Author: News Live

  • কনডম ব্যবহারেই হতে পারে বিপদ! বিশেষজ্ঞরা জানালেন ভয়ঙ্কর তথ্য

    কনডম ব্যবহারেই হতে পারে বিপদ! বিশেষজ্ঞরা জানালেন ভয়ঙ্কর তথ্য

    কনডম ব্যবহারেই হতে পারে বিপদ! বিশেষজ্ঞরা জানালেন ভয়ঙ্কর তথ্য

    নিরাপদ যৌনমিলনের প্রতি আগ্রহ কি কমে যাচ্ছে? কনডমের ব্যবহার কমে যাবার ইঙ্গিত সাম্প্রতিক কিছু জরিপে পাবার পর বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে ভাবতে শুরু করেছেন।

    এর কারণ জানতে অনেকের সাথে কথা বলেছেন বিবিসি’র সংবাদদাতারা।

    প্রথমে শোনা যাক হেইলি নামের একজনের কথা (আসল নাম নয়)। কলেজ ছুটির পর এক বিকেলে তার দেখা হয় এ্যারনের সাথে (এটিও আসল নাম নয়) – যাকে তিনি হাইস্কুলে পড়ার সময় অল্পস্বল্প চিনতেন।

    বহুদিন পর দেখা, তার ওপর ছুটির আগের সন্ধ্যেবেলা তাই শুরু হয়ে গেল গল্প, সাথে পান। জানা গেল, এ্যারন মাঝখানে বেশ কয়েকবছর সেনাবাহিনীতে কাটিয়ে ফিরেছেন।

    রাত বাড়তে থাকলো, তাদের কথাবার্তাও একটু অন্যরকম হতে শুরু করলো। তারা একসাথে বাড়ি ফিরলেন।

    “এ্যারন যেহেতু অচেনা কেউ ছিল না – তাই একটা অপরিণত অল্পবয়েসী মেয়ের মতোই আমি ভাবলাম, কনডম ব্যবহারের কোন প্রয়োজন নেই” – বলছিলেন হেইলি। তাই হলো, এবং কয়েকদিনে মধ্যেই তিনি শরীরে ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণের লক্ষণ দেখতে পেলেন।

    তার নিজের ওপরই রাগ হতে থাকলো, যে কেন তিনি এ কাজ করলেন। তার রাগ আরো বেড়ে গেল, যখন তিনি আরেক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারলেন যে এ্যারনের নিজেরও জানা ছিল – তিনি ছোঁয়াচে রোগ বহন করছেন। কিন্তু তার পরও সে অরক্ষিত যৌন সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে একের পর এক মেয়েকে সংক্রমিত করে চলেছিল।

    হেইলি নিজে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতেন, তা ছাড়াও তার মাথায় এটা ঘুরছিল যে ‘কনডম ব্যবহারের কথা না তুললে তার পুরুষ সঙ্গী খুশি হবেন’। কিন্তু যখন তিনি বুঝলেন যে – তার দেহে যে সংক্রমণ হয়েছে তা না সারলে তিনি সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারাতে পারেন – তখন তাকে নতুন করে ভাবতে হলো।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভধারণ(Pregnancy) করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ(Pregnancy) হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস(Intercourse) করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন থাকে। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন।

    আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ(Pressure) না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন মিলন(Sexual intercourse) করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি(Loss) করে না।

    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত(Protected) থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse)কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে সহবাস(Intercourse) করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।

    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ সন্তানের জন্ম হয় তাহলে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়।

    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।

    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন(Physical intercourse) থেকে বিরত থাকুন।

    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস(Intercourse) থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে বা আপনি খুবই ব্যথা(Pain) পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।

  • প্রত্যেক বি’বাহিত পু’রুষকে অবশ্যই লবঙ্গ খেতে হবে, কারণ অজানা থাকলে পড়ুন

    প্রত্যেক বি’বাহিত পু’রুষকে অবশ্যই লবঙ্গ খেতে হবে, কারণ অজানা থাকলে পড়ুন

    অনেক সময় সর্দি বা গলাব্যথা হলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেতে বলা হয়। লবঙ্গের তেলও দাঁতের ব্যথায় দারুণ উপশম করে। এছাড়াও, যখন আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি ক্বাথ তৈরি করি, তাতেও লবঙ্গ রাখা হয়। লবঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে Syzygium Aromaticum নামে পরিচিত। লবঙ্গ ভারতীয় রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিকার্সিনোজেনিকের মতো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

