Author: News Live

  • শরীরের এই ৮টি স্থানে তিল থাকা মানেই ধনী হওয়ার লক্ষণ

    শরীরের এই ৮টি স্থানে তিল থাকা মানেই ধনী হওয়ার লক্ষণ

    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো শরীরের থাকা বিভিন্ন স্থানের তিল সম্পর্কে। পৃথিবীতে ধনী(Rich) হতে সবাই চায়। সচ্ছলতা ও বিলাসিতার জীবন কাটাতে মানুষ অক্লান্ত পরিশ্রম(Hard work) করে। তবে কেউ কেউ সফল(Success) হন, আর অনেকেই রয়ে যায় ব্যর্থ। তবে মানুষের ভবিষ্যৎ কতটা ভালো হবে তা নির্ভর করে তার কর্মের উপর। আর বাকিটা হলো ভাগ্য। যা আগে থেকেই নির্ধারণ করা থাকে। তবে ভাগ্য বদলের ক্ষেত্রেও কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

    সমুদ্রশাস্ত্র মতে, ভাগ্য বা ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার মতো কিছু বিষয় মানুষ জন্মগত ভাবে নিজের মধ্যে পেয়ে থাকে। যার একটি মাধ্যম হলো তিল। শরীরে বিভিন্ন জায়গায় তিলের অবস্থান আপনার ভবিষ্যৎ(Future) সস্পর্কে শুভ-অশুভ অনেক কিছুই ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।

    তিলতত্ত্বের মতে, শরীরের বিভিন্ন স্থানের তিল বলে দিতে পারে ভবিষ্যতে কী আছে আপনার ভাগ্যে। কিংবা শরীরের কোথায় তিল থাকলে কী হয় তা তিল দেখে আগাম জানা যায়। শুধু তার সঠিক অর্থ বুঝে নিতে হবে। শরীরে কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে তিল থাকা মানেই ধনী(Rich) হওয়ার লক্ষণ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোথায় কোথায় তিল থাকলে সম্পত্তি লাভ বা অর্থলাভের পথ সুগম হয়-

    > ঠোঁটের ঠিক ওপরেই তিল! হ্যাঁ, এমন স্থানে তিল থাকলে বুঝতে হবে খুব অল্প বয়স থেকেই সেই নারী বা পুরুষ প্রচুর ধন-সম্পদের(Wealth) অধিকারী হয়ে উঠবেন। এই স্থানে থাকা তিলের ব্যক্তিরা একটু জেদি স্বভাবের হইয়ে থাকেন।

    > নাকের ডানদিকে তিল থাকা মানুষটির ধনী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল। ৩০ বছর বয়স থেকেই এরা সাফল্যের সিঁড়ি চড়তে থাকেন।

    > সমুদ্রশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের কোমরে তিল থাকে তাদের ধনী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। দিন দিন তাদের সম্পত্তি(Property) সমৃদ্ধি হতে থাকে।

    > বিয়ের পর অনেকেই প্রচুর সম্পদের মালিক হন। এক্ষেত্রে যাদের শরীরে যে কোনো স্থানে গাঢ় রঙের ও ছোট্ট আকারের তিল থাকে, তাহলে বুঝে নিন সেই নারী কিংবা পুরুষ বিয়ের পর ধনী(Rich) হতে চলেছেন। এমনটাই দাবি সমুদ্রশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের।

    > যদি কারো ডান হাতের চেটোতে তিল থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি খুব অল্প বয়স থেকেই সম্পত্তি পেতে থাকেন। ফলে সহজেই তাদের ধনী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    > সমুদ্রশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, নাভির আশেপাশে বা চিবুকে তিল থাকা মানেও ধনী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    > বুকে তিল থাকলে সেই নারী বা পুরুষ সহজে ধনী হন। পাশাপাশি এরা খুবই শান্তিপূর্ণ(Peaceful) জীবন যাপন করেন।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • ভোরবেলা স’হবা’স করার ৭টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা জেনে নিন

    ভোরবেলা স’হবা’স করার ৭টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা জেনে নিন

    ভোরবেলা সহবাস করার ৭টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা জেনে নিন। বিশেষজ্ঞদের মতে ভোর বেলায় সহবাসের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(Immunity) বৃদ্ধি ছাড়াও অনেক উপকার পাওয়া যায়। রাত বা অন্য সময়ের চেয়ে ভোরে মিলনের ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এরই সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বেড়ে যায়। এসময় নারী এবং পুরুষ উভয়েরই যৌন হরমোন(Sex hormone) গুলির মাত্রা থাকে তুঙ্গে। তবে এসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়।

