Author: News Live

  • দুই বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

    দুই বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

    নওগাঁর মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজ এবং ফরিদপুরের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া তিনটি কলেজের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভিন্ন দুটি চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমতির জন্য চিঠি ঢাকা ও রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা
    চিঠিতে বলা হয়েছে, নওগাঁর মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের নাম পরিবর্তন করে মান্দা মডেল কলেজ করা হয়েছে। ফরিদপুরের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন কলেজের নাম পরিবর্তন করে ফরিদপুর মহাবিদ্যালয় রাখা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন

    এদিকে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে পুনরায় যাচাই সাপেক্ষে নামকরণের যৌক্তিকতা উল্লেখ করে মতামত বা সুপারিশ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠাতে বলা হয়। চিঠিটি ঢাকা, যশোর, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

    সাতক্ষীরা বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি আদর্শ কলেজের নাম পরিবর্তন করে দাঁতভাঙ্গা আদর্শ কলেজ, জনতা বাজার কলেজের নাম পরিবর্তন করে জনতা বাজার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ ও ভার্সেটাইল মডেল কলেজের নাম পরিবর্তন করে ভিক্টোরিয়া মডেল কলেজ নামকরণের সুপারিশ করা হয়েছে।

     

     

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পাচ্ছে কোন বিভাগ, কম কোথায়

    সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পাচ্ছে কোন বিভাগ, কম কোথায়

    বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জন স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং দুজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। বিপরীতে, মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে কম প্রতিনিধিত্ব পেয়েছে সিলেট বিভাগ—সেখান থেকে নেওয়া হয়েছে মাত্র দুজন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে আসে।

    তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন—আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এবং ড. খলিলুর রহমান। একই বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন—জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ও মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

    অন্যদিকে, ঢাকা বিভাগ থেকে পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন—আফরোজা খানম রিতা, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম। এ বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন—ইশরাক হোসেন, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ববি হাজ্জাজ, হাবিবুর রশিদ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

    রাজশাহী বিভাগ থেকে মন্ত্রী হলেন- ইকবাল হাসান মাহমুদ, মিজানুর রহমান মিনু। প্রতিমন্ত্রী হলেন- এম এ মুহিত, মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন, মুহাম্মদ আব্দুল বারী।

    বরিশাল বিভাগ থেকে মন্ত্রী হলেন- হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জহির উদ্দিন স্বপন। প্রতিমন্ত্রী হলেন- আহমদ সোহেল মঞ্জুর, রাজিব আহসান, মো. নুরুল হক নুর।

  • নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য শপথের তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন- দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

    নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে তিনি কোনো সাংবিধানিক পদে থাকবেন কি না- এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো দায়িত্ব পেতে পারেন।

    তবে তারেক রহমান-এর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ড. ইউনূসকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। অন্যদিকে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে দেশ উপকৃত হতে পারে। যদিও বিএনপি ও ড. ইউনূসের প্রেস সচিব এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে ড. ইউনূস সামাজিক ব্যবসা, তরুণদের নিয়ে কাজ এবং ‘শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ’ ধারণা প্রচারে মনোযোগ দিতে চান।

    এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান।