Author: News Live

  • পতিতালয়কে কেন ‘রেড লাইট এরিয়া’ বলে

    পতিতালয়কে কেন ‘রেড লাইট এরিয়া’ বলে

    আপনি যদি কোন সরকারি বা বেসরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাহলে আপনাকে আপনার পাঠ্য বিষয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর তথ্যগুলিও জেনে রাখতে হবে। এছাড়া আপনি সাধারণ জ্ঞানের মাধ্যমে নলেজ বাড়াতে পারেন। এগুলি মানুষকে যেমন স্মার্ট করে তোলে তেমনি নলেজের পরিধিকে বাড়িয়ে তোলে। এই প্রতিবেদনে নিয়ে আসা হলো তেমনি কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর।

    ১) প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গে কোন ধরনের জলবায়ু লক্ষ্য করা যায়?
    উত্তরঃ ক্রান্তীয় মৌসুমী।

    ২) প্রশ্নঃ ভারতের মানব উন্নয়ন সূচকের মান সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কোন রাজ্যে?
    উত্তরঃ মানব উন্নয়ন সূচকের মান সর্বোচ্চ কেরালা রাজ্যে আর সর্বনিম্ন বিহার রাজ্যে।

    ৩) প্রশ্নঃ চৌহান বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
    উত্তরঃ বাসুদাদেব চৌহান। আর এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন পৃথ্বীরাজ চৌহান (১১৯২ সাল)।

    ৪) প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের পালনীয় মৌলিক কর্তব্য সংখ্যা কতগুলি?
    উত্তরঃ ১১টি।

    ৫) প্রশ্নঃ ভারত প্রথম অ্যান্টার্কটিকা অভিযান (Antarctic expedition) শুরু করে কত সালে?
    উত্তরঃ ১৯৮১ সালে ভারত প্রথম অ্যান্টার্কটিকায় অভিযান শুরু করে। যেখানে ভারতের তিনটি গবেষণাগার রয়েছে — মৈত্রী, দক্ষিণ গঙ্গোত্রী এবং ভারতী।

    ৬) প্রশ্নঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) সময় বাংলার গভর্নর কে ছিলেন?
    উত্তরঃ জন কার্টিয়ার।

    ৭) প্রশ্নঃ দক্ষিণ ভারতের শস্য ভান্ডার বলা হয় কাকে?
    উত্তরঃ থাঞ্জাভুরকে দক্ষিণ ভারতের শস্য ভান্ডার বলা হয়, যা করমন্ডল উপকূলে অবস্থিত।

    ৮) প্রশ্নঃ জানেন সুষম খাদ্যে কয়টি উপাদান থাকে?
    উত্তরঃ ৬টি উপাদান থাকে —শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ এবং লবণ।

    ৯) প্রশ্নঃ গ্রান্ড ওল্ডম্যান অফ ইন্ডিয়া কাকে বলা হত?
    উত্তরঃ দাদাভাই নওরোজিকে।

    ১০) প্রশ্নঃ পতিতালয়কে ‘রেড লাইট এরিয়া’ (Red Light Area) বলে কেন?
    উত্তরঃ আসলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বেশ ইউরোপের যৌ.পল্লীগুলিতে নীল আলো ব্যবহার করা হতো। এই নীল সংকেতের অর্থ হলো সেখানে কেবল উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদেরই প্রবেশাধিকার রয়েছে। আর যেখানে লাল আলো জ্বালানো হতো সেখানে সকলে যেতে পারতো। এভাবেই যৌনপল্লীগুলি ‘রেড লাইট এরিয়া’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

  • মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যা”ন্সার, প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উচিৎ

    মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যা”ন্সার, প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উচিৎ

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা,

    যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। • স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। • সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। • প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    • ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    • চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    • ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

     

     

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন

  • জমি খারিজ করেনি যারা, তাদের জন্য বড় তিন সুখবর!

    জমি খারিজ করেনি যারা, তাদের জন্য বড় তিন সুখবর!

    ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমি নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে তিনটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ।

    নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জমির প্রকৃত মালিক যেন আর কোনো হয়রানির শিকার না হন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা যেন সুযোগ না পান—সেই লক্ষ্যে নামজারির প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

    নতুন তিনটি পদক্ষেপ হলো:

    সাধারণ নামজারির নতুন নির্দেশনা: নথি পূর্ণ থাকলে আবেদন খারিজ করা যাবে না

    যেসব ব্যক্তি নতুনভাবে জমি কিনেছেন এবং মালিকানা ভোগ করছেন, তাঁদের জন্য বিদ্যমান নামজারি পদ্ধতিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সংযোজন করা হয়েছে।

    আবশ্যক নথিপত্র:

    দলিলের মূল কপি (সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সৃষ্ট রেজিস্ট্রিকৃত দলিল)

    বায়া দলিল বা পূর্ব মালিকের মালিকানা প্রমাণ

    সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় পর্যন্ত পরিশোধিত খাজনা রশিদ

