Author: News Live

  • অসাধারণ কায়দায় বেলি ড্যান্স করে তাক লাগাল যুবতী

    অসাধারণ কায়দায় বেলি ড্যান্স করে তাক লাগাল যুবতী

    বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবকিছুই হয় ভাইরাল। বিশেষ করে করোনাকালে আমরা শিখেছি কিভাবে অনলাইন মিডিয়াকে ব্যবহার করতে হয়। করোনাকালে লকডাউন এর সময় সমস্ত স্কুল-কলেজ অফিস সবই ছিল বন্ধ, সেই সময় আমরা সবাই শুরু করেছিলাম ‘work-from-home”, অর্থাৎ অনলাইন মাধ্যমে বাড়ি থেকে কাজ।

    এইভাবেও অনলাইন মাধ্যম এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা পৃথিবীতে। এমনকি স্কুল কলেজেও অনলাইন ক্লাস চলছে,এইভাবে সোশ্যাল মিডিয়া অনলাইন মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে যোগাযোগব্যবস্থা বজায় রেখেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বহু মানুষ তাদের সুপ্ত প্রতিভা কে বিশ্বের সামনে পরিবেশন করতে পারছেন।

    এইভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ আজ তার প্রতিভাকে সারা বিশ্বের সামনে প্রদর্শন করতে পারছেন। নাচ-গান শারীরিক কসরত হাস্যকৌতুক কি নেই সেখানে,এমনকি পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া নানা অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয়েছি আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।

    পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় আমাদের সকলের অলক্ষ্যে, যা একমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ধরা পড়ে। সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল এক অদ্ভুদ ঘটনা,এক বিশালাকৃতির মাকড়শা একটি পাখিকে গিলে খাচ্ছে। শুনতে অদ্ভুদ লাগলেও ঘটনাটি একদম সত্যি।

    ঘটনাটির ভিডিও না থাকলে আমরা ঘটনাটি জানতেই পারতাম না।এসবই জানতে পেরেছি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এছাড়াও ভাইরাল হয়েছিল জলের তলায় যুবকের নাচ, যা সত্যিই ছিল অত্যন্ত রোমহর্ষক,সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আমরা কিছুই এসব জানতে পারতাম না।

    বর্তমানে নাচের মধ্যে এখন ট্রেন্ড চলছে বেলি ডান্স।বলিউডের বড় বড় সেলিব্রিটি ক্যাটরিনা কাইফ থেকে শুরু করে নোরা ফাতেহি সবাই বেলি ড্যান্সে মত্ত। পৃথিবীর সব দিকেই এই নাচের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। আমাদের ভারতবর্ষেও এই ট্রেন্ড চলছে। যুবক-যুবতী তরুণ-তরুণী সবাই এই ডান্স এ মত্ত।

    ভারতবর্ষের যদি পাশ্চাত্য সভ্যতা কে রপ্ত করতে পারে, তাহলে পৃথিবীর অন্য দেশেই বা ভারতের সভ্যতা পিছে থাকে কেন? সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক অস্ট্রেলিয়ান যুবতী মেলবোর্নে মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি ট্রান্সপোর্ট ক্লাবে আমাদের ভারতীয় সিনেমার একটি গানের ডান্স করছে। গানটি হল বিখ্যাত সিনেমা এক থা টাইগার এর মাশাআল্লাহ।

    সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। গানটিতে যুবতীর বেলি ডান্স সত্যিই দেখার মতো। রক্তিম পোশাকে তার নাচ যেন আগুন লাগিয়ে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে এক অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে। হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি লাইক করেছে।

    ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম ইউটিউব সব জায়গায় শেয়ার হয়েছে ভিডিওটি। তার নাচ মুগ্ধ করে দিয়েছে দর্শকদের। বিশেষ করে তার এই ভিডিওটি বিদেশেও প্রশংসিত হয়েছে। তিনি যেন এভাবেই নিজের জীবনে এগিয়ে যান এই আশাই করি আমরা।

