Author: News Live

  • রাতে হঠাৎ প্রবাসীর স্ত্রীর চিৎকার, আশপাশের মানুষ দেখলেন ভ.য়ং.কর দৃশ্য

    রাতে হঠাৎ প্রবাসীর স্ত্রীর চিৎকার, আশপাশের মানুষ দেখলেন ভ.য়ং.কর দৃশ্য

    রাত ৮টা, দিনের ব্যস্ততা শেষ করে মাত্র সবাই ঘরে ঢুকলো। কিছুক্ষণ পর ভয়াবহ চিৎকার। আশপাশ থেকে ছুটে গেলেন মানুষজন।

    কিন্তু গিয়ে দেখলেন ভয়ংকর এক দৃশ্য-রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মা ও মেয়ে পড়ে আছেন।

    ঘটনাটি লক্ষ্মীপুরের। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বালাইশপুর গ্রামের নিজ ঘরে এ হামলার শিকার হন তারা। তবে কি কারণে এ হামলা হয়েছে জানাতে পারেনি কেউ।

    এ ঘটনায় মুমূর্ষবস্থায় মা-মেয়ে দুজনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন।

    আহতরা হলেন সৌদি প্রবাসী নবী উল্যার স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ও তার মেয়ে ৮ বছরের শিশু সাদিয়া। তাদের দুই হাত ও মাথায় দারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    এলাকাবাসী জানান, রাতে প্রবাসী নবী উল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী মরিয়মের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে যায়। এসময় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মা ও মেয়েকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এ সময় জাহিদ নামে এক বখাটে হামলা করে তাদের জখম করে বলে জানান আহত প্রবাসীর স্ত্রী।

    এক পর্যায়ে মুমূর্ষবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন।

    লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. আসিফ মাহমুদ জানান, আহত মরিয়ম আক্তারের দুই হাতের কব্জি কাটা ও মাথায় জখম নিয়ে মা ও মেয়েকে জরুরী বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    আশঙ্কামুক্ত না হওয়ায় মাকে পঙ্গু হাসপাতাল ও মেয়েকে নিওরো সাইন্স মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছেন। জাহিদ নামে একটি ছেলে তাদের কুপিয়ে আহত করেছে বলে স্থানীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • অল্প টাকায় লাভজনক ১৩টি ডিলারশিপ ব্যবসার আইডিয়া

    অল্প টাকায় লাভজনক ১৩টি ডিলারশিপ ব্যবসার আইডিয়া

    পুঁজি কম থাকলে ডিলারশিপের ব্যবসা শুরু করা নিরাপদ ও লাভজনক। আজ আমরা আলোচনা করব ডিলারশিপের ব্যবসা কী, ডিলার হতে চাইলে কী কী করা প্রয়োজন, কিভাবে ডিলারশিপ নিতে হয়, ডিলারশিপ ব্যবসার নিয়ম। আমরা জেনে নেব কয়েকটি ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া যা আপনি শুরু করতে পারবেন কম টাকায়।

    ডিলারশিপ ব্যবসা কী: কোনও কোম্পানির ডিলারশিপ নেওয়ার অর্থ হল একটি নির্দিষ্ট এলাকায় সেই কোম্পানির পণ্যের বিপণন ও বন্টনের যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়া। যেমন ধরুন পার্লে কোম্পানি আপনার এলাকায় ডিলার নিয়োগ করবে। আপনি যদি সেই ডিলারশিপ নিতে চান তাহলে চুক্তি অনুযায়ী আপনাকে সেই এলাকার পার্লে-এর যাবতীয় দায়িত্ব নিতে হবে। পণ্য বিপণন থেকে উপভোক্তাকে সুযোগ সুবিধা দেওয়া পুরোটাই দেওয়া হবে আপনার মাধ্যমে।