    লবঙ্গ সব বয়সের মানুষের জন্য ভালো হলেও পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পুরুষদের জন্য লবঙ্গের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

    ​শুক্রাণু উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

    জীবনযাত্রার অনেক কারণ যেমন বয়স, ধূমপান, খারাপ খাদ্য, মদ্যপান এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ পুরুষদের খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হয়। পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে ডায়েট একটি বড় ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, লবঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতা উন্নত করে।

    লবঙ্গ সব বয়সের মানুষের জন্য ভালো হলেও পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পুরুষদের জন্য লবঙ্গের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

    ​শুক্রাণু উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে

    জীবনযাত্রার অনেক কারণ যেমন বয়স, ধূমপান, খারাপ খাদ্য, মদ্যপান এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ পুরুষদের খারাপভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হয়। পুরুষের উর্বরতা বজায় রাখতে ডায়েট একটি বড় ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, লবঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকলাপ রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গুণমান এবং গতিশীলতা উন্নত করে।

    ​উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেঃ গবেষণা অনুসারে, পুরুষদের উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা মহিলাদের তুলনায় বেশি। লবঙ্গে উপস্থিত কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ অ্যাক্টিভিটি শুধুমাত্র কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় না কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদপিণ্ডের পেশির স্বাস্থ্য বজায় রাখে।

    ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে পুরুষদের ডায়াবিটিস হওয়ার সম্ভাবনা মহিলাদের তুলনায় দ্বিগুণ। লবঙ্গে উচ্চ অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক, হেপাটোপ্রোটেকটিভ, হাইপোলিপিডেমিক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ রয়েছে। এটি শরীরের গ্লুকোজ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং লিভারের কোষগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

    সঙ্গমের ইচ্ছে বাড়াতে সাহায্য করেঃ লবঙ্গে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে যেমন ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যালকালয়েড এবং স্যাপোনিন, যা যৌন ইচ্ছাকে উদ্দীপিত করতে বা কামশক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। যৌন ক্ষমতা এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি, এটি অকাল বীর্যপাত রোধ করতে বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। সমীক্ষা অনুসারে লবঙ্গ স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে যৌন উত্তেজনা বাড়াতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    ​দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীঃ লবঙ্গে অ্যান্টিজিনজিভাইটিস এবং অ্যান্টিপ্লাক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা দাঁত সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য। লবঙ্গ শুধুমাত্র মুখের জীবাণু প্রতিরোধে সাহায্য করে না, মাড়িতে সংক্রমণ, প্রদাহ এবং ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়। এটি পুরুষদের নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং পিরিয়ডোনটাইটিস প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া প্রতিকারও। একটি সমীক্ষা অনুসারে, এই স্বাস্থ্যকর মশলা খাওয়া দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়।

    লবঙ্গ শুধুমাত্র পুরুষদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে না বরং তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত করতে পারে। পুরুষদের প্রতিদিনের খাবারে রান্নাঘরে উপস্থিত এই মশলাটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যাইহোক, মনে রাখবেন যে লবঙ্গ একটি ভেষজ এবং শুধুমাত্র পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

    ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য আরও বিস্তারিত জানতে হলে বিশেষজ্ঞের থেকে পরামর্শ নিন।

  • বী’র্য’পাত বন্ধ রেখে রাতভর স’হবাস করতে যা করবেন, জেনে নিন

    বী’র্য’পাত বন্ধ রেখে রাতভর স’হবাস করতে যা করবেন, জেনে নিন

    বী’র্য’পাত বন্ধ রেখে রাতভর স’হবাস করতে যা করবেন, জেনে নিন
    স্বামী স্ত্রী পবিত্র মিলনের মাধ্যমে সুখ লাভ করে। ইসলামে স্বামী স্ত্রীর মিলনকে বেহেশতের সুখের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌন মিলন অত্যন্ত সুখের। তবে এই আনন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রুত বীর্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

    মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

    এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫-এর পর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।

    তাছাড়া এক নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বার বার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

    পদ্ধতি ১: চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

    পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং): অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

    পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

    পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বামীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।