    পৃথিবীর কোনায় কোনায় এরকম প্রতিভা লুকিয়ে আছে।এর আগেও ভাইরাল হয়েছিল গর্ভবতী এক মহিলার বেলি ডান্স। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তা অনেকাংশে প্রকাশ করা গেলেও আজও অনেক প্রতিভা সুপ্তই রয়ে গেছে, বিশেষ করে আজও অনেকেই তাদের প্রতিভাকে সকলের সামনে আনতে ভয় পান।অনেকেরই উপযুক্ত সুযোগের অভাবে প্রতিভা সুপ্ত ই থেকে যায়। যদিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে অনেকে এগিয়ে এসেছেন, তবে এখনো অনেক বাকি। ভবিষ্যতে তা ধীরে ধীরে প্রকাশ পাবে, এই আশাই করি আমরা।

  • ওগুলো দেখে প্রস্রাবই করতে পারিনি : স্বস্তিকা মুখার্জি

    ওগুলো দেখে প্রস্রাবই করতে পারিনি : স্বস্তিকা মুখার্জি

    বিনোদন ডেস্ক : ভারতীয় বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। স্বভাবে ঠোঁটকাটা, তাই কোনো কথাই মুখে আটকায় না তার। সাহসী রূপে পর্দায় হাজির হয়েও বহুবার আলোচনায় উঠে এসেছেন। সমকালীন নানা বিষয় নিয়েও কথা বলে থাকেন; এজন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি ভিস্তা ডোম ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন স্বস্তিকা মুখার্জি। এ ট্রেন ভ্রমণে অন্যরকম অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন। আর সেই অভিজ্ঞতা মন খুলে এক টুইটে শেয়ার করেছেন। ঠোঁটকাটা স্বভাবের হওয়ায় ব্যক্তিগত ব্যাপারও এ লেখায় প্রকাশ করেছেন।

    টুইটে স্বস্তিকা বলেন— ‘ভিস্তা ডোম ট্রেনের বাথরুম অত্যন্ত পরিষ্কার। এটা অবিশ্বাস্য! সিট গুলোতে সেন্সর রয়েছে, যা ঘুরে। সব সময় শুকনো জায়গা পাবেন। বাথরুমের মেঝে শুকনো। বেসিন পরিষ্কার। সাবানের ডিসপেনসরস গুলো দারুণ কাজ করছে, সঙ্গে রয়েছে সুন্দর গন্ধ। এসব দেখে প্রস্রাবই করতে পারিনি।’

    স্বস্তিকার এ অভিজ্ঞতার সঙ্গে নেটিজেনদের অনেকে সহমত পোষণ করেছেন। আবার খুব ব্যক্তিগত ব্যাপার এভাবে বলায় তাকে কটাক্ষ করে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।

  • মেয়েদের সবচেয়ে নোংরা জায়গা, ভুলেও ছোঁবেন না

    মেয়েদের সবচেয়ে নোংরা জায়গা, ভুলেও ছোঁবেন না

    নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য শরীরের কিছু জায়গায় অহেতুক হাত দেয়া উচিত নয়। তবে সব সময় সেটা খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। ভুলবশত হাত চলে যায় সেসব স্থানে। তবে এই অভ্যাস থাকলে পরবর্তী জীবনে ভুগতে হতে পারে, ডেকে আনতে পারে বিপদ। সে কারণে কখনো শরীরের এই জায়গাগুলোতে হাত দেবেন না ভুলেও।

    প্রথমত চোখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকা দরকার। কারণ, আমাদের হাতে যে জীবাণু থাকে, সেগুলো চোখে গেলে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার শ’ঙ্কা রয়েছে। সুতরাং মুখ ধোয়া বা কন্ট্যাক্ট লেন্স পরার সময় ছাড়া চোখে হাত না দেয়া ভালো।

    চোখের পরেই কান আমাদের শরীরের স্প’র্শকাতর জায়গা। কানে বেশি হাত না দেয়া ভালো। অযথা অন্য কোনো জিনিস দিয়ে কান পরিষ্কারও করবেন না। এতে কানের পর্দা ছিঁড়ে যাওয়ার শ’ঙ্কা থাকে।

    আমাদের হাতে যেহেতু নানা রকম জীবাণু থাকে। চিন্তার সময় বা দিনের বিভিন্ন সময় মুখে হাত দিলে সেই জীবাণু সোজা পেটে চলে যাওয়ার আশ’ঙ্কা থাকে। যা ডেকে আনতে পারে মা’রাত্মক বিপদ। সে কারণে মুখে হাত ঢুকিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রচণ্ড ক্ষুধা থাকলেও খালি পেটে ভু’লেও খাবে’ন না যে ৪ টি খাবার!

