Author: News Live

  • স্ত্রী মোটা হলে ১০ গুণ বেশি সুখ পাবেন

    স্ত্রী মোটা হলে ১০ গুণ বেশি সুখ পাবেন

    সহধর্মিনী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পুরুষেরই আলাদা পছন্দ থাকে। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ পুরুষ পছন্দ করে মেদহীন শরীরের যুবতী। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে ভিন্ন কথা।

    গবেষকরা জানিয়েছেন, জীবনে সুখী হতে হলে অবশ্যই মোটা মেয়েকে বিয়ে করা উচিত। মোটা মেয়েদের তুলনায় স্বভাবের দিক দিয়ে চিকণা শরীরের মেয়েরা অনেকটাই আত্মকেন্দ্রিক হয় এবং তারা স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়তে অনেক সময় নেয়।

    অন্যদিকে চিকণা স্ত্রীর তুলনায় তাদের স্বামীদের ১০ গুণ বেশি সুখে রাখেন মোটা স্ত্রীরা। মোটা মেয়েরা সঙ্গীর চাহিদাও অনেক ভালো বোঝেন।

    এ ছাড়া মোটা মেয়েরা সব কথাতেই তর্ক করে না। মোটা মেয়েদের সাথে যারা প্রেম করে তারা বেশি খুশি থাকে কারণ মোটা মেয়েরা ঝগড়াটে কম হয়। সন্তানের যত্ন ও পরিবারের প্রতি মোটা মেয়েদের আগ্রহও বেশি থাকে।

  • সিজারে বা’চ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ”ত্যু (মিস করবেন না স্বা’মী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    সিজারে বা’চ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ”ত্যু (মিস করবেন না স্বা’মী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্র’স মেডিক্যালএর চি’কিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় ।আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বা’চ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অ’পা’রেশন করে, এখন তোর সিজার কোন চি’কিৎসক করবে ?

    উত্তরে জানায়, নরমাল ডে’লিভা’রির জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সি’জারে বাচ্চা হলে একজন না’রী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা ‘’হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % ।অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছু’রি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অ’’ঙ্গ ক্ষ’তি হয় যা আমা’দের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না !অর্থের লো’ভে প্রত্যেক গ’র্ভ’বতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সি’জারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় !

    মৃ’’ত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয়। জাতিসং’ঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশের ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভা’বিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে, সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে। আমার দেশে বর্তমান সিজা’রে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা না’রী স্বাস্থ্যর জন্য ঝুঁ’কিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মা’রা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জ’ন্ম নেওয়া শি’শুটির ।

    সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অ’সুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন,যা নরমালে হওয়া বা’চ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজা’রে বাচ্চা হতে গিয়ে মা’রা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।এই ছারাও সিজার অ’পা’রেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ র’ক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় ।সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সি’জারে বাচ্চা নেওয়া!

    যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বং’স করে দিচ্ছে নীরবে, চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন না’রীর পেট কাঁটা বিজনেস। এক লোকের চারজন স্ত্রী’ ছিল। একদিন লোকটা অসুস্থ হয়ে পড়লো এবং জানতে পারলো যে সে আর বেশী দিন বাঁ’চবেনা। লোকটা ইচ্ছা করলো যে… এক লোকের চারজন স্ত্রী ছিল।

    লোকটা তার ৪র্থ স্ত্রী’কেই বেশী ভালোবাসতো এবং যত্ন করতো। সে তার ৩য় স্ত্রী’কেও অনেক ভালোবাসতো এবং বন্ধু বান্ধবদের সামনে স্ত্রী’র প্রশংসা করতো। তার ভয় ছিলো যে এই স্ত্রী হয়তো কোনদিন অন্য কারো সাথে পালিয়ে যেতে পারে.! সে তার ২য় স্ত্রী’কেও ভালোবাসতো। লোকটা যখনি কোন বিপদে পড়তো, তখনি সে তার এই স্ত্রী’র কাছে সমাধান চাইতো এবং তার স্ত্রী’ তাকে সমাধান দিয়ে সাহায্য করতো। কিন্তু, লোকটা তার ১ম স্ত্রী’কে একদম ভালোবাসতো না এবং

