Author: News Live

  • পায়ু পথে মি;লন করলে কেমন লাগে জানালেন সানি লিওন

    পায়ু পথে মি;লন করলে কেমন লাগে জানালেন সানি লিওন

    প্রশ্নঃ পায়ু পথে মি;লন করলে কেমন লাগে?

    আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি এই বিষয়ে।

    ঘটনাটা আমার বিয়ের আগের।সত্যি বলতে আমি আমার প্রেমিকের সাথে ডেটিং শুরু করার আগে কখনোই anal ট্রাই করিনি . যদিও মাঝেমধ্যে একটু নিজে নিজেই anal fingering করতাম ।

    এখন কয়েক মাস ডেটিং করার পর আমার বফ(bf) যখন প্রথম anal সেক্স এর কথা তুলল তখন আমার অবস্থা সত্যি বলতে একটু ভীতিকরই ছিল। যদিও আমি বেশ Open mineded একটা মেয়ে এবং নতুন নতুন ট্যাবু জাতীয় ফ্যান্টাসিগুলোকে explore করতে ভালোবাসি কিন্তু তবুও বেশ সারপ্রাইজড ও চিন্তিত ছিলাম।

    তাই আমি গবেষণায় লেগে গেলাম। “1st time anal sex” এই জাতীয় জিনিসগুলি সার্চ করতে লাগলাম আমার PC তে এবং কীভাবে anal sex জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায় এবং এতে ইজি হওয়া যায় সে সম্পর্কে আমি কিছু ভাল আর্টিকেল পেয়েছিলাম। Anal এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জিনিস হল হাইজিন এবং comfort । সত্যি বলতে শতভাগ সন্তুষ্টির সাথে Anal উপভোগের জন্য একাধিকবার চেষ্টার দরকার পড়তে পারে. আমার bf এবং আমি প্রায় 5 বার চেষ্টা করেছি, আঙ্গুল এবং বাট প্লাগ ব্যবহার করেছি, আঙুল ও বাট প্লাগ ব্যবহারের উদ্দেশ্য ছিল এইযে আমি যেনো আসল anal sex এর আগে যথেষ্ট স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারি।

    সবদিক থেকে বিবেচনা করে যা বুঝেছিলাম doggy style আমার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।, যদিও আমি শুনেছিলাম ‌ যে নতুন নতুন Anal করার ক্ষেত্রে spooning সবচেয়ে ভালো position.

    আর একটা জিনিস সবসময়ই মাথায় রাখতে হবে তা হলো LUBE। লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতেই হবে । কারণ আমাদের anus self lubricating নয় তাই অবশ্যই লুব প্রয়োজন।

    সানি লিওনের পায়ু পথে সে;ক্সের ভিডিও দেখুন নিচের লিঙ্ক থ

    তো যখন আমি ওর লিঙ্গ আমার পেছন নেওয়ার জন্য যথেষ্ট comfortable হলাম তখন তাকে দুষ্টু ইশারায় তা বুঝিয়ে দিলাম এবং সেও তার কর্ম সাধনে লেগে গেলো, anal সেক্স থেকে ওইদিন যে orgasm টা হয়েছিল আমার এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে তীব্র ও প্রচণ্ড উত্তেজনাপূর্ণ orgasm, এটি vaginal orgasm থেকে সম্পূর্ণ ও ভিন্ন প্রচণ্ড উত্তেজনাপূর্ণ। একদম lil bit of pain and extreme pleasure এ শরীর মোচড় দিয়ে ওঠার মতন। তবে এখনো আমি anal sex এর আগে বাট প্লাগ দিয়ে আমার anus warm up করে নিই।তবে অনেক সময় হয়তো স্বাচ্ছন্দ্ বোধের অভাব বা মনাসিক দুশ্চিন্তার জন্য Anal sex একটু ফিকে হয়ে পরে।

    আমার সর্বোত্তম পরামর্শ হল যদি এটি কাজ না করে তবে জোর করবেন না। জোর করলে এটা সুখকর হবে না.