    প্রচ’ণ্ড ক্ষুধা পেলে ঘরে যা থাকে তাই খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করি। কেননা ক্ষুধা পেলে খাবার না খাওয়া পর্যন্ত কিছুই ভালো থাকে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে ক্ষুধা মেটানো হয়।

    কিন্তু এ সময় সব ধ’রনের খাবার খাওয়া উচিত নয়, কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো খিদের সময়ে খেলে যেমন পে’টের ক্ষিদে মিটবে না তেমনি শ’রীরের অনেক বড় ক্ষ’তি হতে পারে। তাহলে জে’নে নিন, ক্ষুধার সময় যে ৪ ধ’রণের খাবার খাওয়া উচিত নয়-

    ১) ফল : খালি পে’টে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আম’রা আমাদের ছে’লেবেলা থেকেই জানি। একটি আপেল বা একটি কলা খেয়ে কখনই পে’টের ক্ষুধা মিটে না। বরং আপনার খিদে খিদে ভাব আরও বেড়ে যাবে। যদি ফল খেয়েই থাকেন তাহলে এর স’ঙ্গে আপনার খাওয়া উচিত কোনও প্রোটিন ধ’রণের খাবার। ফলের স’ঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পিনাট বাটার বা পনির

    ২) ঝাল খাবার : কোন কাজে’র জন্য দুপুরের খাবার সারতে দেরি হয়েছে। এ সময় প্রচ’ণ্ড ক্ষিদে পেয়েছে, তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল ঝাল কোনও মুখরোচক খাবার খেয়ে বসলেন। এতে আপনার হ’জ’মের স’মস্যা তৈরি হবে।

    খালি পে’টে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের ওপর সরাসরি প্র’ভাব ফেলবে। তাই ঝাল ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরঝালের প্র’ভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না।

    ৩) কমলালেবু বা কফি : এই সব খাবার খালি পে’টে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। এতে পে’ট খা’রাপ হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পে’টে কফি পান করাটা অ’ত্যন্ত ক্ষ’তিকর।

    সবজি পে’টের জন্য এতোটা ক্ষ’তিকর না। তাই সবজির সালাদ খেতে পারেন। সেদ্ধ ডাল বা মুরগীর মাংসও (কম মশলাদার হলে চলবে) এ সময়ে খাওয়া যেতে পারে।৪) বিস্কুট বা চিপস : এমনটা হতে পারে যে আপনি আর দুই ঘন্টা পর দুপুরের খাবার খাবেন। তাই এখন ভা’রী কিছু খেতে চাচ্ছেন না।

  • মঞ্চে পোশাক খোলার পর যা ঘটেছিল, জানালেন টাইটানিক নায়িকা

    মঞ্চে পোশাক খোলার পর যা ঘটেছিল, জানালেন টাইটানিক নায়িকা

    তিন দশকের বেশি সময় ধরে দর্শকদের অভিনয়জাদুতে মুগ্ধ করে আসছেন কেট উইন্সলেট। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে কেট অভিনীত নতুন সিনেমা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। সিনেমাটির প্রচার উপলক্ষে গত এক মাসে অনেক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অভিনেত্রী, হাজির হয়েছে বেশ কয়েকটি টক শোতে। কথা বলেছেন নতুন সিনেমাসহ নানা প্রসঙ্গে। তবে ‘গ্রাহাম নরটন’ শোতে গিয়ে এমন এক ঘটনার স্মৃতিচারণা করলেন, যা নিয়ে আগে কথা বলেননি অভিনেত্রী।

    ঘটনাটি কয়েক দশক আগের, কেট উইন্সলেটের অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের। তখন তাঁর বয়স মোটে ১৮। একবার মঞ্চে অভিনয় করতে গিয়ে ঘটেছিল ঘটনাটি। কী এমন ঘটনা, যা নিয়ে এত দিন পরও কথা বলতে হলো অভিনেত্রীকে?
    চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ কয়েকবারই পর্দায় পোশাক খুলতে হয়েছে কেট উইন্সলেটকে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মঞ্চের ঘটনাটির স্মৃতিচারণা করেন তিনি।