    যত্নও করতোনা। এই স্ত্রী’ লোকটাকে অত্যন্ত ভালোবাসতো, তার অনুগত থাকতো এবং তার যত্ন নিতে চাইতো। লোকটা তা পছন্দ করতোনা। একদিন লোকটা অসুস্থ হয়ে পড়লো এবং জানতে পারলো যে সে আর বেশী দিন বাঁচবেনা।লোকটা ইচ্ছা করলো যে সে যখন মারা যাব’’ে, তার কোন একটা স্ত্রী’কেও নিয়ে যাব’ে তার সাথে করে, যাতে করে সে পেতে পারে এই ভেবে যে মৃ’’ত্যুর পর সে একা নয়, তার একজন স’ঙ্গীও সাথে আছে।

    লোকটা তিনজন স্ত্রী’কে ডেকে এনে তার সাথে মৃ’’ত্যুবরণ করার ইচ্ছাটা বললো এবং কে যেতে চায় তা জিজ্ঞেস করলো।“এটা ‘’হতেই পারেনা”, বলেই তার ৪র্থ স্ত্রী’ সাথে সাথে ঐ জায়গা থেকে চলে গেলো লোকটার ইচ্ছাকে প্রত্যাখ্যান করে।৩য় স্ত্রী বললো, “জীবন এখানে খুবই সুন্দর। তোমার মৃ’’ত্যুর পর আমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নেবো.!” বলে সেও চলে গেল। ২য় স্ত্রী’ বললো, “তুমি আমার কাছে সমাধান চাইতে। কিন্তু এই ব্যাপারে আমা’র কোন সমাধান নেই।

    দুঃখিত তোমাকে সাহায্য করতে না পেরে। তবে তোমার মৃ’’ত্যুর আগে পর্যন্ত আমি তোমার পাশে সর্বদা আছি.! স্ত্রীদের কথা শুনে লোকটা অত্যন্ত কষ্ট পেলো এবং বি’ম’র’্ষ হয়ে পড়লো……: “আমি তোমা’র সাথে যাব’’, তুমি যেখানেই যাওনা কেন,আমি তোমাকে অনুসরণ করবো.!” হঠাৎ একটা কন্ঠ বলে উঠলো.! লোকটা তাকিয়ে দেখলো যে কন্ঠটা তার ১ম স্ত্রী’র।ভালোবাসা এবং যত্নের অভাবে তার এই স্ত্রী’র চেহারা মলিন, দেহ ক’ঙ্কালসার, অপুষ্টির চিহ্ন সারা শরীরে।

    লোকটা অশ্রুসিক্ত নয়নে বললো, “হায় কি আফসোস.! তোমাকে কখনো ভালোবাসিনি, যত্ন করিনি। আজ তুমি আমার সাথে যেতে চাইছে। এতদিন কি ভুলটাই না করেছি তোমার কথা না ভেবে.! আজ শেষ সময়ে ভুলটা বুঝতে পারলাম.!”আসলে, আমা’দের প্রত্যেকের জীবনে এই চারজন স্ত্রীর মত ব্যাপারটি আছে।

    ১) ”৪র্থ স্ত্রী’ হচ্ছে আমা’দের শরীর।” > জীবনের বেশীর ভাগ সময় এবং অর্থ আমর’া এটির পিছনে ব্যয় করি।কিন্তু মৃ’ত্যু এলেই এটি আমাদেরকে ফেলে চলে যায়। ২) ”৩য় স্ত্রী’ হচ্ছে আমা’দের ধন সম্পত্তি।” টাকা পয়সা, সুনাম এবং মালিকানা, যা আম’র’া অন্যদের দেখিয়ে বেড়াই। মৃ’’ত্যুর পর এগুলো অন্যদের কাছে চলে যায়।৩) ”২য় স্ত্রী’ হচ্ছে আমা’দের পরিবার এবং বন্ধুবান্ধব।” এরা আমা’দেরকে নানা বিপদে আপদে সাহায্য করে এবং

    মৃ’’ত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদের পাশে থাকে।৪) ”আর ১ম স্ত্রী’ হচ্ছে আমাদের আত্না।” পার্থিব সুখ শান্তি আনন্দ এবং সম্পদের পিছে ছুটতে ছুটতে আমর’া আত্নার কথা ভুলে যাই। আত্নার খোরাক মেটাতে পারিনা। যত্ন নিতে পারিনা, ভালোবাসিনা।কিন্তু এটিই একমাত্র জিনিস যা আমাদের প্রত্যেকটা কাজে আমাদের অনুসরণ করে। যেখানেই যাই আমাদের পাশে থাকে এবং মৃ’’ত্যুর পরেও পারলৌকিক জীবনে আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে…!!