    তাই ঘুমাতে যাওয়ার সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া খুবই জরুরি। ভোরবেলা মিলন শরীরে অ্যান্টিবডি(Antibodie) গঠন করতে সাহায্য করে,শরীরের রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকে। এছাড়া সকালের মিলনের ফলে আর্থ্রাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ কম হয়। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে ভালবাসার একান্ত সময় কাটাতে চাইছেন? এগিয়ে যান। কারণ নিয়মিত যৌনমিলন(Sex) বা সহবাস মানসিক শান্তির সঙ্গেই আপনার ক্লান্তি কাটিয়ে দেবে, ক্যালরি কমাবে, আরামের ঘুমও উপহার দেবে। এক কথায় শরীরকে করে তুলবে সুস্থ, ঝরঝরে। নিয়মিত সহবাসের উপকারিতা-

    ১) সপ্তাহে দুদিন যৌনমিলন পুরুষদের হার্ট অ্যাটাকের(Heart attack) সম্ভাবনা বহুলাংশে কমিয়ে দেয়।

    ২) যৌনমিলন ব্যাথা(Pain) উপশমে অব্যর্থ।যৌনমিলনের সময় অর্গাসমের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন ক্ষরণের মাত্রা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পায়।এর সঙ্গেই শরীর এন্ডোরফিনস ক্ষরণ করে যা ব্যাথা কমিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

    ৩) নিয়মিত যৌনমিলন শরীরে IgA অ্যান্টিবডির সংখ্যা বাড়িয়ে তোলে। যা রোগ প্রতিরোধে অপরিহার্য্য।

    ৪) সহবাস ক্লান্তি দূর করে। মানসিক শান্তি(Peace of mind) তৈরি করে।

    ৫) যৌনমিলনের পরবর্তী ঘুম আরাম ও শান্তির হয়। যা সার্বিক ভাবে শারীরিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে।

    ৬) প্রত্যেকবার যৌনমিলনের ফলে অন্তত পক্ষে ৮০ ক্যালরি(Calories) করে ক্ষয় হয়। ফলে ওজন ঝরানোর জন্য মোক্ষম পদ্ধতি সহবাস।

    ৭) যৌনমিলন চলাকালীন ডিহাইড্রোএপিএন্ড্রোস্টেরন নামের একটি হরমোন ক্ষরিত হয়। এই হরমোন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(Immunity) বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কোষ-কলাকে মেরামত করে। ফলে আয়ু বৃদ্ধি পায়।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • মেয়েরা সহবাস না করলে যে ধরনের ক্ষতি হয়

    মেয়েরা সহবাস না করলে যে ধরনের ক্ষতি হয়

    যৌ-নচার বিষয়ে ইসলাম বলতে সেইসব ইসলামিক অনুশাসন বোঝায় যেগুলো দ্বারা মানুষের যৌ-নাচারনিয়ন্ত্রিত হবে। এইসব অনুশাসন বহির্ভুত সকল প্রকার যৌ-নাচার ইসলামী মতে নিষিদ্ধ বাহারাম। মানব জীবনেরযৌ-ন চাহিদা ইসলাম কর্তৃক স্বীকৃত কিন্তু যৌ-নাচারের পন্থা সম্পর্কে রয়েছে অনুশাসন। মানুষের বিবিধ যৌ-নাচার অনুমোদনযোগ্য কি-না তা দুটি বিষয় থেকে অনুমানযোগ্য।

    প্রথমত: যৌ-নাচারের মূল উদ্দেশ্য বংশবৃদ্ধি এবং দ্বিতীয়ত: নারী ও পুরুষ কেবল রীতিসিদ্ধ উপায়ে বিয়ের মাধ্যমে যৌনাচারের প্রাধিকার অর্জন করে।

    যৌ-নতা বিষয়ক ফিকহ বা ইসলামিক শারীরিক মিলন (physical relation) আইনশাস্ত্র এবং ইসলামে যৌ-নতা বিষয়ক নিয়মাবলি ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ কুরআন, হাদীস নামে পরিচিত ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর বাণী ও কর্ম, ইসলামিক নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রদত্ত ফতোয়াপ্রভৃতিতে ব্যাপক ও বিস্তারিত ভাবে বলা হয়েছে, যা নারী ও পুরুষের মধ্যকার নিয়মতান্ত্রিক শারীরিক মিলন সম্পর্কের মধ্যে সীমিত।

    ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহবহির্ভুত শারীরিক মিলন (physical relation) সম্পুর্ন হারাম! এমনকি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানীতঃ যে সকল নর-নারী বিবাহপুর্ব শারীরিক মিলন করেছে তারা বিবাহ পরবর্তী যৌন জীবনে অসুখী। আর যে সকল নর- নারী বিবাহপুর্ব শারীরিক মিলনে লিপ্ত হননি – তারা বিবাহ পরবর্তী সুখি জীবনযাপন করেন। তাই বিবাহের আগে শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকুন।