    ঘটনাটি কী ছিল, সেটা শোনা যাক কেট উইন্সলেটের মুখেই, ‘তখন আমার ১৮, ম্যানচেস্টারে একটি নাটকে অভিনয় করছিলাম। আমার চরিত্রটি ছিল এক চিকিৎসকের সেক্রেটারির চাকরিপ্রত্যাশীর। নিয়োগ দেওয়ার আগে চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে চান, সে জন্য পোশাক খুলে ফেলতে বলেন। কথামতো কাজ করি। কিন্তু তখনই আমার বাথরুম পায়। পোশাক খুলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি, প্রচণ্ড চাপ থাকার পরও বাথরুমে যেতে পারছি না…সে এক বিব্রতকর অবস্থা।’

    ঘটনাটি কয়েক দশক আগের, কেট উইন্সলেটের অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের। তখন তাঁর বয়স মোটে ১৮। একবার মঞ্চে অভিনয় করতে গিয়ে ঘটেছিল ঘটনাটি। কী এমন ঘটনা, যা নিয়ে এত দিন পরও কথা বলতে হলো অভিনেত্রীকে?
    চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ কয়েকবারই পর্দায় পোশাক খুলতে হয়েছে কেট উইন্সলেটকে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মঞ্চের ঘটনাটির স্মৃতিচারণা করেন তিনি।

    ঘটনাটি কী ছিল, সেটা শোনা যাক কেট উইন্সলেটের মুখেই, ‘তখন আমার ১৮, ম্যানচেস্টারে একটি নাটকে অভিনয় করছিলাম। আমার চরিত্রটি ছিল এক চিকিৎসকের সেক্রেটারির চাকরিপ্রত্যাশীর। নিয়োগ দেওয়ার আগে চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে চান, সে জন্য পোশাক খুলে ফেলতে বলেন। কথামতো কাজ করি। কিন্তু তখনই আমার বাথরুম পায়। পোশাক খুলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি, প্রচণ্ড চাপ থাকার পরও বাথরুমে যেতে পারছি না…সে এক বিব্রতকর অবস্থা।’

    ঘটনাটি কয়েক দশক আগের, কেট উইন্সলেটের অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের। তখন তাঁর বয়স মোটে ১৮। একবার মঞ্চে অভিনয় করতে গিয়ে ঘটেছিল ঘটনাটি। কী এমন ঘটনা, যা নিয়ে এত দিন পরও কথা বলতে হলো অভিনেত্রীকে?
    চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ কয়েকবারই পর্দায় পোশাক খুলতে হয়েছে কেট উইন্সলেটকে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মঞ্চের ঘটনাটির স্মৃতিচারণা করেন তিনি।

    ঘটনাটি কী ছিল, সেটা শোনা যাক কেট উইন্সলেটের মুখেই, ‘তখন আমার ১৮, ম্যানচেস্টারে একটি নাটকে অভিনয় করছিলাম। আমার চরিত্রটি ছিল এক চিকিৎসকের সেক্রেটারির চাকরিপ্রত্যাশীর। নিয়োগ দেওয়ার আগে চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে চান, সে জন্য পোশাক খুলে ফেলতে বলেন। কথামতো কাজ করি। কিন্তু তখনই আমার বাথরুম পায়। পোশাক খুলে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি, প্রচণ্ড চাপ থাকার পরও বাথরুমে যেতে পারছি না…সে এক বিব্রতকর অবস্থা।’

    কেট উইন্সলেট জানান, মঞ্চে পাত্রপাত্রীদের পোশাক খুলাটা সাধারণ ঘটনা। তবে এ ধরনের দৃশ্যের আগে চারপাশে একধরনের পর্দা টেনে দেওয়া হতো, ফলে দর্শকেরা দেখতে পারত না। অভিনয় শেষ হতেই যে দৌড়ে বাথরুমে গিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে সে কথা জানাতে ভোলেননি কেট উইন্সলেট।