  • টানা ৩ ঘন্টা ধরে সহ-বা.স করতে গিয়ে হা’সপাতালে দম্পতি

    টানা ৩ ঘন্টা ধরে সহ-বা.স করতে গিয়ে হা’সপাতালে দম্পতি

    তিন ঘণ্টা ধরে উপভোগ করলেন চ’রম যৌ’নসুখ। আর তারপরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হল ম’হিলাকে। সিয়াটেলের দম্পতি এরিক ও লিজা যৌ’ন,মি’লনে লি’প্ত হন। এক ঘণ্টা পর এরিক বিছানা থেকে নেমে কাজে যেতে চাইলেও নিজেকে তখনও সামলাতে পারেননি লিজা।

    লিজা বলেন, এক ঘণ্টা অ’র্গা,জম অনু,ভব করার পর আমি ওয়াইন খেয়ে চেষ্টা করছিলাম নিজেকে শান্ত করার। সবরকম চেষ্টা করেও ৩ ঘণ্টা,র আগে শান্ত হতে পারিনি।

    দু ঘণ্টা পরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান এরিক। কিন্তু সেখানেও অন্তত এক ঘণ্টা লেগেছে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। সে’ক্স সেন্ট মি টু এর নামক একটি টেলিভিশন শো-য়ে নি,জেদের অ’ভিজ্ঞ,তার কথা জানান এরিক ও লিজা।

    নারী ভাড়াটিয়ার বেডরুম ও বাথরুমে গোপন ক্যামেরা! আর তাতেই গোপনে রেকর্ড হচ্ছিল সব। বাথরুম ও বেডরুমে লুকিয়ে রাখা ক্যামেরা দিয়েই সার্বক্ষণিক নজর রাখা হতো। কিন্তু একপর্যায়ে ভাড়াটিয়ার নজরে পড়ে গেল সেটি।অভিযুক্তের সন্দেহজনক আচরণই ফাঁস করে দিলো তার কুকীর্তি। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাড়ির মালিকের ৩০ বছর বয়সী ছেলেকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকম ও টাইমস নাউ।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নারী ভাড়াটিয়ার ভাড়া নেওয়া এই অ্যাপার্টমেন্টে গোপন ক্যামেরা খুঁজে পাওয়ার এই ঘটনা বিভিন্ন শহরে একা বসবাসকারী নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নারী ভাড়াটের অ্যাপার্টমেন্টে বেআইনিভাবে গোপন ক্যামেরা বসানোর দায়ে অ্যাপার্টমেন্টের মালিকের ছেলেকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, অভিযুক্তের নাম করণ। সে তিন মাস আগে ওই নারীর বেডরুম ও বাথরুমে গোপন ক্যামেরা বসিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব দিল্লির শকরপুর এলাকায়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য দিল্লির শকারপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের এক যুবতী। যে অ্যাপার্টমেন্টে ওই যুবতী থাকতেন, তার উপরের তলায় বাড়ি মালিকের স্ত্রী ও ছেলে থাকতেন। তাদের ভালো ব্যবহার, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে ভরসা করেই ওই যুবতী বাড়ি যাওয়ার সময় চাবি দিয়ে গিয়েছিলেন।

    তবে উত্তর প্রদেশ থেকে ফেরার পরই ওই যুবতী হঠাৎ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। প্রথমে গুরুত্ব না দিলেও, তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক গতিবিধি হতেই ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ চেক করেন। সেখানে দেখেন— একটি অজানা ল্যাপটপের সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ লিংক দেখাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ল্যাপটপ থেকে লগ আউট করে দেন।