    ডিলারশিপ ব্যবসার নিয়ম: ডিলারশিপ ব্যবসা করতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হতে হয়। অর্থাত্ একটি ডিলারশিপ চুক্তিপত্র সই করতে হয়। এই চুক্তিপত্রে ব্যবসার যাবতীয় শর্ত বিস্তারিতভাবে লেখা থাকে। প্রতিটি ডিলারশিপ ব্যবসার কিছু চাহিদা থাকে যা কোম্পানি থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়।

    এরমধ্যে মার্কেটিং টিম, কভার ভ্যান, মাল রাখার গুদাম ইত্যাদি নানা কিছু থাকতে পারে। প্রথমেই কোম্পানির প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করবেন আপনার ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে কি না। যদি তাঁরা মনে করেন সবকিছু যথাযথ সেক্ষেত্রে কোম্পানি আপনার সঙ্গে চুক্তিপত্র সই করবে। কোনও কোনও কোম্পানি ব্যাঙ্ক গ্যারান্টিও চাইতে পারে।

    এর পর চুক্তি মোতাবেক কোম্পানি আপনাকে বাকিতে মাল পাঠাতে পারে, অথবা আপনাকে নগদ দিয়ে কিনতেও হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোম্পানিরা বিক্রির ওপর কমিশন দিয়ে থাকে। কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির সময়ে শর্তগুলি ভাল করে পরিষ্কার করে বুঝে নেবেন যাতে ব্যবসা শুরু করার পর কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়।

    কিভাবে ডিলারশিপ নিতে হয়?: ডিলারশিপ ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই নির্দিষ্ট কোম্পানি ও পণ্য চিহ্নিত করতে হবে। আপনি যে এলাকায় কাজ করবেন সেই এলাকায় সেই পণ্যে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে কি না, ক্রেতারা সেই পণ্য কিনতে আগ্রহী হবে কি না। সেই কোম্পানি যে দামে জিনিস বিক্রি করছে তা আপনার এলাকার জন্য উপযুক্ত কি না তা মাথায় রাখতে হবে।

    এর পর জানতে হবে আপনার এলাকায় সেই কোম্পানি ডিলার নিয়োগ করতে আগ্রহী কি না। অন্যথায় আপনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়েও যোগাযোগ করতে পারেন। কোম্পানি রাজি হলে ডিলারশিপ চুক্তিপত্র সই করার মাধ্যমে শুরু করতে পারেন আপনার ডিলারশিপের ব্যবসা।

    ১৩ টি লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া: ১. কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক ইত্যাদির ডিলারশিপ: সার, কীটনাশক ইত্যাদির ডিলারশিপ একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হতে পারে। আপনার এলাকায় যদি এই সমস্ত পণ্যের চাহিদা থাকে তাহলে এই ব্যবসার কথা ভেবে দেখুন। অবশ্যই শহরাঞ্চলে এই ব্যবসার কোনও ভবিষ্যত্ নেই কিন্তু গ্রাম বা শহরতলির দিকে এই ব্যবসা থেকে উপার্জন সম্ভব।

    ২. কৃষির যন্ত্রাদির ডিলারশিপ: কৃষিকাজে যে সমস্ত যন্ত্র ব্যবহৃত হয় সেগুলি বিক্রি করেলও ভাল লাভ করতে পারবেন। ভারতে কৃষির যন্ত্রাদির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ছোট হাতে চালানো যন্ত্রের চাহিদা বেশ বেশি। এই ব্যবসা শুরু করতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    ৩. গাড়ির যন্ত্রাংশের ডিলারশিপ: গাড়ির ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে আর তার ফলে গাড়ির মেরামতি ও গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের চাহিদাও বাড়ছে। এছাড়াও গাড়ি ডেকরেশনের নানা উপাদানেরও ভাল চাহিদা রয়েছে। এই ব্যবসা একটি লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া।

