Author: News Live

  • প্রত্যেক বি’বাহিত পু’রুষকে অবশ্যই লবঙ্গ খেতে হবে, কারণ অজানা থাকলে পড়ুন

    প্রত্যেক বি’বাহিত পু’রুষকে অবশ্যই লবঙ্গ খেতে হবে, কারণ অজানা থাকলে পড়ুন

    অনেক সময় সর্দি বা গলাব্যথা হলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেতে বলা হয়। লবঙ্গের তেলও দাঁতের ব্যথায় দারুণ উপশম করে। এছাড়াও, যখন আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি ক্বাথ তৈরি করি, তাতেও লবঙ্গ রাখা হয়। লবঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে Syzygium Aromaticum নামে পরিচিত। লবঙ্গ ভারতীয় রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিকার্সিনোজেনিকের মতো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
    লবঙ্গ সব বয়সের মানুষের জন্য ভালো হলেও পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পুরুষদের জন্য লবঙ্গের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
    ​শুক্রাণু উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

    জীবনযাত্রার অনেক কারণ যেমন বয়স, ধূমপান, খারাপ খাদ্য, মদ্যপান এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ পুরুষদের খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হয়। পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে ডায়েট একটি বড় ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, লবঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতা উন্নত করে।
    লবঙ্গ সব বয়সের মানুষের জন্য ভালো হলেও পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পুরুষদের জন্য লবঙ্গের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
    ​শুক্রাণু উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

    জীবনযাত্রার অনেক কারণ যেমন বয়স, ধূমপান, খারাপ খাদ্য, মদ্যপান এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ পুরুষদের খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হয়। পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে ডায়েট একটি বড় ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, লবঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতা উন্নত করে।
    ​উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেঃ গবেষণা অনুসারে, পুরুষদের উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা মহিলাদের তুলনায় বেশি। লবঙ্গে উপস্থিত কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ অ্যাক্টিভিটি শুধুমাত্র কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় না কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদপিণ্ডের পেশির স্বাস্থ্য বজায় রাখে।

    ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে পুরুষদের ডায়াবিটিস হওয়ার সম্ভাবনা মহিলাদের তুলনায় দ্বিগুণ। লবঙ্গে উচ্চ অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক, হেপাটোপ্রোটেকটিভ, হাইপোলিপিডেমিক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ রয়েছে। এটি শরীরের গ্লুকোজ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং লিভারের কোষগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

    সঙ্গমের ইচ্ছে বাড়াতে সাহায্য করেঃ লবঙ্গে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যালকালয়েড এবং স্যাপোনিন, যা যৌন ইচ্ছাকে উদ্দীপিত করতে বা কামশক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। যৌন ক্ষমতা এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি, এটি অকাল বীর্যপাত রোধ করতে বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। সমীক্ষা অনুসারে লবঙ্গ স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে যৌন উত্তেজনা বাড়াতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    ​দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ লবঙ্গে অ্যান্টিজিনজিভাইটিস এবং অ্যান্টিপ্লাক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা দাঁত সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য। লবঙ্গ শুধুমাত্র মুখের জীবাণু প্রতিরোধে সাহায্য করে না, মাড়িতে সংক্রমণ, প্রদাহ এবং ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়। এটি পুরুষদের নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং পিরিয়ডোনটাইটিস প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া প্রতিকারও। একটি সমীক্ষা অনুসারে, এই স্বাস্থ্যকর মশলা খাওয়া দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়।

    লবঙ্গ শুধুমাত্র পুরুষদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে না বরং তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত করতে পারে। পুরুষদের প্রতিদিনের খাবারে রান্নাঘরে উপস্থিত এই মশলাটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যাইহোক, মনে রাখবেন যে লবঙ্গ একটি ভেষজ এবং শুধুমাত্র পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

    ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য আরও বিস্তারিত জানতে হলে বিশেষজ্ঞের থেকে পরামর্শ নিন।

