Author: News Live

  • যে ভিটামিনের অভাবে শীতে হাত-পা বরফের মতো ঠাণ্ডা থাকে

    যে ভিটামিনের অভাবে শীতে হাত-পা বরফের মতো ঠাণ্ডা থাকে

    শীতকালে অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়—কম্বল, লেপ, চাদর জড়িয়ে থাকলেও তাদের হাত ও পা ঠাণ্ডা থাকে। নানাভাবে চেষ্টা করেও হাত-পা গরম করা যায় না। এক্ষেত্রে অনেক সময় হাতে-পায়ে কাঁপুনিও দেখা দিতে পারে। অনেকে মনে করেন, শীতের কারণে এমনটা হতে পারে। কিন্তু এর কারণ কেবল শীত নয়। আরেকটি ভিন্ন কারণ রয়েছে। বিশেষ এক ভিটামিনের অভাব হলে শীতে এভাবে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকে।

    বেশির ভাগেরই জানা নেই যে, আমাদের শরীরে একটি নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবের কারণে সাধারণত এই সমস্যা হয়। মূলত আপনার শরীরে যদি ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি থাকে তাহলে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কেবল শীতের কারণে মনে করে কোনোভাবেই এই সমস্যা অবহেলা করা যাবে না।

    শরীরে ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি থাকলে তা দূর করার জন্য খেতে হবে প্রয়োজনীয় খাবার। মাছ, মাংস, ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে শরীরে ভিটামিন বি টুয়েলভ’র ঘাটতি পূরণ হতে পারে। ডিমের কুসুমে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি টুয়েলভ’র উপাদান। সেইসঙ্গে খেতে পারেন সামুদ্রিক মাছ। কারণ তাতে থাকে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি ভিটামিন বি টুয়েলভ’রও ঘাটতি মেটাবে।
    শরীরে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি হলে তা পূরণ করার জন্য খেতে পারেন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। শীতের সময়ে যাদের হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা বাড়ে তারা নিয়মিত এ ধরনের খাবার খাবেন।

    এসময় হাত-পায়ে ঝিনঝিন ধরার সমস্যাও হতে পারে। এগুলো বেশির ভাগই ভিটামিন বি’র ঘাটতির কারণে হয়ে থাকে। তাই এই ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় খাবার খান। সেইসঙ্গে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে। চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সরকার এই প্রস্তুতি নিচ্ছে যাতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে নির্বাচিত সরকার দ্রুত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে সামান্য কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় আনা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় বেড়ে ৫ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা হলেও উন্নয়ন খাতের বাজেট কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা করা হয়েছে। ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও ব্যাংক একীভূতকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এই পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ১৫ বছর প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
    পে-কমিশনের প্রতিবেদন সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহেই প্রতিবেদন সরকারকে হস্তান্তর করা হবে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন
    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এটি স্বস্তির সংবাদ, যাদের বেতন ও ভাতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন ছিল সংস্কার ও উন্নয়ন।

     

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • রাতে এই ৫ উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কি’ডনি রো’গের ইঙ্গিত!

    রাতে এই ৫ উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কি’ডনি রো’গের ইঙ্গিত!

    কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত পরিশোধন থেকে শুরু করে অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য অপসারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, কিডনি রোগ অনেক সময় নিরবেই শরীরে বাসা বাঁধে। বিশেষ করে রাতে কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে তা হতে পারে কিডনি সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত।

    চিকিৎসকদের মতে, কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে শরীর বিভিন্ন উপায়ে সংকেত দেয়, যার অনেকগুলোই রাতে বেশি প্রকট হয়। নিচে উল্লেখ করা হলো এমন ৫টি উপসর্গ, যা রাতে দেখা দিলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত—

    ১. ঘন ঘন প্রস্রাব
    রাতে ঘুম ভেঙে বারবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হতে পারে। সাধারণত কিডনি ঠিকভাবে ফিল্টারিং করতে না পারলে শরীরে অতিরিক্ত বর্জ্য জমা হয়, যা বেশি প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

    ২. পা ও গাঁটে ফুলে ওঠা
    রাতে ঘুমানোর সময় অনেকেই পা বা গোড়ালিতে ফোলা অনুভব করেন। এটি শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে থাকার লক্ষণ হতে পারে, যা কিডনির অকার্যকারিতার ফল। কিডনি সঠিকভাবে তরল অপসারণে ব্যর্থ হলে এমনটি ঘটে।

    ৩. নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
    রাতে হঠাৎ নিশ্বাসের কষ্ট কিংবা শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের পরোক্ষ ইঙ্গিত হতে পারে। কিডনি দুর্বল হলে শরীরে তরল জমে গিয়ে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

    ৪. অস্থিরতা ও অনিদ্রা
    কিডনি সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণ না করলে ইউরিয়া ও টক্সিন রক্তে জমে গিয়ে রাতে ঘুমে বিঘ্ন ঘটায়। ঘন ঘন জাগা, অস্থিরতা বা অনিদ্রা এই সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

    ৫. পেশিতে টান ও ব্যথা
    রাতের বেলায় পেশিতে টান ধরা বা ব্যথা অনুভব করা অনেক সময় ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ফল, যা কিডনির অকার্যকারিতার কারণে হয়। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস বা পটাশিয়ামের অনিয়ম কিডনি রোগে সাধারণ।

    করণীয় কী?
    এই উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক নিয়মিতভাবে দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিয়া পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে কিডনির অবস্থা যাচাই করা যায়।

    প্রতিরোধে যা করবেন:
    পর্যাপ্ত পানি পান করুন

    অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন

    ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

    নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান

    কিডনি রোগ নিরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। তাই রাতে শরীরের দেওয়া সতর্ক সংকেতগুলো অবহেলা না করে সচেতন হলেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে এই মারাত্মক সমস্যা।