    ৪. প্রসাধনীর ডিলারশিপ: গ্রাম থেকে শহর, প্রসাধনী সামগ্রীর চাহিদা সর্বত্র। কোন ব্র্যান্ডের বা কোন পণ্যটির চাহিদা বেশি হবে তা সেই বিশেষ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। আপনি যদি উপযুক্ত কোম্পানির ডিলারশিপ নিতে পারেন তাহলে লাভ হবেই। পাশাপাশিই খুচরো ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন যাতে তাঁরা আপনার পণ্যটিকে বিক্রির জন্য বাড়তি চেষ্টা করেন।

    ৫. বিল্ডিং ও কনস্ট্রাকশন মেটেরিয়াল-এর ডিলারশিপ: আরও একটি লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া হল বিল্ডিং ও কনস্ট্রাকশন মেটেরিয়ালের ব্যবসা। ইট, বালি, সিমেন্ট, লোহার চাহিদা কোনওদিনই ফুরোবে না। বিশেষত আপনি যদি এমন এলাকায় ব্যবসা করেন যেখানে নতুন নতুন বহুতল তৈরি হচ্ছে তাহলে ব্যবসা চলবে রমরম করে। এই ব্যবসার ডিলারশিপ নিলে প্রমোটার ও কন্ট্রাকটরদের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক রাখা বাঞ্ছনীয়, তাঁদের সূত্রেও ব্যবসা পেতে পারেন।

    ৬. বইয়ের ডিলারশিপ: বইয়ের ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্ন বড় প্রকাশনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে ডিলারশিপ নিতে পারেন। স্কুল কলেজের পাঠ্যবইয়ের ডিলারশিপ নিলে ভাল ব্যবসা হবে। কোন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলে বেশি লাভ করা সম্ভব সে বিষয়ে সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নিন। প্রাথমিক মার্কেট সার্ভে করে বাজার বুঝে নিতে পারেন। বইয়ের পাশাপাশি সিডি-ডিভিডি ও পত্র পত্রিকার ডিলারশিপও নিতে পারেন।

    ৭. এফএমসিজি-এর ডিলারশিপ: এফএমসিজি অর্থাত্ ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুড-এর ব্যবসা একটি অত্যন্ত লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া। অগ্রণী প্রতিটি এফএমজিসি প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের পণ্যের বন্টনের জন্য বহু সংখ্যক ডিলার নিযোগ করে। যেহেতু এই সমস্ত পণ্য দৈনন্দিন ব্যবহার্য তাই এই ব্যবসাতে দ্রুত লাভ করা সম্ভব। শুধু পণ্য ও কোম্পানি নির্বাচনের ক্ষেত্রে যত্নবান হোন, এমন পণ্য বেছে নিন যা দ্রুত বিক্রি হওয়া সম্ভব ও যার বাজারে সুনাম রয়েছে।

    ৮. ওষুধের ডিলারশিপ: ওষুধ কোম্পানির ডিলারশিপও একটি লাভজনক ব্যবসা। ভারতে এটি একটি লোভনীয় ব্যবসা ক্ষেত্র। কোন কোম্পানির কোন ওষুধের ডিলারশিপ নেবেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমন কোম্পানির সঙ্গে কাজ করুন যাদের বিপণন ও মার্কেটিং ভাল।

    ৯. চামড়ার পণ্যের ডিলারশিপ: চামড়ার পণ্য উত্পাদক সংস্থার থেকে ডিলারশিপ নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। এক্ষেত্রে এই ব্যবসার খুঁটিনাটি ভাল করে জানা প্রয়োজন। কোথা থেকে মাল নেবেন, সেই মালের সম্ভাব্য বাজার কোনটি ইত্যাদি সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিন। যাচাই করুন বাজারমূল্য।

    ১০. আসবাবের ডিলারশিপ: বর্তমানে বিভিন্ন বড় আসবাব প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থানীয় ডিলারদের মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে। প্লাস্টিক, রট আয়রন, স্টিল, কাঠ ইত্যাদি নানা ধরনের আসবাবের ডিলারশিপ নিতে পারেন। কোন কোম্পানির আসবাবের ডিলারশিপ নেবেন বা কোন ধরনের আসবাবের ব্যবসা করবেন তা নির্ভর করছে আপনি কোন অংশের বাজার ধরতে চাইছেন তার ওপর।

