Author: News Live

  • ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর, আর লাগবে না ইনজেকশন

    ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর, আর লাগবে না ইনজেকশন

    ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশনের বিকল্প নিয়ে গবেষণা চলছে, তবে এখন পর্যন্ত ইনজেকশন পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার মতো কোনো পদ্ধতি সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ হয়নি।
    ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বর্তমান কিছু উদ্ভাবন ও গবেষণার বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো:
    • ওরাল ইনসুলিন (Oral Insulin): গবেষকরা ইনসুলিন পিল বা ট্যাবলেট তৈরির চেষ্টা করছেন, যা ইনজেকশনের বিকল্প হতে পারে। ইসরায়েলি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ওরামড (Oramed) এই ধরনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনা করেছে [1]।
    • ইনসুলিন পাম্প (Insulin Pumps): অনেকে ইনজেকশনের পরিবর্তে ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করেন, যা ত্বকের নিচে একটি ছোট টিউবের মাধ্যমে সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে ইনসুলিন সরবরাহ করে।
    • গ্লুকোজ-সেনসিং প্যাচ (Glucose-Sensing Patches): কিছু পরিধানযোগ্য ডিভাইস বা প্যাচ তৈরি হচ্ছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিরীক্ষণ করে এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন সরবরাহ করতে পারে, যদিও এগুলো এখনও ব্যাপকভাবে প্রচলিত নয় [1]।
    যদিও এই গবেষণাগুলো আশাব্যঞ্জক, তবে একজন ডায়াবেটিস রোগীর চিকিৎসা পদ্ধতি বা ইনজেকশন বন্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন ডাক্তার বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
  • শরীরে ক্যান্সার আছে কিনা বুঝে নিন লক্ষণ দেখে

    শরীরে ক্যান্সার আছে কিনা বুঝে নিন লক্ষণ দেখে

    শরীরে ক্যান্সার আছে কিনা তা বোঝার জন্য কিছু সাধারণ লক্ষণ খেয়াল রাখতে হবে, যেমন শরীরের যেকোনো অংশে অস্বাভাবিক চাকা বা পিণ্ড, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, ক্ষুধা কমে যাওয়া, ওজন হ্রাস, মল বা প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা, অস্বাভাবিক রক্তপাত, ত্বকের পরিবর্তন, বা ত্বকে সহজে না শুকানো ঘা ইত্যাদি; তবে এই লক্ষণগুলো অন্য রোগের কারণেও হতে পারে, তাই যেকোনো সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
    ক্যান্সারের কিছু সাধারণ লক্ষণ:
    শারীরিক পরিবর্তন: শরীরের কোনো অংশে নতুন বা অস্বাভাবিক চাকা বা ফোলা দেখা দেওয়া।
    ক্লান্তি ও দুর্বলতা: অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা, যা বিশ্রাম নিলেও কমে না।
    ক্ষুধামন্দা ও ওজন হ্রাস: কোনো কারণ ছাড়াই ক্ষুধা কমে যাওয়া এবং ওজন কমে যাওয়া।
    মল ও প্রস্রাবে পরিবর্তন: ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সাথে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন।
    শ্বাসকষ্ট: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, গলা ভাঙা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
    ত্বকের পরিবর্তন: ত্বকের রঙে পরিবর্তন, সহজে না শুকানো ঘা বা আঁচিল।
    অস্বাভাবিক রক্তপাত: যোনি, মলদ্বার, স্তনবৃন্ত বা অন্য কোনো জায়গা থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত।
    ব্যথা: শরীরের কোনো অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, যা কোনো নির্দিষ্ট কারণে হচ্ছে না।
    কখন ডাক্তার দেখাবেন:
    যদি এই লক্ষণগুলোর কোনোটি আপনার মধ্যে দেখা যায় এবং তা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে দেরি না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
    প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে চিকিৎসার সুযোগ অনেক বেড়ে যায়, তাই সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
    গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
    এই লক্ষণগুলো মানেই ক্যান্সার নয়, তবে এগুলো ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।
    সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং টেস্ট জরুরি।

  • যৌন ক্ষমতা কমে যায় এই ১টি অভ্যাসই, এখুনি ছাড়ুন এই কাজ

    যৌন ক্ষমতা কমে যায় এই ১টি অভ্যাসই, এখুনি ছাড়ুন এই কাজ

    সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি সুস্থ যৌন জীবন। কিন্তু অনেকেই জানেন না রোজকার বিভিন্ন কাজের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সুস্থ যৌন জীবনের চাবিকাঠি। এমন অনেক কাজ অনেকে প্রতিনিয়ত করে থাকেন যার ফলে যৌনস্বাস্থ্যের ক্ষ’তি হতে পারে। এমনই একটি কাজ ধূমপান। নিয়মিত ধূমপান যৌনক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এবং এর কারণ এক নয় একাধিক।
    ১. রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি: যৌন উত্তেজনা এবং পুরুষদের লিঙ্গ উত্থানের জন্য যৌনাঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত প্রবাহ অপরিহার্য। ধূমপানের কারণে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সরু ও শক্ত হয়ে যায়। নিকোটিন সরাসরি রক্তনালীকে সংকুচিত করে। এর ফলে যৌ’নাঙ্গে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, যা পুরুষদের ক্ষেত্রে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গশিথিলতার সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    আরও দেখুন
    বাংলাদেশ সংবাদ
    ক্রীড়া সরঞ্জাম
    রিয়েল এস্টেট
    শেয়ার বাজার প্রশিক্ষণ
    নারায়নগঞ্জ সংবাদ
    সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন
    খবর আর্কাইভ
    স্থানীয় সংবাদ
    ডিজিটাল সংবাদ
    ঢাকা সংবাদ

    ২. রক্তনালীর ভেতরের আস্তরণের ক্ষতি: ধূমপান রক্তনালীর ভেতরের পাতলা স্তর বা এন্ডোথেলিয়ামের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। এই স্তরটি রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক (যেমন নাইট্রিক অক্সাইড) তৈরি করে। এর ক্ষতি হলে রক্তনালী ঠিকমতো প্রসারিত হতে পারে না, ফলে রক্ত প্রবাহ কমে যায়।
    ৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: ধূমপান শরীরে হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্যকে নষ্ট করতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এটি পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমাতে পারে, যা যৌন ইচ্ছা এবং যৌন ক্ষমতা হ্রাসের অন্যতম কারণ
    ৪. স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব: যৌন উত্তেজনা এবং প্রতিক্রিয়া একটি জটিল স্নায়বিক প্রক্রিয়া। ধূমপানের বিষাক্ত উপাদানগুলি স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজে বাধা দিতে পারে, যা যৌ’ন অনুভূতি এবং প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

    আরও দেখুন
    স্থানীয় সংবাদ
    স্বাস্থ্য বীমা
    অনলাইন সংবাদপত্র
    ডিজিটাল সংবাদ
    গাড়ির যন্ত্রাংশ
    পত্রিকা প্রকাশনা
    রাজনীতি বিশ্লেষণ
    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
    চট্টগ্রাম সংবাদ
    স্থানীয় পর্যটন প্যাকেজ

    ৫. সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অবনতি: ধূমপান ফুসফুসের কার্যকারিতা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা হ্রাস করে। এই শারীরিক দুর্বলতাও যৌ’ন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

     

  • স”হ”বা”স ছাড়া নারী কতদিন থাকতে পারে

    স”হ”বা”স ছাড়া নারী কতদিন থাকতে পারে

    প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের বিয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। যারা বিয়েতে সামর্থ্য নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে— যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করে দেন। (সুরা নুর, আয়াত : ৩২-৩৩)
    রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘যখন বান্দা বিয়ে করে, তখন সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূরণ করে। অতএব, বাকি অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে।’ (সহিহ আল-জামিউস সাগির ওয়া জিয়াদাতুহু, হাদিস : ৬১৪৮; তাবরানি, হাদিস : ৯৭২; মুসতাদরাক হাকিম, হাদিস : ২৭২৮)
    পবিত্র কোরআনে দাম্পত্য জীবনকে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (স.) বিদায় হজের ভাষণে ইরশাদ করেছেন,
    أَلَا إِنَّ لَكُمْ عَلَى نِسَائِكُمْ حَقًّا , وَلِنِسَائِكُمْ عَلَيْكُمْ حَقًّا
    ‘জেনে রাখবে, নিশ্চয়ই তোমাদের নারীদের উপর তোমাদের অধিকার রয়েছে, আর তোমাদের উপরও তোমাদের নারীদের অধিকার রয়েছে।’ পুরুষদেরকে উদ্দেশ্য করে অন্য হাদিসে প্রিয়নবী (স.) বলেন, ‘সাবধান, তোমরা নারীদের কল্যাণকামী হও..’ ( তিরমিজি: ৩০৮৭)
    স্ত্রীর প্রতি অবহেলায় আল্লাহর কাঠগড়ায় জবাবদিহিতা
    সুতরাং মুমিন পুরুষদের উচিত দাম্পত্য জীবনের ব্যাপারে সতর্ক ও যত্নবান হওয়া। এতে কোনও ধরনের অসৌজন্যতা ও খেয়ানত যেন না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ, স্ত্রীর হক ঠিকমতো আদায় না করলে বা অবহেলা করলে স্বামীকে আল্লাহর কাঠগড়ায় জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে।
    হাদিসে এসেছে, হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনো করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জেনে রাখ! তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। একজন পুরুষ তার পরিবার (স্ত্রী-সন্তানদের) উপর দায়িত্বশীল। সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।’ (মুসলিম, ৩০০৫)
    এক হাদিসে হজরত মুয়াবিয়া ইবনে হায়দা (রা.) বলেন, ‘আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের প্রতি আমাদের স্ত্রীদের কী অধিকার আছে? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তোমরা যখন খাবে তাদেরও খাওয়াবে, যখন খাবে তাদেরও খাওয়াবে, যখন তোমরা কাপড় পরবে তাদেরও পরতে দেবে। তাদের চেহারায় মারবে না, গালগন্দ করবে না। তাদের তোমাদের ঘরেই থাকতে দেবে, অন্য কোথাও না। ’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২১৪২)।
    বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী সর্বদা কাছাকাছি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক ধারা ও ইসলামী শরীয়তে এমনটাই কামনা করা হয়। তবে জীবিকার প্রয়োজন ও বিভিন্ন কারণে যদি (যেমন, জেহাদে যাওয়া কিংবা জীবিকা অর্জনের জন্য প্রবাসে যাওয়া) স্বামী দূরে কোথাও যায় তাহলে চার মাসের মধ্যে একবার হলেও স্ত্রীর কাছে ফিরে আসতে হবে।
    এমন মতামই দিয়ে থাকেন ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদরা। কারণ নারীরা সাধারণত তাদের স্বামী থেকে চার মাস দূরে থাকতে পারে।

    ট্যাগ