Author: News Live

  • দেখা মাত্রই এই মাছ মেরে ফেলার নির্দেশ!

    দেখা মাত্রই এই মাছ মেরে ফেলার নির্দেশ!

    যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা এমন এক বিপজ্জনক মাছের সন্ধান পেয়েছেন যা পানির বাইরে ডাঙায় উঠে বেঁচে থাকতে পারে। এই মাছটির নাম ‘স্নেকহেড ফিশ’ দেখতে সাপের মতো হওয়ায় এই নামকরণ হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    ১৯৯৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে প্রথম এই মাছ ধরা পড়েছিল। যেখানে এর উৎপত্তি পূর্ব এশিয়া হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল। সম্প্রতি জর্জিয়ায় আবারো এই মাছ পাওয়া যাওয়ায় বিজ্ঞানীরা আশ্চর্য।

     

     

    Close Player
    মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের গবেষকরা জানিয়েছেন, এই মাছের শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে গঠিত যে এটি পানির বাইরে, বাতাস থেকে শ্বাস নিতে সক্ষম। ফলে এটি পানি ছেড়ে ডাঙায় উঠলেও বাঁচতে পারে, যদিও হঠাৎ পরিবেশ পরিবর্তনে কিছু সময়ের জন্য নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

    ‘স্নেকহেড ফিশ’ ছোট মাছ, জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, এমনকি ছোট ইঁদুর পর্যন্ত খেতে পারে। এর আকার প্রায় তিন ফুট লম্বা এবং ওজন ১৮ পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে। ধারালো দাঁতের কারণে শিকারে এটি খুবই দক্ষ।

    বিজ্ঞাপন

    আরও পড়ুন

    যেই কাঁকড়ার শক্তির কাছে হার মানে সিংহ-কুমির !
    বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এই মাছটি পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হওয়ায় এটি দেখতে পেলেই মেরে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে, যাতে স্থানীয় জলজ পরিবেশের ক্ষতি রোধ করা যায়।

     

  • অবিবাহিতদের জন্য নিষেধ, শুধুমাত্র বিবাহিতরা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন

    অবিবাহিতদের জন্য নিষেধ, শুধুমাত্র বিবাহিতরা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন

    প’ছন্দের মানুষের মন জয় করতে নিজেকে আ’কর্ষণীয় করে তুলুন। প্র’থমে ভালোবাসার মানুষটির চোখকে আ’কৃষ্ট করুন। তারপর নিজের ব্য’ক্তিত্ব দিয়ে তার মন জয় করুন।অপর কোনো ব্য’ক্তিকে আপনি তখনই ভালোবাসতে পারবেন যখন আপনি নিজে স’ম্পূর্ণ ভালোবাসতে পারবেন।
    তাই আগে নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের মতো করে সময় কাটান। ব’ন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান। ভালোবাসার মানুষটিকে গু’রুত্ব অ’বশ্যই দিন। কিন্তু তাকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলবেন না।তাই এই প্র’তিবেদনে এমনকিছু টিপস রইল যা আপনার স’ঙ্গীর আপনার প্রতি আ’কর্ষণ বাড়াবে এবং আপনি নি’জস্বতাও হারাবেন না।আক’র্ষনীয় হয়ে উঠুন: মন এবং শ’রীর, উভয় মিলেই মানুষ। মনের স’ঙ্গে শ’রীরকেও প্রাধান্য দিন। নিজেকে ফিট রাখুন। নিজেকে আরো আ’কর্ষণীয় করে তোলার চে’ষ্টা করুন। নিজের সাজ-পোশাক এবং ব্য’ক্তিত্বের ওপর নজর রাখুন। পু’রুষকে নারীর সৌ’ন্দর্য প্রাথমিকভাবে ‘আকর্ষণ করে। মানুষকে নিজের প্রতি আ’কর্ষিত করার তেমন কোনো রু’লবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভি’ন্ন ভাবনার হন।তাদের পছন্দ অ’পছন্দের তালিকাও হয় ভিন্ন। কিন্তু পু’রুষের কিছু সহজাত ভালোলাগা এরপরেও থেকে যায়। আর তার ভিত্তিতেই মন জয় করা যায় পু’রুষের কী সেই উপায়? হাজার রকম উপায় বাতলে দেওয়া যায় বটে এসব ক্ষেত্রে। কি’ন্তু এমন কোনো উপায় অ’বলম্বন করবে না যাতে আপনার স’ঙ্গীকে খুশি করতে গিয়ে নিজেদের সেই প্র’ক্রিয়ায় হারিয়ে ফেলেন।অন্য মানুষের স’ঙ্গেও মে’লামেশা করুন। সামাজিকতা বজায় রাখলে আপনার নিজস্বতাও বজায় থাকবে। স’ম্পর্কের গুরুত্ব বুঝে নিন : এবার ভেবে দেখুন যাকে মনে ধরেছে তাকে কেমনভাবে চান নিজের জীবনে? তার প্রতি যদি আপনার চরম দু’র্বলতা থাকে তবুও তাকে নিয়ে অধিক ভাববেন না। নিজের জীবন, কাজ ই’ত্যাদিকেও প্রাধান্য দিন।মনে রাখবেন পুরুষরা স্বাধীনচেতা মহিলাদের বিশেষ স’ম্মানের চোখে দেখেন। তাই মনের মানুষটির সঙ্গে যদি কথা হয়, তাও বোঝাবেন না যে আপনি তার সঙ্গেই নিজের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। সাধারণ বন্ধুত্ব বজায় রাখুন। তাকে নিজের অ’নুভূতি আসতে আসতে বোঝান। কিন্তু নিজের ভালোলাগা তার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা করবেন না।নিজেকে ভালোবাসুন : একটা কথা মনে রাখবেন যদি ভালোবাসা শাশ্বত হয়, তবে অ’বশ্যই প্রয়োজনে ভালোবাসার মানুষের জন্য সাগর পাড়ি দিন। কি’ন্তু যদি সেই ভালোলাগা কয়েকটি ডেটের জন্য সী’মাবদ্ধ হয়, তবে ভেবে দেখুন অ’কারণ খাটবেন কি না।

  • পায়খানার রাস্তার লোম কাটা জায়েজ কিনা: ইসলাম কি বলে

    পায়খানার রাস্তার লোম কাটা জায়েজ কিনা: ইসলাম কি বলে

    ইসলামে শরীরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। নবী করিম (সা.) বগলের নিচ, নাভির নিচ এবং গোপনাঙ্গের পশম পরিষ্কার করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই বিষয়ে আনাস ইবনে মালেক (রা.)-এর একটি হাদিস সহিহ মুসলিম, সুনানে নাসাঈ এবং মুসনাদে আহমদ-সহ বহু হাদিস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, যেখানে রাসূল (সা.) এসব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চল্লিশ দিনের মধ্যে করার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।পায়খানার রাস্তার লোম (যেগুলো নাভীর নিচে এবং গোপনাঙ্গের আশেপাশে) কাটা বা পরিষ্কার করা জায়েজ আছে।

    এক্ষেত্রে ব্লেড, কাঁচি, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম—যে কোনো উপায় গ্রহণযোগ্য। শরীয়ত এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করেনি। যে পদ্ধতিতে নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশম অপসারণ সম্ভব, তা ব্যবহার করা জায়েজ।

     

     

    তবে ৪০ দিনের বেশি সময় এসব পশম না কাটলে তা গুনাহের কারণ হতে পারে। কিন্তু এ কারণে সালাত বাতিল বা অগ্রহণযোগ্য হবে—এমন কোনো প্রমাণ সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না। নামাজের বিশুদ্ধতা নির্ভর করে সালাতের ফরজ ও শর্ত সঠিকভাবে আদায় করার ওপর।

    এছাড়া অনেকে প্রশ্ন করেন—চুল ও নখ কাটার পর তা টয়লেটে ফেললে গুনাহ হয় কি না। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এটা গুনাহ নয়, তবে শরীরের অংশ হিসেবে এগুলোকে অপমানজনক স্থানে ফেলা অনুচিত। সাহাবিদের মধ্যে কেউ কেউ তা মাটির নিচে পুঁতে রাখার অভ্যাস করতেন। মাটি চাপা দেয়া উত্তম হলেও যদি কেউ তা ডাস্টবিনে ফেলে দেন, তবে গুনাহগার হবেন না—তবে এটি অনুত্তম কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    সর্বোপরি, ইসলাম শরীর ও আত্মার উভয়ের পবিত্রতায় গুরুত্ব দেয়। তাই দৈনন্দিন জীবনে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়টিকে অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব।

  • চেক লেখার সময় এই কাজটি করলে সর্বস্বান্ত হতে পারেন

    চেক লেখার সময় এই কাজটি করলে সর্বস্বান্ত হতে পারেন

    টাকার লেনদেনের জন্য যে জিনিসটি সব থেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য এবং নিরাপদ বলে মনে করা হয়, সেটি হল চেক। যতই নিরাপদ হোক, চেক সই করে কাউকে দেওয়ার সময়ে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। না হলে সেই চেক বাতিল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
    যাকে টাকা দেবেন তার নাম চেক-এ লিখতে হয়। কিন্তু সেই নাম লেখার সময়েও খুব সাবধানতা বজায় রাখা উচিত। ধরুন অমিত রায় নামক কারোর নাম লিখলেন। নাম ও পদবীর মধ্যে বুঝে ফাঁকা জায়গা রাখুন। না হলে অমিতকে অমিতা বানিয়ে ফেলতে খুব একটা সমস্যা হবে না। এই ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে, যাকে টাকা দিচ্ছেন তার নামের পাশে তার অ্যাকাউন্ট নম্বরটিও যুক্ত করে দিন।

    যাকে টাকা দেবেন তার নাম লেখা হলে, তার নামের পাশে একটি লাইন টেনে দিন।

    • ‘বেয়ারার চেক’ কাউকে দিলে অবশ্যই ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক দিয়ে দিন। ধরুন আপনি কারোকে ‘বেয়ারার চেক’ দিচ্ছেন, যদি সেই চেক-এ যদি ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক না দেন তা হলে ওই চেক থেকে যে কেউ টাকা তুলে নিতে পারবেন।

    • চেকের উপরে লিখে দিন এসি-পেয়ি। তা হলে যাকে চেক দিচ্ছেন, শুধু তার অ্যাকাউন্ট থেকেই ওই চেক ভাঙানো যাবে।

    • চেক-এর অ্যামাউন্ট বসানোর পরে অবশ্যই ‘/-‘ এই চিহ্ন দেবেন। তাতে কোনও ভাবেই অতিরিক্ত কোনও সংখ্যা বসিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারবেন না। প্রতিটি সংখ্যার মধ্যে যেন কোনও ফাঁকা জায়গা না থাকে।

    • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ে যে স্বাক্ষর করছেন, সেই স্বাক্ষরটিই চেক দেওয়ার সময়ে করবেন। আপনি যদি কোনও কোম্পানির হয়ে টাকা দেন, তাহলে কোম্পানির সিলের ছাপ দিয়ে দিন।

    • চেক-এ যদি ভুল কিছু লিখে থাকেন, তাহলে সেই ভুল লেখার উপরে বা নিচে স্বাক্ষর করে দিন।