    ১১. ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক সামগ্রীর ডিলারশিপ: ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পতঞ্জলি, ডাবরের মতো আয়ুর্বেদিক পণ্য প্রস্তুতকারকরা তাদের পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন এলাকায় বহু সংখ্যক ডিলার নিয়োগ করছে। এটি একটি লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া।

    ১২. মিনারেল ওয়াটারের ডিলারশিপ: মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা মূলতঃ নির্ভর করে যে এলাকায় ব্যবসা করছেন সেই এলাকার জলের মানে ওপর। এছাড়াও বাসিন্দাদের আর্থসামাজিক অবস্থাও এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শহর ও শহরতলিতে প্রায় সর্বত্রই এখন মিনারেল ওয়াটারের চাহিদা রয়েছে। তবে ব্যবসা শুরুর আগে চাহিদা ও বর্তমান সরবরাহের বিষয়টিতে নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ১৩. কাগজ ও স্টেশনারি দ্রব্যের ডিলারশিপ: কম খরচে ব্যবসা শুরু করতে হলে আরও একটি ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া হল কাগজ ও স্টেশনারি দ্রব্যের ডিলারশিপ। এটি একটি বিরাট ক্ষেত্রে এবং নানা ধরনের পণ্য এর মধ্যে পড়ে। সবথেকে লাভজনক কয়েকটি পণ্য হল খাতা, পেন, পেন্সিল, রবার, আর্ট পেপার, প্রিন্টিং পেপার ইত্যাদি। এই ব্যবসা শুরু করতে খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন নেই।

    উপরের এই ব্যবসাগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন লাভজনক ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া রয়েছে। আপনাকে শুধু আপনার এলাকা অনুযায়ী উপযুক্ত পণ্যটি বেছে নিতে হবে, তাহলেই সাফল্য পাওয়া সম্ভব। আপনার পুঁজির ওপরও নির্ভর করবে কোন পণ্যের ডিলারশিপ আপনি নিতে পারেন।

    প্রথমবার শুরু করার জন্য কম পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারেন ও পরবর্তীতে ব্যবসা বাড়াতে পারেন। প্রয়োজনে ব্যবসা ঋণ নেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন। বিজনেস ডিলারশিপ আইডিয়া নিয়ে আপনার আরও কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করব আপনাকে।

  • স্ত্রী ভেবে ভুল বিছানায় যুবক, গর্ভবতী শাশুড়ি

    স্ত্রী ভেবে ভুল বিছানায় যুবক, গর্ভবতী শাশুড়ি

    নতুন বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে হানিমুনে যাব’ে যুবক। সব ঠিকঠাক। কিন্তু শ্বশুর নেই। একা থাকেন শাশুড়ি। তাই তাকে নিয়ে রওনা হানিমুনে হলেন দম্পতি। তারপর ঘটে এই অঘটন। এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনে।স্ত্রী নিয়ে হানিমুনে রওনা দিয়েছিলেন।

    তবে বউ লরেনের মা একা হওয়ায় জামাই পল শাশুড়ি জুলিকেও স’ঙ্গে করে নিয়ে গেলেন হানিমুনে৷ মধুচন্দ্রিমায় পৌঁছেই তুমুল পার্টিতে মেতে উঠলেন পল, লরেন এবং জুলি৷ এরপর লরেন এবং জুলি ম’দ্যপ অবস্থায় মাঝরাতে যে যার রুমে ঢুকে পড়লেও পল একাই রয়ে

    গিয়েছিলেন হোটেলের পানশালায়৷ আরও বেশি রাতে একেবারে চূড়ান্ত ম’দ্যপ অবস্থায় নিজের ঘরে ঢুকতে গিয়ে, ভুল করে ঢুকে পড়লেন শাশুড়ির ঘরে৷ ঘর অন্ধকার থাকায় কিছুই নাকি দেখতে পাননি পল! তারপর অন্ধকারেই বুঝতে না পেরে শাশুড়ির স’ঙ্গে যৌ’নতায় মেতে ওঠেন জামাই পল।