    এই ঘটনার পরই তার সন্দেহ হয় যে— কেউ নজর রাখছে। এরপর বাড়ি তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর নজরে আসে, বাথরুমে লাগানো লাইট বাল্বটি একটু ব্যাঁকা দেখাচ্ছে। খুলতেই দেখেন, ভেতরে ক্যামেরা। এক মুহূর্তও নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে ফোন করেন যুবতী। পরে পুলিশ এসে ফের তল্লাশি চালায়। এবার যুবতীর বেডরুমের লাইট বাল্ব হোল্ডারের ভেতর থেকেও ক্যামেরা বের হয়।

    পুলিশ ওই যুবতীকে প্রশ্ন করে— তার অ্যাপার্টমেন্টে কাদের যাতায়াত ছিল। ভুক্তভোগী যুবতী জানান, প্রায়সময়ই তিনি বাড়ি মালিকের ঘরে চাবি দিয়ে যেতেন। এরপরই পুলিশ বাড়ি মালিকের ছেলেকে আটক করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিন মাস আগে যুবতী যখন বাড়ি গিয়েছিলেন, সেই সময় তার ঘরে ঢুকে বেডরুম ও বাথরুমে ক্যামেরা লাগিয়ে আসে সে। ক্যামেরাগুলোতে মেমরি কার্ডও ছিল। যখন মেমরি ফুল হয়ে যেত, তখন বিদ্যুতের কাজের নামে ওই অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে সেই রেকর্ডিং নিজের ল্যাপটপে ট্রান্সফার করে, ফাঁকা চিপ লাগিয়ে আসত।

    এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে। এই ল্যাপটপের মধ্যে যুবতীর একাধিক নগ্ন ভিডিও পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • গেইলের সঙ্গে মনে রাখার মত একটি রাত কাটালাম : স্নেহা উল্লাল

    গেইলের সঙ্গে মনে রাখার মত একটি রাত কাটালাম : স্নেহা উল্লাল

    বলিউড অভিনেত্রী স্নেহা উল্লাল অনেকদিন ধরেই খবরে নেই। অথচ এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হঠাৎ তাকে ঘিরে হৈচৈ পড়ে গেছে! তার নামই আছে ট্রেন্ডিংয়ে। এর কৃতিত্ব অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ডোয়াইন ব্রাভোর। ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাঠে নামার একদিন আগে নাকি তাদের সঙ্গে পার্টিতে অংশ নেন স্নেহা।

    অবশেষে সেই ব্যাপারে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। ২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী ভারতীয় একটি পত্রিকায়কে স্নেহা জানান, ৩৬ বছর বয়সী এই ক্যারিবীয় তারকার সঙ্গে নেচেছেন, জমিয়ে আড্ডাও দিয়েছেন। বলেন, ‘ ক্রিস গেইল খুব শান্ত মানুষ, হোটেলে তার সঙ্গে মনে রাখার মত একটি রাত কাটালামও, অনেক মজাও হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘ক্রিস গেইলকে দেখুন! খুব শান্ত মানুষ।’ স্নেহা বলেন, ‘অনেক মজা করলাম। মনে রাখার মতো একটি রাত কাটলো। আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভেগা এন্টারটেইনমেন্টকে ধন্যবাদ।’ ২০০৫ সালে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে ‘লাকি: নো টাইম ফর লাভ’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান স্নেহা। এর মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক হয় তার।

    ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে চেহারায় কিছুটা সাদৃশ্য থাকায় অল্প সময়ে জনপ্রিয়তা পেয়ে যান তিনি। এখন আঞ্চলিক ছবিতেই বেশি কাজ করেন স্নেহা। এর মধ্যে মুক্তি পেয়েছে তেলেগু ছবি ‘ভারুদু’, ‘দ্য ব্লকবাস্টার সিমহা’ ও ‘অ্যাকশন থ্রিডি’।

    কান্নাড়া ছবি ‘দেবী’ আর অনন্ত জলিল অভিনীত বাংলাদেশের ছবি ‘মোস্ট ওয়েলকাম’-এ দেখা গেছে তাকে। সর্বশেষ গত বছর ‘বেজুবান ইশক’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন মুগ্ধ ঘোষ ও নিশান্ত মালকানি।