    যারা বিবাহ ব্যতিরেকে শারীরিক মিলন (physical relation) করতে চাইছেন তাদের প্রতি:- “ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। ”

    ওষুধ সেবন, কিংবা কনডমসহ জন্ম নিয়ন্ত্রণের আধুনিক যেকোন পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না। মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র প্রাকৃতীকভাবে নির্ধারিত।তে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস হিসেবে ধরা হয়।

    এই দিবসগুলোতে স্বামী-স্ত্রীর যৌ-ন মিলন করলেও স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবে না। এই নিরাপদ দিনগুলো প্রকৃতি গতভাবেই নির্দিষ্ট। তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন। এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলো।

    এ জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়। এবার সবচেয়ে কম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ওই দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদদিন। আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিন।

    ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিনগুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই যৌন মিলন করা যাবে। ১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিকচক্র।

    তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার যৌ-ন মিলনের জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস। ২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাঁধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু ১০ ম থেকে ২০ ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাঁধ যৌন মিলন করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।

    উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাঁধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই। জেনে রাখা ভালো অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর নয়।

    এছাড়া প্রাকৃতীক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ। সাধারণত মাসিকের হিসেবে গণ্ডোগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও মিলনের সুযোগ নেয়া বা ঝুঁকি নেয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া ইত্যাদি কারণে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে। তাই সঠিক হিসেব জেনে নেবার জন্য ১ম বার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    কিছু পুরুষের শুক্রাণুর আয়ু বেশি হওয়ায় তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস ২ দিন বাড়িয়ে নেবার প্রয়োজন হতে পারে। অনেকে এটাকে বলে একে ঝামেলাপূর্ণ মনে করেন, কিন্তু একবার এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এই পদ্ধতিতে যৌ-ন মিলন বেশ সহজ, আরামদায়ক এবং পার্র্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন।

  • মাসের কোন দিনে মেয়েরা যৌ’ন উত্তেজনায় ‘পাগল’ হয়ে যায়? না জানলেই মিস!

    মাসের কোন দিনে মেয়েরা যৌ’ন উত্তেজনায় ‘পাগল’ হয়ে যায়? না জানলেই মিস!

    Love Making Tips: শারীরিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করতে লজ্জা পান অনেকেই। কিন্তু লজ্জার কোনও কারণ নেই। শরীরকে সুস্থ্য রাখতে গেলে যৌন জীবনকে সুন্দর রাখতেই হবে। মানসিক চাপ, ক্লান্তি দূর করতে চাইলে সঙ্গম করুন। অনেকেই জানেন না, মাসের কোন দিনটিতে মহিলাদের যৌন চাহিদা তুঙ্গে থাকে। আপনিও সেই তালিকায়? জানুন তাহলে…

    মাসের কোন দিনে মেয়েরা যৌন উত্তেজনায় ‘পাগল’ হয়ে যায়? না জানলেই মিস!
    Love Making Tips: শারীরিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করতে লজ্জা পান অনেকেই। কিন্তু লজ্জার কোনও কারণ নেই। শরীরকে সুস্থ্য রাখতে গেলে যৌন জীবনকে সুন্দর রাখতেই হবে। মানসিক চাপ, ক্লান্তি দূর করতে চাইলে সঙ্গম করুন। অনেকেই জানেন না, মাসের কোন দিনটিতে মহিলাদের যৌন চাহিদা তুঙ্গে থাকে। আপনিও সেই তালিকায়? জানুন তাহলে…
    Anwesa Biswas
    Anwesa Biswas | Updated on: Mar 27, 2024 | 1:24 PM

    শারীরিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করতে লজ্জা পান অনেকেই। কিন্তু লজ্জার কোনও কারণ নেই। শরীরকে সুস্থ রাখতে গেলে যৌন জীবনকে সুন্দর রাখতেই হবে। মানসিক চাপ, ক্লান্তি দূর করতে চাইলে সঙ্গম করুন।
    শারীরিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করতে লজ্জা পান অনেকেই। কিন্তু লজ্জার কোনও কারণ নেই। শরীরকে সুস্থ রাখতে গেলে যৌন জীবনকে সুন্দর রাখতেই হবে। মানসিক চাপ, ক্লান্তি দূর করতে চাইলে সঙ্গম করুন।