    তবে আমি এখন নিশ্চিন্তে বলতে পারি যে আমি একেবারে Anal sex ভালবাসি, এটা এমন কিছু নয় যা

    সানি লিওনের পায়ু পথে সে;ক্সের ভিডিও দেখুন নিচের লিঙ্ক থেকে

    মেয়েদের বায়োলজিকাল গঠন কখনো এই পথে যন্ত্রণাদায়ক শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য প্রমোট করে না। পায়ুছিদ্রের কাছে বেশ কিছু সেন্সরি নার্ভ (যা অনুভব করতে সাহায্য করে) থাকায় বহু নারী তা থেকে যৌন তৃপ্তি অনুভব করে। তা এনাল সেক্সের মাধ্যমে হতে পারে বা কোনও সেক্স টয় ব্যবহার করে হতে পারে। এর দ্বারা পায়ুছিদ্রে থাকা নার্ভগুলি stimulate হয় এবং যৌন তৃপ্তি দেয়। আবার অনেকেই এনাল একেবারে পছন্দ করে না প্রবল ব্যথা অনুভব করার জন্য। এটা একেক জনের ক্ষেত্রে একেকরকম। এনাল অনেকটা কড়া কফির মতন। কারও তৃপ্তি লাগে কারও তিতো।

    অনেক ছেলের যৌন উত্তেজনা আকাশ চুম্বি হওয়ার মনে করে ‘”পর্ণে তো দেখছি সব পথেই সেক্স করে” তাই মনে করে মেয়ে কান্না করলে বা ব্যাথা দিলেতো পুরুষত্ব প্রকাশ পায়’। তাই পায়ুপথে সেক্স করতে চায়। মানুষের পায়ুপথে যোনীর মতো elastic muscle থাকে না, ফলে এটি সহজে stretch হয় না। পায়ুপথের পেছনে থাকে আমাদের শিরদাঁড়ার এক্সটেনশন। পাশাপাশি পায়ুপথ যোনীর মতো লুব্রিকেটেড থাকে না। তাই, elasticity ও lubricant না থাকায় এই রাস্তা দিয়ে জোর করে সঙ্গম করলে ভয়াবহ যন্ত্রণা, শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এরকম যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া কারনে পায়ুপথে রক্তক্ষরণ ও হেমোরেজিক শক হতে পারে । রক্তক্ষরণের কারণ হলো অতিরিক্ত প্রেশারের কারণে আশপাশের মাসল ছিঁড়ে যাওয়া। সে*ক্সের জায়গা হচ্ছে যোনি পিছনে নয়,  যোনি থেকে পিচ্ছিল রস বের হয়, পায়ুতে পিচ্ছিল হয় না এজন্য তৃপ্তির চেয়ে ব্যাথা হয় বেশি।

    তাছাড়া পায়ুপথে করার কারনে বিভিন্ন যৌন রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা থাকে।

  • যে ভিটামিনের অভাবে শীতে হাত-পা বরফের মতো ঠাণ্ডা থাকে

    যে ভিটামিনের অভাবে শীতে হাত-পা বরফের মতো ঠাণ্ডা থাকে

    শীতকালে অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়—কম্বল, লেপ, চাদর জড়িয়ে থাকলেও তাদের হাত ও পা ঠাণ্ডা থাকে। নানাভাবে চেষ্টা করেও হাত-পা গরম করা যায় না। এক্ষেত্রে অনেক সময় হাতে-পায়ে কাঁপুনিও দেখা দিতে পারে। অনেকে মনে করেন, শীতের কারণে এমনটা হতে পারে। কিন্তু এর কারণ কেবল শীত নয়। আরেকটি ভিন্ন কারণ রয়েছে। বিশেষ এক ভিটামিনের অভাব হলে শীতে এভাবে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকে।