  • পুরুষের খুবই অভাব এই দেশে, বাধ্য হয়ে নারীরা ভাড়া করছে সাময়িক স্বামী

    পুরুষের খুবই অভাব এই দেশে, বাধ্য হয়ে নারীরা ভাড়া করছে সাময়িক স্বামী

    লি’ঙ্গ বৈষম্য এ দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পুরুষ কম, মহিলা বেশি। অনুপাত এতটাই দৃশ্যমান যে বিবাহযোগ্য মহিলারা খুঁজেও পাত্র পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে ‘অস্থায়ী স্বামী’ ভাড়া করছেন অনেকে।
    ‘দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় লাটভিয়ায় নারী-পুরুষের অনুপাত ভয়াবহভাবে বদলে গিয়েছে। সে দেশে পুরুষদের তুলনায় এখন ১৫.৫ শতাংশ বেশি মহিলা রয়েছেন—যা ইউরোপীয় দেশগুলির গড় ব্যবধানের প্রায় তিন গুণ।
    এই পরিস্থিতিতে সময় কাটানো থেকে গৃহস্থালির কাজে সাহায্য—বিভিন্ন কারণে ‘অস্থায়ী স্বামী’ চাইছেন মহিলারা। কোনো কোনো পুরুষের কাছে আসে ১০-১২ জন সম্ভাব্য কনের প্রস্তাব, যদিও তা অল্প সময়ের জন্য।
    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, এই অসাম্য শুধু যুবসমাজে নয়, বয়স্কদের ক্ষেত্রেও। ৬৫ বা তার বেশি বয়সিদের মাঝে লাটভিয়ায় পুরুষের তুলনায় মহিলা তিন গুণ বেশি। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাক্ষেত্র—সব জায়গায়ই মহিলারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বহু মহিলা জানিয়েছেন, তাঁদের দৈনন্দিন জীবনেও পুরুষের অভাব স্পষ্ট। এক জন পুরুষ কর্মী জানান, ‘‘আমার প্রায় সব সহকর্মীই মহিলা। কাজের অভিজ্ঞতা ভাল হলেও দেশের লিঙ্গ ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ আছে।’’
    পুরুষ সঙ্গীর অভাবে এখন বহু লাটভিয়ান মহিলা এমন পরিষেবা নিচ্ছেন যেখানে পুরুষদের ভাড়া দেওয়া হয়। তাঁদের মতে, বাড়ির অনেক কাজ আছে যেগুলো তাঁরা আগে করেননি, যেমন—ছুতোর কাজ, রং করা, জিনিসপত্র মেরামত।
    চাহিদা বাড়ায় বেশ কিছু ই-কমার্স সংস্থা পুরুষদের নিয়োগ করেছে। তাঁরা মোটা অঙ্কের অর্থ নিচ্ছেন। কাজের মধ্যে রয়েছে—বাড়ি ঘুরে কাঠের কাজ, মেরামত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ইনস্টলেশন ইত্যাদি।
    এর মধ্যেই জনপ্রিয় এক পরিষেবা হল—‘এক ঘণ্টার স্বামী ভাড়া’, যা অনলাইন বা ফোনের মাধ্যমে বুক করা যায়। বরাত অনুযায়ী পুরুষরা বাড়িতে গিয়ে রং করা থেকে পর্দা ঠিক করা, পোষা প্রাণী দেখভাল—সবই ‘বাড়ির কর্তার’ মতো করে দেন।
    এখন প্রশ্ন—কী কারণে তৈরি হল এই লিঙ্গ বৈষম্য?
    লাটভিয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, সামাজিক কারণ থাকলেও বড় কারণ পুরুষদের জীবনযাপন। গবেষণায় দেখা গেছে—
    লাটভিয়ায় পুরুষদের আয়ু কম,
    ৩১% পুরুষ প্রচণ্ড ধূমপায়ী (মহিলাদের ক্ষেত্রে ১০%),
    অতিরিক্ত ওজন,
    জীবনযাত্রায় শৃঙ্খলার অভাব।
    ফলে পুরুষদের মধ্যে অসুস্থতা বেশি, যা মোট জনসংখ্যায় পুরুষের সংখ্যা কমিয়ে দিচ্ছে।
    শুধু লাটভিয়া নয়, ইউরোপের অন্যান্য দেশেও চালু হয়েছে ‘Rent My Handy Husband’ পরিষেবা—ঘণ্টা বা দিনের ভিত্তিতে গৃহস্থালির কাজের জন্য পুরুষ ভাড়া।

  • কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি, জানালেন গবেষকরা

    কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি, জানালেন গবেষকরা

    কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি থাকে, জানালেন গবেষকরা!

    একাধিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, সাধারণত পুরুষদের থেকে নারীদের যৌন চাহিদা অনেক বেশি থাকে। একথা একেবারেই মিথ্যা নয়। কারণ, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেয়েরাই শারিরীকভাবে অনেক বেশি চাহিদা নিয়ে জীবন কাটায়।

    সম্প্রতি টেক্সাস ইউনিভার্সিটির একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৭ থেকে ৪৫ বছর বয়সের নারীদের সাধারণত যৌন চাহিদা বেশি থাকে। বিবাহিত হলে, স্বামীর প্রতি অত্যাধিক কামাসক্ত হয়ে পড়ার বিষয়টিও এই সময়েই বেশি দেখা যায়।

    পুরুষদের ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টি অন্য। গড়ে দেখা গিয়েছে, একজন পুরুষের যৌন জীবন অনেক তাড়াতাড়ি শুরু হয়, আর একজন নারীর যৌন জীবন শুরু হতে হতেই অনেকটা সময় লেগে যায়। ভারতীয় উপমহাদেশে যা সমাজ ব্যবস্থা সেক্ষেত্রে এই কথাটি আরও বেশি প্রযোজ্য। তাই পুরুষের চাহিদাও ফুরিয়ে যায় দ্রুত। কিন্তু নারীর চাহিদা অনেকদিন পর্যন্ত থাকে। এতে কিছুটা সমস্যা বাড়ে মেয়েদের।

    অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা পূরণের স্বার্থে অনেক নারী এই বয়সের পর পরকীয়াতেও জড়িয়ে পড়েন। তবে সবটাই হয় প্রাকৃতিক নিয়মে। নারী প্রকৃতিই এমনভাবে কাজ করে। তবে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং সঙ্গীকে পরিপূর্ণতা প্রদান করা একে-অপরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

  • বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিন্হটা কখনও খেয়াল করেছেন,জানেন কি এর অর্থ?

    বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিন্হটা কখনও খেয়াল করেছেন,জানেন কি এর অর্থ?

    প্লাস্টিকের বোতল আমরা ব্যবহার করি পানি পানে। শুধু তাই নয়, প্লাস্টিকের তৈরি পাত্রে খাবার রাখি। কখনো খেয়াল করেছেন কি, প্রতিটি প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রের নিচে ত্রিভুজাকৃতি ছাঁচের মধ্যে কিছু নম্বর লেখা থাকে? এই নম্বরই বলে দেয় ওই পাত্রটি সর্বাধিক কত দিন বা কত বার ব্যবহার করা উচিত। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন নম্বরের কী মানে-

    * ত্রিভুজের মধ্যে ‘১’ লেখা থাকলে এর অর্থ হলো- পাত্রটি পলিথাইলিন টেরেপথ্যালেট জাতিয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, এই প্লাস্টিকের পাত্রগুলো মাত্র একবারই ব্যবহারযোগ্য। একবারের বেশি এগুলো ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    * যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘২’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হলো- পাত্রটি ঘন, অস্বচ্ছ পলিথিন বা এইচডিপিই জাতিয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে শ্যাম্পু, ডিটারজেন্ট, টয়লেট ক্লিনারের বোতল তৈরি হয়। এগুলিতে খাবার বা কোনো রকম পানীয় রাখা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    * পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৩’ লেখা থাকলে তার অর্থ হলো- এই ধরনের পাত্র পলিভিনিল ক্লোরাইড বা পিভিসি দিয়ে তৈরি। খাবারের শক্ত মোড়ক বা রান্নার তেলের পাত্র এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি করা হয়। একবারের বেশি এগুলো ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
     
     
    * যদি পাত্রের নিচে ‘৪’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হলো- এই ধরনের পাত্র এলডিপিই জাতিয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এই ধরনের পাত্রে একাধিকবার পানীয় জল বা খাবার রাখা যেতে পারে। তবে সপ্তাহ খানেকের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।
    * যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৫’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হলো- এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা একেবারে নিরাপদ। সসের বোতল, জলের বোতল বা সিরাপের বোতল এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি।
    * পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৬’ লেখা থাকলে তার অর্থ হলো, এই ধরনের পাত্র পলিস্টিরিন বা স্টাইরোফোম জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি। এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি পাত্রে খাবার গরম করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।
    * যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৭’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হলো, এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। খাবার বা কোনো রকম পানীয় রাখা একেবারেই উচিত নয়।