    পরের দিন হুশ ফেরায় সবার চক্ষু তো চড়ক গাছ৷ এই ঘটনার এক মাস পেরোতেই, সন্তান সম্ভবা হয়ে পড়লেন পলের শাশুড়ি জুলি৷ জানা গিয়েছে, লোকল’জ্জা থেকে বাঁচতে শাশুড়িকেও বিয়ে করে ফেললেন জামাই পল।

    নতুন বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে হানিমুনে যাব’ে যুবক। সব ঠিকঠাক। কিন্তু শ্বশুর নেই। একা থাকেন শাশুড়ি। তাই তাকে নিয়ে রওনা হানিমুনে হলেন দম্পতি। তারপর ঘটে এই অঘটন। এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনে।স্ত্রী নিয়ে হানিমুনে রওনা দিয়েছিলেন।

    তবে বউ লরেনের মা একা হওয়ায় জামাই পল শাশুড়ি জুলিকেও স’ঙ্গে করে নিয়ে গেলেন হানিমুনে৷ মধুচন্দ্রিমায় পৌঁছেই তুমুল পার্টিতে মেতে উঠলেন পল, লরেন এবং জুলি৷ এরপর লরেন এবং জুলি ম’দ্যপ অবস্থায় মাঝরাতে যে যার রুমে ঢুকে পড়লেও পল একাই রয়ে

    গিয়েছিলেন হোটেলের পানশালায়৷ আরও বেশি রাতে একেবারে চূড়ান্ত ম’দ্যপ অবস্থায় নিজের ঘরে ঢুকতে গিয়ে, ভুল করে ঢুকে পড়লেন শাশুড়ির ঘরে৷ ঘর অন্ধকার থাকায় কিছুই নাকি দেখতে পাননি পল! তারপর অন্ধকারেই বুঝতে না পেরে শাশুড়ির স’ঙ্গে যৌ’নতায় মেতে ওঠেন জামাই পল।

    পরের দিন হুশ ফেরায় সবার চক্ষু তো চড়ক গাছ৷ এই ঘটনার এক মাস পেরোতেই, সন্তান সম্ভবা হয়ে পড়লেন পলের শাশুড়ি জুলি৷ জানা গিয়েছে, লোকল’জ্জা থেকে বাঁচতে শাশুড়িকেও বিয়ে করে ফেললেন জামাই পল।

    নতুন বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে হানিমুনে যাব’ে যুবক। সব ঠিকঠাক। কিন্তু শ্বশুর নেই। একা থাকেন শাশুড়ি। তাই তাকে নিয়ে রওনা হানিমুনে হলেন দম্পতি। তারপর ঘটে এই অঘটন। এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনে।স্ত্রী নিয়ে হানিমুনে রওনা দিয়েছিলেন।

    তবে বউ লরেনের মা একা হওয়ায় জামাই পল শাশুড়ি জুলিকেও স’ঙ্গে করে নিয়ে গেলেন হানিমুনে৷ মধুচন্দ্রিমায় পৌঁছেই তুমুল পার্টিতে মেতে উঠলেন পল, লরেন এবং জুলি৷ এরপর লরেন এবং জুলি ম’দ্যপ অবস্থায় মাঝরাতে যে যার রুমে ঢুকে পড়লেও পল একাই রয়ে

    গিয়েছিলেন হোটেলের পানশালায়৷ আরও বেশি রাতে একেবারে চূড়ান্ত ম’দ্যপ অবস্থায় নিজের ঘরে ঢুকতে গিয়ে, ভুল করে ঢুকে পড়লেন শাশুড়ির ঘরে৷ ঘর অন্ধকার থাকায় কিছুই নাকি দেখতে পাননি পল! তারপর অন্ধকারেই বুঝতে না পেরে শাশুড়ির স’ঙ্গে যৌ’নতায় মেতে ওঠেন জামাই পল।

