Author: News Live

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে বড় সুখবর

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে বড় সুখবর

    ফেব্রুয়ারির শুরুতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত। তাই নির্বাহী আদেশে পরদিন, অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সরকারি ছুটি থাকবে।

    যদি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ছুটি নেন, তাহলে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় একদিনের পরিকল্পনাতেই টানা চার দিনের বিশ্রামের সুযোগ মিলবে। ব্যাংক কর্মকর্তারাও এই ছুটি পাবেন।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারের সঙ্গে পড়ে। এছাড়া মুসলিম পর্বে পাঁচ দিন, হিন্দু পর্বে নয় দিন, খ্রিস্টান পর্বে আট দিন, বৌদ্ধ পর্বে সাত দিন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কর্মচারীদের জন্য দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটি ধরা হয়েছে।

  • প্রায় পৌনে ৪ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন নিয়ে দুঃসংবাদ

    প্রায় পৌনে ৪ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন নিয়ে দুঃসংবাদ

    বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত প্রায় পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জানুয়ারি মাসের বেতন এখনো অনুমোদন পায়নি। ফলে চলতি সপ্তাহে তাদের বেতন পরিশোধের কোনো সম্ভাবনা নেই।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জানুয়ারি মাসের বেতনের অনুমোদন মেলেনি। সরকারি ছুটির কারণে অনুমোদন পেলেও জিও জারি ও তা এজি অফিসে পাঠানোর প্রক্রিয়া আগামী বৃহস্পতিবারের আগে সম্পন্ন হবে না। এ কারণে চলতি সপ্তাহে বেতন বিতরণ সম্ভব হচ্ছে না।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি ছুটি ও সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এই সপ্তাহে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারির বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে বেতন-ভাতা পরিশোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, প্রতি মাসে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা পাঠান। অনলাইনে বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেলে বেতন ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

     

     

    সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও স্বচ্ছ হয়েছে। মাউশির কর্মকর্তারা জানান, নতুন এই ব্যবস্থায় অনুমোদন ও বিতরণ তুলনামূলকভাবে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্

    তবে বেতন পেতে দেরি হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। তারা আশঙ্কা করছেন, সরকারি ছুটি বা প্রযুক্তিগত জটিলতায় যদি অনুমোদন আরও বিলম্বিত হয়, তাহলে মার্চ মাসের বেতনও অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে।

     

     

    নিয়মিত বেতনের ওপর নির্ভরশীল এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য এই বিলম্ব জীবনযাত্রা ও পারিবারিক ব্যয় নির্বাহে চাপ সৃষ্টি করছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ বেতন-ভাতা পরিশোধের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাবে।

  • পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, যা হচ্ছে

    পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, যা হচ্ছে

    সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে বিপাকেই পড়েছে সরকার। নির্বাচিত নতুন সরকার এসে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে, সরকারের এমন ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    সরকার বলছে, অর্থ সংকটের কারণে এবং সময় স্বল্পতার জন্য নতুন পে-স্কেল এখন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তারা একটা সুপারিশ দিয়ে যাবেন নির্বাচিত সরকারের কাছে। নতুন সরকার এসে তা বাস্তবায়ন করবে।

    কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মনে করে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটা ঝুলে যেতে পারে। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারকেই তা বাস্তবায়নের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

    অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের মতো আর্থিক সক্ষমতা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। এজন্য অন্তত ৮০ থেকে ১০৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। আবার নির্বাচনের জন্যও সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে খরচ বাড়ছে। ফলে সব দিক দিয়েই আর্থিক চাপে আছে সরকার। এজন্য তারা নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে।

    গত মঙ্গলবার জ্বালানি উপদেষ্টা বলেছেন, নতুন পে-স্কেল এই সরকার বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এর আগে অবশ্য অর্থ উপদেষ্টা একাধিকবার বলেছেন, তারা পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারবেন না, তবে একটা সুপারিশ করে যাবেন।

    এ নিয়ে সচিবালয় ও এর বাইরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য তারা আন্দোলনে নামারও হুমকি দিয়েছেন। যদিও তারা নির্দিষ্ট হারে ভাতা প্রাপ্য হচ্ছেন। কিন্তু সেটাকে তারা যথেষ্ট মনে করছেন না।

    একদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করার দাবি, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে যাবে। বর্তমানে রাজস্ব আদায়ে কাক্সিক্ষত গতি না থাকায় নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, নির্বাচন পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ব্যয় সংকোচনের চাপ আরও বেড়েছে।

    সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন বলছে, বিদ্যমান পে-স্কেলে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যম ও নিম্ন স্তরের কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের দাবি, দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে।

    অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, পর্যাপ্ত রাজস্ব সংস্কার ছাড়া বড় পরিসরে বেতন বাড়লে বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে। এতে সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ অবস্থায় সরকার বিকল্প পথ খুঁজছে বলে জানা গেছে। ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন, নির্ধারিত ভাতা বৃদ্ধি অথবা নিম্ন গ্রেডে তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়ার মতো প্রস্তাব আলোচনায় আছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ডক্টর জাহিদ হোসেন বলেন, পে-স্কেল ইস্যুতে সরকার কঠিন সমীকরণের মুখে রয়েছে। জনকর্মচারীদের ন্যায্য দাবি মেটানো আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মাঝখানে সঠিক সিদ্ধান্তই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন বলছে, বিদ্যমান পে-স্কেলে বর্তমান বাজারমূল্যে জীবনধারণ করা কঠিন। খাদ্যপণ্যের দাম, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় বাড়লেও সেই অনুপাতে বেতন-ভাতা বাড়েনি। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে তারা দাবি করেন।

    একাধিক সংগঠনের নেতারা জানান, দ্রুত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে যাওয়ার বিকল্প থাকবে না। তাদের ভাষ্য, রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম স্তম্ভ সরকারি কর্মচারীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভুগলে প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কাঠামোগত রাজস্ব সংস্কার ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা জোরদার না করে বড় পরিসরে বেতন বাড়ালে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার হয়তো ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে পারে। বিকল্প হিসেবে নির্বাচিত ভাতা বৃদ্ধি, নিম্ন গ্রেডে তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়া বা সময়সীমা নির্ধারণ করে আংশিক বাস্তবায়নের বিষয়গুলো আলোচনায় রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

  • বিএনপির ৪ নেতার পদত্যাগ

    বিএনপির ৪ নেতার পদত্যাগ

    মুন্সীগঞ্জে নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিবসহ জেলা বিএনপির ৪ নেতা পদত্যাগ করেছেন।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন তারা।

    পদত্যাগীকারীরা জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক।

    পদত্যাগকারীরা হলেন— পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। ৪ জনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী বলে পরিচিত।

    সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্র থেকে ক্রমাগত জেলার নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। কোনো রকম কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দলীয় গঠনতন্ত্রের বাইরে এসব বহিষ্কার আদেশ। দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হলেও দলের জন্য কাজ করা শীর্ষ নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে তারেক রহমান ডাকলে তারা ফিরবে।

    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমদ বলেন, পদত্যাগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করে আসছেন। দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার খবরে আগেভাগেই পদত্যাগ করে দল থেকে বিদায় নিয়েছেন।