    1 / 8
    ঠিক যেমন খিদে পায়, ঘুম পায়, তেমনই যৌনতাও একটি স্বাভাবিক কার্যকলাপ। এই নিয়ে চুপিসারে আলোচনা করার কিছু নেই। নিঃসন্দেহে এটি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
    ঠিক যেমন খিদে পায়, ঘুম পায়, তেমনই যৌনতাও একটি স্বাভাবিক কার্যকলাপ। এই নিয়ে চুপিসারে আলোচনা করার কিছু নেই। নিঃসন্দেহে এটি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    2 / 8
    সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সুখকর যৌন জীবন যে প্রয়োজন, তা আর নতুন করে বলার থাকে না। যদিও যৌনতা নিয়ে সরাসরি কথা বলতে অনেক মহিলাই লজ্জা পান। নিজের সঙ্গীকেও বলে উঠতে পারেন না।
    সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সুখকর যৌন জীবন যে প্রয়োজন, তা আর নতুন করে বলার থাকে না। যদিও যৌনতা নিয়ে সরাসরি কথা বলতে অনেক মহিলাই লজ্জা পান। নিজের সঙ্গীকেও বলে উঠতে পারেন না।

    3 / 8
    কিন্তু সঙ্গীর উচিত তার স্ত্রীয়ের যৌন চাহিদার দিকে নজর রাখা। অনেকেই জানেন না, মাসের কোন দিনটিতে মহিলাদের যৌন চাহিদা তুঙ্গে থাকে। আপনিও সেই তালিকায়? জানুন তাহলে…
    কিন্তু সঙ্গীর উচিত তার স্ত্রীয়ের যৌন চাহিদার দিকে নজর রাখা। অনেকেই জানেন না, মাসের কোন দিনটিতে মহিলাদের যৌন চাহিদা তুঙ্গে থাকে। আপনিও সেই তালিকায়? জানুন তাহলে…

    4 / 8
    গাইনোকলজিস্টদের মতে, মহিলাদের মধ্যে সঙ্গমের ইচ্ছা প্রবল হয় ওভিউলেশনের সময়। ভাবছেন তো সেটা কী? আসলে মাসের নির্দিষ্ট একটি সময়ে মহিলাদের ডিম্বাশয় থেকে একটি পরিণত এগ বা ডিম্বাণু বা ওভাম নির্গত হয়। একেই ওভুলেশন বলে।
    গাইনোকলজিস্টদের মতে, মহিলাদের মধ্যে সঙ্গমের ইচ্ছা প্রবল হয় ওভিউলেশনের সময়। ভাবছেন তো সেটা কী? আসলে মাসের নির্দিষ্ট একটি সময়ে মহিলাদের ডিম্বাশয় থেকে একটি পরিণত এগ বা ডিম্বাণু বা ওভাম নির্গত হয়। একেই ওভুলেশন বলে।

    5 / 8
    এবার আপনার কাছে এটা গন্ডগোলের মনে হতে পারে। তাই সহজভাবে বুঝে নিন। মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল সাধারণভাবে ২১-৩৫ দিনের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। ওভিউলেশনের আগের সময়টি ১৩ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত হতে পারে।
    এবার আপনার কাছে এটা গন্ডগোলের মনে হতে পারে। তাই সহজভাবে বুঝে নিন। মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল সাধারণভাবে ২১-৩৫ দিনের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। ওভিউলেশনের আগের সময়টি ১৩ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত হতে পারে।

    6 / 8
    সাধারণত ওভিউলেশনের ১৪ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে পিরিয়ড হয়। তবে ওভিউলেশনের তিন দিন আগে থেকেই শরীরের তাপমাত্রা একটু বেড়ে যায়।
    সাধারণত ওভিউলেশনের ১৪ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে পিরিয়ড হয়। তবে ওভিউলেশনের তিন দিন আগে থেকেই শরীরের তাপমাত্রা একটু বেড়ে যায়।

    7 / 8
    সেই সঙ্গে যৌন চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। তাই যদি কেউ সন্তান নেওয়ার প্ল্যানিং করেন, তবে এই সময় করতেই পারেন। তবে গর্ভধারণ করলে চাইলে এই সময়ে নিয়মিত সহবাস করা জরুরি। কিন্তু মাসের এই দিনগুলিতে সঙ্গীকে বিছানায় বেশি সময় দিন।
    সেই সঙ্গে যৌন চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। তাই যদি কেউ সন্তান নেওয়ার প্ল্যানিং করেন, তবে এই সময় করতেই পারেন। তবে গর্ভধারণ করলে চাইলে এই সময়ে নিয়মিত সহবাস করা জরুরি। কিন্তু মাসের এই দিনগুলিতে সঙ্গীকে বিছানায় বেশি সময় দিন।