    পরের দিন হুশ ফেরায় সবার চক্ষু তো চড়ক গাছ৷ এই ঘটনার এক মাস পেরোতেই, সন্তান সম্ভবা হয়ে পড়লেন পলের শাশুড়ি জুলি৷ জানা গিয়েছে, লোকল’জ্জা থেকে বাঁচতে শাশুড়িকেও বিয়ে করে ফেললেন জামাই পল।

    নতুন বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে হানিমুনে যাব’ে যুবক। সব ঠিকঠাক। কিন্তু শ্বশুর নেই। একা থাকেন শাশুড়ি। তাই তাকে নিয়ে রওনা হানিমুনে হলেন দম্পতি। তারপর ঘটে এই অঘটন। এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনে।স্ত্রী নিয়ে হানিমুনে রওনা দিয়েছিলেন।

    তবে বউ লরেনের মা একা হওয়ায় জামাই পল শাশুড়ি জুলিকেও স’ঙ্গে করে নিয়ে গেলেন হানিমুনে৷ মধুচন্দ্রিমায় পৌঁছেই তুমুল পার্টিতে মেতে উঠলেন পল, লরেন এবং জুলি৷ এরপর লরেন এবং জুলি ম’দ্যপ অবস্থায় মাঝরাতে যে যার রুমে ঢুকে পড়লেও পল একাই রয়ে

    গিয়েছিলেন হোটেলের পানশালায়৷ আরও বেশি রাতে একেবারে চূড়ান্ত ম’দ্যপ অবস্থায় নিজের ঘরে ঢুকতে গিয়ে, ভুল করে ঢুকে পড়লেন শাশুড়ির ঘরে৷ ঘর অন্ধকার থাকায় কিছুই নাকি দেখতে পাননি পল! তারপর অন্ধকারেই বুঝতে না পেরে শাশুড়ির স’ঙ্গে যৌ’নতায় মেতে ওঠেন জামাই পল।

    পরের দিন হুশ ফেরায় সবার চক্ষু তো চড়ক গাছ৷ এই ঘটনার এক মাস পেরোতেই, সন্তান সম্ভবা হয়ে পড়লেন পলের শাশুড়ি জুলি৷ জানা গিয়েছে, লোকল’জ্জা থেকে বাঁচতে শাশুড়িকেও বিয়ে করে ফেললেন জামাই পল।

  • ডাক্তার হইছেন, বুঝেন না, সব বলতে হইবো

    ডাক্তার হইছেন, বুঝেন না, সব বলতে হইবো

    সময় রাত ২টা ৪৫ মিনিট। ডিউটি ডাক্তার সবে মাত্র বিশ্রাম নেয়ার জন্য ঘুম ঘুম চোখে বিছানায়। ইমারজেন্সি থেকে কল আসল। চোখের পাতায় ঘুম ঠেসে, ইমারজেন্সিতে এসে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা। মহিলা রোগী, পরনের চাদর র’ক্তে ভেজা। মুখের রঙ ফ্যাকাসে, সাদা। কাপড় দেখেই বোঝা যাচ্ছে নতুন বিয়ে হয়েছে।

    রোগীর নাম ফুলি (ছদ্ম নাম)। হি’ষ্ট্রি নেয়ার জন্য ডাক্তার জানতে চাইল, কি হয়েছে? রোগীর সাথে সদ্য বিবাহিত জামাই, জা এবং আরও ৪/৫ জন এসেছে। ডাক্তারের প্রশ্ন শুনেই রোগীর বর চোরের মত, রুম থেকে বের হয়ে গেল। রোগীর সঙ্গে আসা এক মহিলা তেজের সাথে বলল, ‘ডাক্তার হইছেন, বুঝেন না কেরে, সব বলতে হইবো!’

