও কাপড়ের রঙ লালই থেকে যায়।

    এদিকে পুরান ঢাকার লেপ ব্যবসায়ীরা জানান, লেপে এই রীতি ও রঙের ব্যবহার নবাবরাও অনুসরণ করতেন। সেই থেকে লাল কাপড়ে লেপ বানানোর রীতি চলে আসছে। এছাড়া আরো কিছু কারণ রয়েছে; এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, লেপ কখনো ধোয়া যায় না। আর লাল কাপড় ব্যবহারের ফলে ময়লা কম দেখা যায়।

    তবে এ ক্ষেত্রেও মতান্তর রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ইতিহাস বা ঐতিহ্যের রীতি মেনে নয়, ব্যবসার খাতিরে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই লাল কাপড়ে মুড়ে রাখা হয়। ফলে দূর থেকেই তা ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।

  • বাসর রাত তাই চিৎকার করেনি ফুলি, র”ক্তক্ষরণেই মৃ”ত্যু

    বাসর রাত তাই চিৎকার করেনি ফুলি, র”ক্তক্ষরণেই মৃ”ত্যু

    সময় রাত ২টা ৪৫ মিনিট। ডিউটি ডাক্তার সবে মাত্র বিশ্রাম নেয়ার জন্য ঘুম ঘুম চোখে বিছানায়। ইমারজেন্সি থেকে কল আসল। চোখের পাতায় ঘুম ঠেসে, ইমারজেন্সিতে এসে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা। মহিলা রোগী, পরনের চাদর রক্তে ভেজা। মুখের রঙ ফ্যাকাসে, সাদা। কাপড় দেখেই বোঝা যাচ্ছে নতুন বিয়ে হয়েছে।

    রোগীর নাম ফুলি (ছদ্দ নাম)। হিস্ট্রি নেয়ার জন্য ডাক্তার জানতে চাইল, কি হয়েছে? রোগীর সাথে সদ্য বিবাহিত জামাই, জা এবং আরও ৪/৫ জন এসেছে।

    ডাক্তারের প্রশ্ন শুনেই রোগীর বর চোরের মত, রুম থেকে বের হয়ে গেল। রোগীর সঙ্গে আসা এক মহিলা তেজের সাথে বলল, ‘ডাক্তার হইছেন, বুঝেন না কেরে, সব বলতে হইবো। ওদের গ্রামে গাছের মাথায় বাধা মাইকটিতে একটির পর একটি বিয়ের গান বেজে চলছে। বিয়ে বাড়িতে সবাই ব্যস্ত। বর পক্ষের যারা এসেছে, কথা বার্তায় অভিজাত ও ব্যক্তিত্ব দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। দর কষাকষি করার পরে, কনে পক্ষ থেকে যৌতুক হিসেবে যা পাওয়া গেছে, তা নেহাতই কম নয়।
    কিন্তু কম হয়ে গেছে কনের বয়স। বাচ্চা মেয়ে, নাম ফুলি বেগম, সবে মাত্র ১৪ পেরিয়ে ১৫ বছরে পড়েছে। মেয়ের বাবাও মোটামুটি ভাবে লাল শাড়ি পড়িয়ে মেয়েকে বিদায় দিতে পেরে খুশি। মেয়ে হলে তো বিদায় দিতেই হবে। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত মেয়েকে পড়িয়েছে। কম কি! তাছাড়া, শোনা যাচ্ছে ছেলেও নাকি ভাল।

    বাড়ির উঠোনে বসে মুখে পান চিবোতে চিবোতে ছেলের মামা বলল, ‘এমন ছেলে কোথায় পাবেন মিয়া। তাছাড়া, ছেলে মানুষের একটু দোষ থাকলেও সমস্যা নেই, বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাবে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মেয়েকে নিয়ে আসা হল তার নতুন ঘরে। যে মেয়েটি সবে মাত্র জীবনের সংজ্ঞা শিখতে শুরু করেছে, শৈশব থেকে কৈশোরে পা রাখতে যাচ্ছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই, তার আজ বাসর রাত।

    পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে সতীত্ব যাচাই করার উৎসব। আর বিয়ে তো একটি সামাজিক বৈধতা মাত্র। সমাজ অনেক এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বিয়ের সময় মেয়ের মতামতটা এখনও গৌন। মেয়ের যদি মতামত না নেওয়া হয় বা পরিবারের কারও ধমকে মতামত দানের পর বিয়ে হয়, তাহলে তাকে ধর্ষণ না বলে উপায় নেই। ফুলির ইচ্ছে করছে, চিৎকার করতে, কিন্তু বাসর ঘরে চিৎকার করা যে উচিত নয়, এতটুকু বুঝতে শিখেছে ফুলি। হাত পা ছুঁড়ে বরের লালসার যজ্ঞ থেকে বেরিয়ে আসার মিথ্যে চেষ্টা।
    সমাজ বিধীত ‘বর’, যখন আদিম পশুত্ব থেকে বাসস্তবে ফিরে আসে, তখন ফুলি রক্তে ভেজা। তখনও ফিনকির মত রক্ত যাচ্ছে। ক্রমান্বয়ে সাদা ফাক্যাসে হয়ে আসছে মুখের রঙ! ফুলি এখন হাসপাতালের বেডে অচেতন হয়ে শুয়ে আছে। তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে, ফুলির চোখ পড়েছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। তারা যে কানাকানি করে কথা বলছিল, ব্যাঙ্গাত্তক হাসি তামাশা করছিল।

    যেন সব দোষ ফুলির। লজ্জায় কারও দিকে তাকাতেও ভয় করে। তারপর ইঞ্জিন চালিত গাড়ীর প্রচন্ড শব্দ। আরও এলোমেলো কিছু মুহূর্ত। কিছুক্ষণ পর, সাদা এপ্রোন পড়া একজন ডাক্তার এসে তার হাত ধরেছে। মনে আছে শুধু এটুকুই। ডাক্তার নার্সকে সাথে নিয়ে, ফুলি বেগমকে পরীক্ষা করলেন। ভয়াবহ রকমের পেরিনিয়াল টিয়ার (যৌনাঙ্গ ও তার আশ পাশ ছিঁড়ে গেছে)। তখনও রক্ত যাচ্ছে প্রচুর। হাতে পালস দেখা হল। খুবই কম। জরুরি ভিক্তিতে রোগীকে রক্ত দেয়া দরকার। জরুরি অবস্থায় অপারেশন করে ছিঁড়ে যাওয়া অংশ ঠিক করতে হবে। এই ভয়াবহ সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে হিমসিম খাওয়ার অবস্থা কর্তব্যরত ডাক্তারের। ম্যাডামকে ফোন করা হল…
    সকালে রোগীর শ্বশুরবাড়ির লোক সবাই উধাও। ফুলির বাবা আসলেন সেই ভোরে, রক্ত জোগাড় হল কোন রকমে। ছয়দিন পর, রোগীর সেপ্টিসেমিয়া ডেভলপ করলো। ইনফেকশন রক্তে ছড়িয়ে গেছে। ভাল অ্যান্টিবায়োটিক দরকার।

    রোগীর বাবা এসে বললেন, তারা আর খরচ চালাতে পারবেন না। ডাক্তার পরামর্শ দিলেন, কোন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে, তাহলে ঔষুধ কেনার খরচ কিছুটা বাচবে। কিন্তু, হাসপাতাল মানে তো, কাজকর্ম রেখে একজনকে রোগীর পাশে থাকতে হবে। রিলিজ দিয়ে বাসায় নিয়ে যেতে চাচ্ছেন, যা হবার হবে। রিলিজ নিয়ে ফুলিকে বাসায় নেয়া হল।

    আরও বেশি অসুস্থ হওয়ায় চারদিন পরে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হল। পরদিন ভোর ভোর সময়। একবার চোখ খুলে আবার বন্ধ করলো ফুলি। সেই বন্ধ শেষ বন্ধ। এই সমাজের প্রতি ঘৃনায় চোখ জ্বল জ্বল করছিল কি না কেউ দেখতে পারেনি। ভোরের স্বল্প আলোয় বিদায় জানালো জীবনের নিষ্ঠুরতাকে। ফুলি ‘একিউট রেনাল ফেইলরে’ মারা গেছে।

    ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ডায়ালাইসিসের জন্য বলা হয়েছিল, তারা রোগী নিয়ে এত ঝামেলা করতে পারবে না। শ্বশুরবাড়ি থেকে সেই বাসর রাতের পর, কেউ আসেনি। তাদেরই বা এত চিন্তা কি, একটা বউ মরলে দশটা বউ পাওয়া যায়!