    বর্তমান নকশা ও ম্যাপ (যদি প্রযোজ্য হয়)

    আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও দুই কপি পাসপোর্ট ছবি

    পূর্ব মালিকের ছবি ও পরিচয়পত্রের কপি

    এই নথিগুলো না থাকলে আবেদন খারিজ হতে পারে। তবে যদি কিছু ভুল থাকে বা তথ্য অসম্পূর্ণ হয়, সংশোধনের সুযোগ রেখে তা সহজে জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে, এবং ভূমি অফিস তা গ্রহণে বাধ্য থাকবে।

    ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সময় লাগলেও কোনো অনিয়ম না হলে নামজারি সম্পন্ন করতে হবে—এমন কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সব অফিসকে।

    ওয়ারিশান সম্পত্তির ক্ষেত্রে যৌথ খতিয়ান, তবে দলিল ছাড়া একক মালিকানা নয়

    ওয়ারিশান সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণে ভূমি মন্ত্রণালয় নতুনভাবে “যৌথ খতিয়ান” পদ্ধতির ওপর জোর দিয়েছে।

    যদি ওয়ারিশদের মধ্যে আপোস বণ্টন না হয়, সেক্ষেত্রে সকল ওয়ারিশের নামে যৌথভাবে খতিয়ান তৈরি করা হবে। এজন্য প্রয়োজন হবে:

    ইউনিয়ন পরিষদ/উপজেলা পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করা ওয়ারিশান সনদ

    জমির পূর্বের মালিকানার দলিল, খাজনা রশিদ ইত্যাদি

    এই নথি জমা দেওয়ার পর ভূমি কমিশনার স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকলের নামে যৌথ খতিয়ান তৈরি করবেন, যেখানে প্রত্যেক ওয়ারিশ কত শতাংশ মালিক তা নির্দিষ্ট থাকবে।

    যদি কেউ আলাদাভাবে নিজের নামে খতিয়ান করতে চান, তাঁকে অবশ্যই বৈধ দলিল দেখিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    অটোমেশন পদ্ধতিতে দ্রুত নামজারি: তিনটি সেবা এক জায়গায়

    ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় “অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নামজারি” চালু করেছে।

    প্রাথমিকভাবে ২১টি উপজেলায় এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সারা দেশে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে।

    এই সিস্টেমে কী থাকছে:

    সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দলিল রেজিস্ট্রেশনের পর তা সরাসরি ভূমি অফিসে পাঠাবে

    ভূমি অফিস স্বয়ংক্রিয়ভাবে মালিকানা যাচাই করে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পাঠাবে

    এরপর এক ক্লিকেই সম্পন্ন হবে দলিল রেজিস্ট্রেশন + খতিয়ান সংশোধন + অনলাইন সংযুক্তি

    প্রতিটি মালিকের জন্য থাকবে একটি ওয়েব প্রোফাইল ও কিউআর কোড, যেখানে ঢুকলেই দেখা যাবে তার জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল তথ্য ও ডকুমেন্ট।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য:“এই তিনটি সেবা একত্রে পাওয়ার ফলে নামজারি হবে ঝামেলাহীন, দ্রুত ও স্বচ্ছ। দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না।”

    ভূমি মালিকদের হয়রানি রোধ ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল নামজারির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।এই তিনটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে ভূমি অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • মেয়েদের অতিরিক্ত সে;-;ক্স উঠলে তারা কি করে?

    মেয়েদের অতিরিক্ত সে;-;ক্স উঠলে তারা কি করে?

    বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার স্ত্রীর যৌন উত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই। সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌন উত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌন মিলনে সে আগ্রহী কিনা?

    উত্তরঃ- নারীদের যৌন উত্তেজনার বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন নারী যৌনতার আগ্রহে উত্তেজিত হলে তাঁর যোনি পিচ্ছিল হয়ে উঠবে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌন মিলনে আগ্রহী।

    যেমন-

    – নারীরা যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।

    – নারীদের গালেও লালিমা দেখা দেয় উত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু ঘামেন, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।

    – যৌন উত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্পর্শেই শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।

    – যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু খাবেন, চোখের ইশারায় কথা বলবেন।

    – প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কামড় দেবেন উত্তেজনায়।

    – এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

    এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে।

    কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। তিনি যদি আগ্রহী না হন, তাহলে আপনাকে দূরে ঠেলবেন। কখনোই সুখী হবেন না। জনিকে মিলনের জন্য প্রস্তুত করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে। মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার কাছ থেকে সরে যাবেন তিনি আর এই ব্যাপারে কোন কথাও বলবেন না। এবং নিজ হতে আপনাকে আদরও করবেন না তিনি।

    স্ত্রী আপনার, নিজেই বুঝে নিন কোনটা হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে।