Author: News Live

  • কুমারি মেয়েরা সপ্তাহে কতবার হ”স্ত”মৈ”থুন করে, অনেকেই জানেন না

    কুমারি মেয়েরা সপ্তাহে কতবার হ”স্ত”মৈ”থুন করে, অনেকেই জানেন না

    হস্তমৈথুন বা স্বমেহন একটি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর শারীরিক প্রবৃত্তি, যা মানুষের যৌন চাহিদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তবে এই বিষয়টি নিয়ে এখনো অনেকের মধ্যে লজ্জা ও কৌতূহল কাজ করে, বিশেষত যখন এটি নারীদের ক্ষেত্রে আসে।

    নারীদের হস্তমৈথুন: সমাজের ট্যাবু ও বাস্তবতা
    প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাস অনুযায়ী, নারীরা পুরুষদের তুলনায় কম হস্তমৈথুন করে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত অভ্যাস এবং এর মধ্যে লিঙ্গভেদ তেমন কার্যকর নয়। অনেক নারীই তাদের যৌন ইচ্ছা ও আরামের জন্য হস্তমৈথুন করে থাকেন, কিন্তু সামাজিক বিধিনিষেধের কারণে এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা হয় না।

    সপ্তাহে কতবার? গবেষণা কী বলছে?
    বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপ অনুযায়ী, কুমারি মেয়েদের মধ্যে হস্তমৈথুনের হার ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ নারী মাসে কয়েকবার থেকে শুরু করে সপ্তাহে একাধিকবার হস্তমৈথুন করে থাকেন। ১৮-২৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ১-৩ বার হস্তমৈথুন করা একটি সাধারণ প্রবণতা। তবে কিছু নারী প্রতিদিনও এটি করতে পারেন, আবার কেউ একেবারেই করেন না।

    হস্তমৈথুনের উপকারিতা
    হস্তমৈথুন শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। এর কিছু মূল সুবিধা হলো:

    মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমানো
    ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করা
    হরমোন ব্যালেন্স রক্ষা করা
    যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা
    পিরিয়ডজনিত ব্যথা কিছুটা কমানো
    এটি স্বাভাবিক কিনা?
    বিশেষজ্ঞদের মতে, হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক এবং সুস্থ প্রক্রিয়া, যদি এটি ব্যক্তির দৈনন্দিন কাজ বা স্বাভাবিক জীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। এটি একদম ব্যক্তিগত অভ্যাস এবং এটি করার হার ব্যক্তি বিশেষে পরিবর্তিত হতে পারে।

    নারীদের হস্তমৈথুন নিয়ে সমাজে এখনো অনেক ভুল ধারণা ও কুসংস্কার রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা এবং ভুল ধারণা দূর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • স”হ”বা”সের আগে মাত্র ১ টুকরা সেবন করুন, চলবে টানা ১ ঘন্টা

    স”হ”বা”সের আগে মাত্র ১ টুকরা সেবন করুন, চলবে টানা ১ ঘন্টা

    “সহবাসের আগে মাত্র ১ টুকরো সেবন করুন, চলবে টানা ১ ঘণ্টা” – এই ধরণের বিজ্ঞাপন বা দাবিগুলি প্রায়শই চিকিৎসাগতভাবে ভিত্তিহীন এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকর। যৌন কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত অনেক OTC (ওভার-দ্য-কাউন্টার) বা অনলাইন পণ্যে বিপজ্জনক উপাদান থাকতে পারে যা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে [1]।
    যেকোনো ধরনের যৌন বর্ধক ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার (যেমন ডাক্তার) এর সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আপনার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে পারেন এবং নিরাপদ ও উপযুক্ত সমাধান দিতে পারেন।
    গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
    • নিরাপদ চিকিৎসা নিন: স্বাস্থ্যগত সমস্যার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।
    • স্বীকৃত উৎস: শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য ফার্মেসি বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ কিনুন।
    • ভুয়া পণ্যের ঝুঁকি: ইন্টারনেটে বা অন্যান্য অনির্ভরযোগ্য উৎস থেকে কেনা পণ্য সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।
  • ৬ শ্রেণির জমি বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, ধরা পড়লেই শাস্তি

    ৬ শ্রেণির জমি বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, ধরা পড়লেই শাস্তি

    ভূমিসেবা এখন চলে এসেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। একদিকে সাধারণ ভূমি মালিকদের জন্য বাড়ছে স্বচ্ছতা ও সহজতা। অন্যদিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শ্রেণির জমির মালিকদের জন্য জারি হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। ডিজিটাল ভূমিসেবার আওতায় বর্তমানে ছয় শ্রেণির জমি বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে শাস্তির বিধান রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে— ‌‘ভূমিসেবা নাগরিকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভূমি মালিকানা নিশ্চিত করা।’ এ লক্ষ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় ভূমিসেবা কার্যক্রম।

