Author: News Live

  • ৩দিনের ছুটি হঠাৎ বদলে গেল! জানলে চমকে যাবেন

    ৩দিনের ছুটি হঠাৎ বদলে গেল! জানলে চমকে যাবেন

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য হঠাৎ এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের কারণে সরকারি ছুটি সংক্রান্ত নতুন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী দিন ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, সাধারণ ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
    এতে এক সঙ্গে তিন দিনের বিশ্রামের সুযোগ মিলতে পারে। কারণ, নির্বাচনের পরের দুই দিন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
    এছাড়া, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শবে বরাতের ছুটিও থাকায়, নির্দিষ্ট দিনগুলো মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চার দিনের বিশ্রাম পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
    নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এদিন সরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে এবং নাগরিকদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করা হবে।
    সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ছুটি পরিকল্পনা নাগরিকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি কার্যক্রমে ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    এই ছুটির পেছনে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সরকারি ছুটি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। এর পরবর্তী দু’দিন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি, যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় স্বাভাবিক ছুটি। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    এটি চলতি বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম বড় ছুটি এবং ছুটির তালিকায় পঞ্চম ছুটিও বটে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি ঘোষিত রয়েছে। তার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।

  • কে কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হলেন

    কে কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হলেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪ জন সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    প্রতিমন্ত্রী হতে যাওয়া ২৪ জন হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), শরীফুল আলম (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু (কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি মন্ত্রণালয়), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষইয়ক মন্ত্রণালয়), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), ফারজানা শারমিন পুতুল (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), এম ইকবাল হোসেন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), আলী নেওয়াজ খৈয়াম (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)।