    ফুলি একা নয়, এ রকম ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়।

    এই ঘটনা গুলো চক্ষু লজ্জার ভয়ে প্রকাশ হয় না। কিন্তু সচেতনতা জরুরি।

  • হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মে’য়েদের যা হয়, সক’ল ছেলেদের জা’না উ’চি’ৎ স্বা’মী-বিয়োগ, বিবাহ-বি’চ্ছেদ, বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে মি`লন’তা হা’রিয়ে যেতে পারে না’রীর থেকে।

    এতে অনেক স’ময় ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয় না’রী শ’রীর। মা’নসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চ’লে যায়। অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভা’লোও হয়। ভা’লো-ম’ন্দ মি’লিয়ে স’হবা’স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী আসে জেনে নিন

    আ’গের চেয়ে অনেক বেশি উ’তলা করে তোলে: আম’র’া স’বাই জানি, মি’লন হ’তাশা, হাঁ’হুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অ’জ্ঞাত কারণে যদি না’রীর জীবনে স’হবা’সের চ্যা’প্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মা’নসিক তৈরি ‘হতে পারে। ক’থায় ক’থায় মন খারাপ, কিছু ভা’লো না লা’গা, কারণে অকারণে অ’তিরিক্ত রা’গ জ’ন্মাতে শুরু ‘হতে পারে।

    মা’নুষের স’ঙ্গে দু’র্ব্য’বহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই না’রী। স্ক’টিশ গবেষকদের প’রীক্ষায় জা’না যায়, স’হবাস বন্ধ হয়ে গেছে এমন ম’হিলাদের নাকি লো’কের স’ঙ্গে ক’থা বলতেও অ’সুবিধে হয়।

    এর কারণ, স’হবা’স করার স’ময় থেকে যে ফি’ল গু’’ড কে’মিক্যাল এ’ন্ডোর্ফিন ও অ’ক্সিটোসিন নিঃ’সরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট ই’নফেকশন হওয়ার স’ম্ভাবনা কমে যায়: স’’ঙ্গ’মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূ’ত্র’নালীতে সং’ক্রমণ ‘হতে পারে।

    প্র’স্রাবের স’ময় জ্বা’’লায’ন্ত্রণা শুরু ‘হতে পারে তখন। কিন্তু স’হবাস করা বন্ধ হয়ে গেলে ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট স’ম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। স’র্দি কা’শি প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যায়: মি’লন- করলে শ’রীরে রো’গ-জী’বাণুর প্র’বেশ ক’ষ্টকর হয়ে ওঠে।

    অর্থাৎ, শ’রীরে রো’গপ্র’তিরো’ধ শ’ক্তি গড়ে ওঠে। পে’নসিলভেনিয়ার উ’ইলকিস’বারে বি’শ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, স’প্তাহে অ’ন্তত দু’বার স’হবা’স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ ছোটো করে বললে, ওমঅ।’ এই হর’মোনের নিঃ’সরণ শ’রীরে রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বা’ড়ায় হ’রমোনের প’রিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স’র্দি, কা’শি, জ্ব’র হওয়ার প্র’বণতা কমে যায়। কিন্তু মি’লন করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ক’মজো’রি হয়ে পড়ে না’রীশ’রীর। স’র্দি, কা’শির শুরু হয়।

    হৃ’দয় হা’র মা’নতে শুরু করে হ’রমোনের কাছে: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প’রীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স’হবা’স করলে ভা’লো থাকে। হ’র’মোনের নিঃ’সরণ যথাযথ প’রিমাণে ‘হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন স’হবা’স বন্ধ থাক’লে হৃ’দযন্ত্রে নে’তিবাচক স’মস্যা তৈরি করতে পারে। শ’রীর ক’মজো’রি হয়ে পড়ে। নিয়’মিত এ’ক্সারসাইজ় করলে বা ট্রে’ডমি’লে দৌড়ালেও লাভ হয় না। স’হবাস করার ইচ্ছে চ’লে যেতে পারে: যাঁরা মনে করেন, নিয়’মিত স’হবাস করার অ’ভ্যাসে একবার দাঁ’ড়ি বসলে, কা’মনা-বা’স’নার লা’গাম ছাড়িয়ে যায়।

    তা হলে তাঁরা ভু’ল জানেন। স’হবা’স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মি’লিত হওয়ার বাস’না কমে যায়। এটা ম’হিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শ’রীরে উ’ত্তেজ’না লোপ পেতে শুরু করে। একটা স’ময় প’র আর কা’মেচ্ছা জাগে না। বু’দ্ধি কমে যায়: নিয়’মিত স’হবা’স করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ ব’ন্ধ হয় যায়, তবে বু’’দ্ধি লো’প পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লা’ন্তি, হ’তা’শা ম’স্তিষ্কে নেতিবাচক প্র’ভাব ফে’লতে পারে।

    যার ফলে স’বচেয়ে বেশি প্র’ভাবি’ত হয় স্ম’রণশ’ক্তি। স’বকিছু ভু’লে যাওয়ার স’মস্যা তৈরি ‘হতে থাকে। আর এর জ’ন্য দায়ি একমাত্র স’হবা’স থেমে যাওয়া।