    বেশির ভাগেরই জানা নেই যে, আমাদের শরীরে একটি নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবের কারণে সাধারণত এই সমস্যা হয়। মূলত আপনার শরীরে যদি ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি থাকে তাহলে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কেবল শীতের কারণে মনে করে কোনোভাবেই এই সমস্যা অবহেলা করা যাবে না।

    শরীরে ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি থাকলে তা দূর করার জন্য খেতে হবে প্রয়োজনীয় খাবার। মাছ, মাংস, ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে শরীরে ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি পূরণ হতে পারে। ডিমের কুসুমে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি টুয়েলভ’র উপাদান। সেইসঙ্গে খেতে পারেন সামুদ্রিক মাছ। কারণ তাতে থাকে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি ভিটামিন বি টুয়েলভ’রও ঘাটতি মেটাবে।
    শরীরে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি হলে তা পূরণ করার জন্য খেতে পারেন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। শীতের সময়ে যাদের হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা বাড়ে তারা নিয়মিত এ ধরনের খাবার খাবেন।

    এসময় হাত-পায়ে ঝিনঝিন ধরার সমস্যাও হতে পারে। এগুলো বেশির ভাগই ভিটামিন বি’র ঘাটতির কারণে হয়ে থাকে। তাই এই ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় খাবার খান। সেইসঙ্গে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভধারণ(Pregnancy) করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ(Pregnancy) হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস(Intercourse) করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন থাকে। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন।

    আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ(Pressure) না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন মিলন(Sexual intercourse) করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি(Loss) করে না।

    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত(Protected) থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse)কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে সহবাস(Intercourse) করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।

    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ সন্তানের জন্ম হয় তাহলে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়।

    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।

    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন(Physical intercourse) থেকে বিরত থাকুন।

    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস(Intercourse) থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে বা আপনি খুবই ব্যথা(Pain) পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।

  • স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু, এসএমএসে জানা যাবে স্ট্যাটাস

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু, এসএমএসে জানা যাবে স্ট্যাটাস

    জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। যারা আগে ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনও স্মার্ট কার্ড পাননি, কিংবা যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের সবাইকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে।

    বিজ্ঞাপন
    নির্বাচন কমিশন জানায়, স্মার্ট কার্ড বিতরণ একসঙ্গে সব জেলায় হবে না; বরং এলাকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে কার্ড বিতরণ বিষয়ক তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

    এসএমএসে স্মার্ট এনআইডির অবস্থা জানতে পারবেন

    .নাগরিকরা ঘরে বসে তাদের স্মার্ট এনআইডি কার্ডের স্ট্যাটাস জানতে পারবেন। এর জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

     

    .যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ সংখ্যা, তাদের জন্মসাল যোগ করে ১৭ সংখ্যার পূর্ণ নম্বর তৈরি করতে হবে।

    বিজ্ঞাপন
    .অনলাইনে এনআইডির কপি সংগ্রহের সুবিধা

    .স্মার্ট কার্ড হাতে না পেলেও নাগরিকরা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এনআইডির অনলাইন কপি (PDF) ডাউনলোড করতে পারবেন। যদিও এটি অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক ব্যবহারের জন্য কার্যকর, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজে মূল স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন হতে পারে।

    .স্মার্ট এনআইডি সংগ্রহের স্থানসমূহ।

    নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ করা হবে:

    .ইউনিয়ন পরিষদ

    .উপজেলা নির্বাচন অফিস

    .নির্ধারিত বিতরণ কেন্দ্র

    .স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

    সতর্ক থাকার আহ্বান

    নির্বাচন কমিশন নাগরিকদের গুজব ও ভুয়া তথ্য থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। শুধুমাত্র অফিসিয়াল ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    স্মার্ট এনআইডি কার্ড নাগরিক সেবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালে পুনরায় বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দীর্ঘদিন অপেক্ষমাণ নাগরিকরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।