    তবে সতর্ক থাকতে হবে। জমি ক্রয়ের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে মালিকানা বৈধ কিনা। কারণ এখন সব তথ্য এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত। ফলে জালিয়াতি কিংবা অবৈধ মালিকানা লুকানো প্রায় অসম্ভব। সতর্ক না হলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকে থেকে যায়।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছয় শ্রেণির জমি বিক্রি করলে তার পরিণতি কি হবে—

    ১. জাল রেকর্ডভিত্তিক মালিকানা

    যারা অতীতে জাল রেকর্ডের মাধ্যমে প্রতারণা করে জমির মালিকানা অর্জন করেছেন, তারা সেই জমি বিক্রি করতে পারবেন না। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে যাচাই করে তাৎক্ষণিকভাবে রেজিস্ট্রেশন বাতিল এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

    ২. জাল নামজারিভিত্তিক মালিকানা

    যারা আপনার সম্পত্তি ভুয়া দলিল কিংবা নামজারি তৈরি করে জমির মালিকানা দাবি করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষমতা রুদ্ধ করা যাবে।

    ৩. ভুয়া দাখিলাভিত্তিক মালিকানা

    যারা ভুয়া দাখিলা জালিয়াতির মাধ্যমে জমি দখল করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। বিক্রির চেষ্টায় ধরা পড়লেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

    ৪. এজমালি সম্পত্তি

    আপনার যেসব জমিতে একাধিক ওয়ারিশ রয়েছে, সেগুলো এককভাবে বিক্রি করতে পারবেন না। সব মালিক একমত না হলে বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে বাটোয়ারা দলিল থাকলে, নিজ অংশ বিক্রি করা যাবে।

    ৫. খাসজমি

    আপনার ৯৯ বছরের পাওয়া সরকারি খাসজমি বিক্রি করতে পারবেন না। বিক্রির চেষ্টা করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই আইনের আওতায় পড়বেন।

    ৬. জবরদখলের মাধ্যমে জমি জমি

    জবরদখলের করে যারা নিজেকে মালিক দাবি করছেন, তারা আর সেই জমি বিক্রি করতে পারবেন না। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

  • পে-স্কেল নিয়ে সর্বশেষ সুখবর যা জানা গেল

    পে-স্কেল নিয়ে সর্বশেষ সুখবর যা জানা গেল

     

    নবম পে-স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের আলটিমেটাম, দ্রুত ঘোষণা সম্ভব নয় বললেন অর্থ উপদেষ্টা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নবম পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এই সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। তবে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এত কম সময়ে গেজেট ঘোষণা করা সম্ভব নয়, কারণ এটি অনেকগুলো বিষয় জড়িত একটি জটিল প্রক্রিয়া।

    দ্রুত পে-স্কেল ঘোষণার অনিশ্চয়তা

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আলটিমেটাম নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন:

    > “পে স্কেল ঘোষণা করা সহজ কাজ নয়, অনেকগুলো বিষয় জড়িত। কর্মচারীদের আলটিমেটামের মধ্যে এত কম সময়ে ঘোষণা করা সম্ভব হবে না। আমরা কাজ করছি।”

    >

    তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অর্থনৈতিক দুর্বলতা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে আলোচনা

    এর আগে রাজধানীর এক হোটেলে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়নের দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

    * দারিদ্র্য বৃদ্ধি: তিনি বলেন, দেশে দরিদ্রতা বাড়ছে। এর প্রধান কারণ হলো, “ভালো প্রজেক্ট নিয়েও সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয় না।” তিনি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং সমস্যা হিসেবে আইনে দুর্বলতা, দুর্নীতি ও সিস্টেমের জটিলতাকে চিহ্নিত করেন।

    * উদ্যোক্তা তৈরির আহ্বান: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, নারীরা উদ্যমী ও হিসাবী এবং তারা ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে বেশি খরচ করেন, তাই তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা প্রয়োজন।

    * বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রাম উন্নয়ন: তিনি মন্তব্য করেন, শহরে প্রপার্টি বাড়ছে, কিন্তু উচিত হলো একে বিকেন্দ্রীকরণ (Discentralize) করা। শহরকে দরকার হলেও গ্রামকে আরও চমৎকার এবং আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে হবে।

    পে কমিশনের সময়সীমা

    উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনার জন্য গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পে কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের হাতে সেই সুপারিশ জমা দেওয়ার সময়সীমা রয়েছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    সোহাগ/