    ওদের গ্রামে গাছের মাথায় বাধা মাইকটিতে একটির পর একটি বিয়ের গান বেজে চলছে। বিয়ে বাড়িতে সবাই ব্যস্ত। বর পক্ষের যারা এসেছে, কথা বার্তায় অ’ভিজাত ও ব্যক্তিত্ব দেখানোর চে’ষ্টায় ব্যস্ত। দর কষাকষি করার পরে, কনে পক্ষ থেকে যৌ’তুক হিসেবে যা পাওয়া গেছে, তা নেহাতই কম নয়। কিন্তু কম হয়ে গেছে কনের বয়স।

    বাচ্চা মেয়ে, নাম ফুলি বেগম, সবে মাত্র ১৪ পেরিয়ে ১৫ বছরে পড়েছে। মেয়ের বাবাও মোটামুটি ভাবে লাল শাড়ি পড়িয়ে মেয়েকে বিদায় দিতে পেরে খুশি। মেয়ে হলে তো বিদায় দিতেই হবে। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত মেয়েকে পড়িয়েছে। কম কি! তাছাড়া, শোনা যাচ্ছে ছেলেও নাকি ভাল।

    বাড়ির উঠোনে বসে মুখে পান চিবোতে চিবোতে ছেলের মামা বলল, ‘এমন ছেলে কোথায় পাবেন মিয়া। তাছাড়া, ছেলে মানুষের একটু দোষ থাকলেও সমস্যা নেই, বিয়ের পর ঠিক হয়ে যাব’ে।’ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মেয়েকে নিয়ে আসা হল তার নতুন ঘরে।

    যে মেয়েটি সবে মাত্র জীবনের সংজ্ঞা শিখতে শুরু করেছে, শৈশব থেকে কৈশোরে পা রাখতে যাচ্ছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই, তার আজ বাসর রাত। পু’রুষতান্ত্রিক এই সমাজে সতীত্ব যাচাই করার উৎসব। আর বিয়ে তো একটি সামাজিক বৈধতা মাত্র। সমাজ অনেক এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বিয়ের সময় মেয়ের মতামতটা এখনও গৌন।

    মেয়ের যদি মতামত না নেওয়া হয় বা পরিবারের কারও ধমকে মতামত দানের পর বিয়ে হয়, তাহলে তাকে ধ’র্ষণ না বলে উপায় নেই। ফুলির ইচ্ছে করছে, চিৎকার করতে, কিন্তু বাসর ঘরে চিৎকার করা যে উচিত নয়, এতটুকু বুঝতে শিখেছে ফুলি। হাত পা ছুঁড়ে বরের লালসার যজ্ঞ থেকে বেরিয়ে আসার মিথ্যে চে’ষ্টা।

    সমাজ বিধীত ‘বর’, যখন আদিম পশুত্ব থেকে বাস্তবে ফিরে আসে, তখন ফুলি র’ক্তে ভেজা। তখনও ফিনকির মত র’ক্ত যাচ্ছে। ক্রমান্বয়ে সাদা ফ্যা’কাসে হয়ে আসছে মুখের রঙ! ফুলি এখন হাসপাতালের বেডে অ’চেতন হয়ে শুয়ে আছে। তাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে, ফুলির চোখ পড়েছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর।

    তারা যে কানাকানি করে কথা বলছিল, ব্যঙ্গাত্মক হাসি তামাশা করছিল। যেন সব দোষ ফুলির। ল’জ্জায় কারও দিকে তাকাতেও ভ’য় করে। তারপর ইঞ্জিন চালিত গাড়ীর প্রচণ্ড শব্দ।আরও এলোমেলো কিছু মুহূর্ত। কিছুক্ষণ পর, সাদা এপ্রোন পড়া একজন ডাক্তার এসে তার হাত ধরেছে। মনে আছে শুধু এটুকুই।

