Author: News Live

  • এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বড় সুখবর

    এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বড় সুখবর

    পবিত্র রমজানের ঈদ থেকেই শতভাগ উৎসব ভাতা বা বোনাস পেতে পারেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। এই ভাতা শতভাগ করা হবে।

    তবে কবে নাগাদ উৎসব ভাতা শতভাগ করা হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি শিক্ষামন্ত্রী।

    সূত্রটি বলছে, এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। খুব তাড়াতাড়ি শতভাগ বোনাস পাবেন শিক্ষকরা। এটা রমজানের ঈদ থেকেও হতে পারে।

    জানা গেছে, নীতিমালায় শতভাগ উল্লেখ করতে হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। এজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে।

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০০৪ অনুযায়ী, শিক্ষকরা এক মাসের মূল বেতনের ২৫ শতাংশ বোনাস পান। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বোনাস পান ৫০ শতাংশ।

    বিগত ১৭ বছর ধরে এই বৈষম্য নিরসনে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা।

    ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১’ জারির পর শতভাগ বোনাস পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় শতভাগ উৎসব ভাতা পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার ‘শিক্ষক ও কর্মচারীদের (স্কুল ও কলেজ) বেতন-ভাতা নির্ধারণ’ অনুচ্ছেদের ১১.৭-এর ‘ঙ’ অংশে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন/বোনাসের নির্ধারিত অংশ/উৎসব ভাতার নির্ধারিত অংশ/বৈশাখী ভাতার নির্ধারিত অংশ সরকারের জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫/সরকারের সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে অথবা সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে মিল রেখে করতে হবে।’

  • শিক্ষার্থীদের ভাতা দেয়ার সুসংবাদ দিলো সরকার, অনলাইনেই করা যাচ্ছে আবেদন

    শিক্ষার্থীদের ভাতা দেয়ার সুসংবাদ দিলো সরকার, অনলাইনেই করা যাচ্ছে আবেদন

    নতুন সরকারের অধীনে সুসংবাদ পাচ্ছেন দেশের শিক্ষার্থীরা। দেশের অসচ্ছল, অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত ক্রীড়াবিদ এবং কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ভাতা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। আবেদন করা যাবে অনলাইনেই।

    যুব ও ক্রীড়া  মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় ক্রীড়া ভাতা’ ও ‘ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি এবং অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জাতীয় ক্রীড়া ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যে অনলাইন আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

    আগ্রহী ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন দাখিল করতে পারবেন। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

  • নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বেই নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

    সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন স্পিকার নির্বাচনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তবে বর্তমান স্পিকারের পদত্যাগের কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পাননি।

    এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভা ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো সরকারের বাইরে রয়েছেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ড. আবদুল মঈন খানকে সংসদের সম্মানজনক কোনো পদে রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

    ড. মঈন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন মহলে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়। অনেকের মতে, তাকে স্পিকার করা হলে তিনি দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

     

     

    উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়। ওই অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

  • ঈদুল ফিতরে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

    ঈদুল ফিতরে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

    বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট ৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

    বিজ্ঞাপন

    সরকারিভাবে, আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে। তবে এর ঠিক পরপরই ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭-২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, মাঝখানে ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব।

    মার্চ মাসের ছুটির ক্যালেন্ডার

     

     

    ১৯–২৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার–সোমবার): ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি (৫ দিন)

    ২৪–২৫ মার্চ (মঙ্গলবার–বুধবার): সাধারণ কর্মদিবস (কাজের দিন, কিন্তু ব্যক্তিগত ছুটি নিলে যুক্ত করা যায়)

    বিজ্ঞাপন
    ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার): মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

    ২৭–২৮ মার্চ (শুক্রবার-শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি

    টানা ১০ দিনের মহা-ছুটি কিভাবে?

    চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।

    বেসরকারি খাত ও গার্মেন্টসের ছুটি

    সরকারি ছুটির তুলনায় বেসরকারি খাত বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে ৩-৪ দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়। তবে ওভারটাইম ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে ছুটি বাড়ানো হয়।

    সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

    ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর কখন?
    ২০ বা ২১ মার্চ ২০২৬ সালে উদযাপিত হতে পারে।

    দুই ঈদে মোট কতদিন ছুটি?
    দুই ঈদ মিলিয়ে মোট ১১ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।

    শবে কদরের ছুটি কবে?
    ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার), চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

    টানা ১০ দিনের ছুটি সত্যি কি?
    সরকারি ছুটি ৫ দিন। ব্যক্তিগত নৈমিত্তিক ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১০ দিনের ছুটি তৈরি করা সম্ভব।

    তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার (২০২৬ সালের ছুটির গ্যাজেট)