    ডাক্তার নার্সকে সাথে নিয়ে, ফুলি বেগমকে পরীক্ষা করলেন। ভ’য়াবহ রকমের পেরিনিয়াল টিয়ার (যৌ’’নাঙ্গ ও তার আশপাশ ছিঁড়ে গেছে)। তখনও র’ক্ত যাচ্ছে প্রচুর। হাতে পালস দেখা হল। খুবই কম। জরুরি ভিত্তিতে রোগীকে র’ক্ত দেয়া দরকার। জরুরি অবস্থায় অ’পারেশন করে ছিঁড়ে যাওয়া অংশ ঠিক করতে হবে।

    এই ভ’য়াবহ সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে হিমসিম খাওয়ার অবস্থা ক’র্তব্যরত ডাক্তারের। ম্যাডামকে ফোন করা হল… প্রাথমিক ভাবে ম্যানেজ করার জন্য র’ক্ত দরকার… রোগীর সাথে যারা এসেছে এতক্ষণ ইমা’রজেন্সি রুমের সামনে চিল্লা পাল্লা করছিল। ডাক্তার এসে জানালো জরুরি ভিত্তিতে র’ক্ত দরকার।

    তখন সবাই চুপ। কেউ কেউ কে’টে পড়ার জন্য পাশে সরে গেল। কিছুক্ষণ পর রোগীর লোক জানালো, তারা র’ক্ত জোগাড় করতে পারবে না। যা হয় হবে! ডাক্তার তাদের বুঝানোর চে’ষ্টা করলেন। কিন্তু লাভ হল না… রাত সাড়ে তিনটায় ম্যাডাম আসলেন। তার ধমকে শেষ পর্যন্ত তারা র’ক্ত জোগাড় করতে রাজি হল।

    কিন্তু র’ক্ত আর সেই রাতে জোগাড় হল না। অ’পারেশন থিয়েটারে ফুলিকে নিয়ে গিয়ে টিয়ার রিপেয়ার করা হল। সকালে রোগীর শ্বশুরবাড়ির লোক সবাই উধাও। ফুলির বাবা আসলেন সেই ভোরে, র’ক্ত জোগাড় হল কোন রকমে। ছয়দিন পর, রোগীর সেপ্টিসেমিয়া ডেভলপ করলো। ইনফেকশন র’ক্তে ছড়িয়ে গেছে। ভাল অ্যান্টিবায়োটিক দরকার।

    রোগীর বাবা এসে বললেন, তারা আর খরচ চালাতে পারবেন না। ডাক্তার পরামর’্শ দিলেন, কোন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে, তাহলে ঔষধ কেনার খরচ কিছুটা বাঁচবে। কিন্তু, হাসপাতাল মানে তো, কাজকর্ম রেখে একজনকে রোগীর পাশে থাকতে হবে। রিলিজ দিয়ে বাসায় নিয়ে যেতে চাচ্ছেন, যা হবার হবে। রিলিজ নিয়ে ফুলিকে বাসায় নেয়া হল।

    আরও বেশি অ’সুস্থ হওয়ায় চারদিন পরে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হল। পরদিন ভোর ভোর সময়। একবার চোখ খুলে আবার বন্ধ করলো ফুলি। সেই বন্ধ শেষ বন্ধ। এই সমাজের প্রতি ঘৃ’ণায় চোখ জ্বল জ্বল করছিল কি না কেউ দেখতে পারেনি। ভোরের স্বল্প আলোয় বিদায় জানালো জীবনের নিষ্ঠুরতাকে! ফুলি ‘একিউট রেনাল ফেইলরে’ মা’রা গেছে।

    ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ডায়ালাইসিসের জন্য বলা হয়েছিল, তারা রোগী নিয়ে এত ঝামেলা করতে পারবে না। শ্বশুরবাড়ি থেকে সেই বাসর রাতের পর, কেউ আসেনি। তাদেরই বা এত চিন্তা কি, একটা বউ ম’রলে দশটা বউ পাওয়া যায়! ফুলি একা নয়, এ রকম ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। এই ঘটনা গু’লো চক্ষু ল’জ্জার ভয়ে প্রকাশ হয় না। কিন্তু সচেতনতা জরুরি। লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।