Author: News Live

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ২ নেতা

    সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ২ নেতা

    সুখবর পেলেন বরিশাল বিএনপির দুই নেতা। তারা হলেন- বরিশাল মহানগর বিএনপির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সচিব জিয়াউল হক মাসুম ও বরিশাল জেলা তাঁতীদলের সাবেক সভাপতি কাজী মো. সাহিন।

    দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের প্রায় আড়াই বছর পর তাদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০ জানুয়ারি তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • পুরুষাঙ্গ কেটে ফেললেই হওয়া যায় পূর্ণাঙ্গ নারী

    পুরুষাঙ্গ কেটে ফেললেই হওয়া যায় পূর্ণাঙ্গ নারী

    পুরুষাঙ্গ কেটে ফেললেই হওয়া যায় পূর্ণাঙ্গ নারী। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় এমন ভয়ংকর প্রলোভন দেখিয়ে সুস্থ পুরুষদের অঙ্গহানি করছে একটি সংঘবদ্ধ মাফিয়া চক্র।

    আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকার নাইন সায়ের গতকাল তার ফেসবুকে এই তথ্য দেন। একটি ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, অবৈজ্ঞানিক পথে এই মরণফাঁদে পা দিয়ে পঙ্গু হচ্ছেন অসংখ্য তরুণ। শুধু তাই নয়, ভয়াল থাবায় অঙ্গহানির পাশাপাশি হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে বদলে দেওয়া হচ্ছে ভুক্তভোগীদের শারীরিক অবয়ব।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই জঘন্যতম অপরাধের নেপথ্যে রয়েছে হিজড়া ছদ্মবেশী সৈয়দ মাহমুদুল হোসেন ইলু ও তার সহযোগীরা। যাদের মূল উদ্দেশ্য শহরজুড়ে চাঁদাবাজির এক নতুন বাহিনী গড়ে তোলা।

    এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে জানান,তাকে মিথ্যা বলা হয়েছে। তাকে জানানো হয় পুরুষাঙ্গ কেটে নিলে তারা মেয়েদের মতন হয়ে যাবে। মেয়েদের মত হওয়ার প্রবল ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে ধাবিত করা হয় অমানবিক জীবনে।

    তিনি বলেন, আমার যখন পুরুষাঙ্গ নাই আমি পেশাব করতে যখন কষ্ট হচ্ছে দেখতেছি আমার নিচে একটা পাইপ আছে, পাইপের মধ্যে একটা পলিথিন আছে। আমি বলছি এটা কী হলো? লাস্টে আমি জানতেছি আমার লাইফে কী হয়েছে।

    আরও এক ভুক্তভোগী বলেন, ড্রিঙ্কসের সাথে কিছু একটা ছিল, যা আমার হুঁশ-জ্ঞান কিছুই ছিল না। আমার জ্ঞান ফিরছে দুই দিন পরে। দুই দিন পরে আমি দেখতে পারছি এবং জানতে পারছি আমার অঙ্গহানি হয়ে গেছে। আমি চাই আমি আজকে শাহাদাত সুস্মিতা হয়েছি একজনের খপ্পরে পড়ে, আমার মতো যাতে আর কোনো শাহাদাত সুস্মিতা না হয়।

    চাঞ্চল্যকর ভিডিওতে দেখা যায়, এই রূপান্তরের কারখানায় কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই। নেই কোনো আইনি অনুমোদন। এখানে কাঁচি আর ব্লেডের নিচে স্রেফ কসাইগিরি করে নিমিষেই শেষ করে দেওয়া হচ্ছে একজনের পুরুষত্ব।

    নারী হওয়ার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় যারা ইলুর দ্বারস্থ হচ্ছেন, তাদের এই স্বপ্নের শেষ পরিণতি যে কতটা বিভীষিকাময়, তা আগে আঁচ করতে পারেন না ভুক্তভোগীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রূপান্তর নয় বরং একটি সুপরিকল্পিত ও অমানবিক অঙ্গচ্ছেদ।

    ডা. নেজামুল হক বলেন, এটা ঘরে বসে কাঁচির মাধ্যমে করার কোনো সুযোগই নেই, কোনো প্রশ্নই আসে না এটার মধ্যে। অনভিজ্ঞভাবে এভাবে যদি কাটা হয়, প্রথম কথা হচ্ছে যে তার ক্ষত ঠিক করে শুকাবে না। সেক্ষেত্রে কিন্তু তার সেপটিসেমিয়া হওয়ার একটা চান্স আছে। ইউরেথ্রাল স্টেনোসিস হওয়ার চান্সটা খুব বেশি এবং সেক্ষেত্রে কিন্তু তার পরবর্তীতে রিটেনশন হয়ে কিডনি ফেইলিউর হওয়ার চান্স থাকে।

    এই মরণ ফাঁদের সর্বশেষ শিকার মোহাম্মদ শাকের। নারী হওয়ার প্রলোভন দিয়ে তাকে অচেতন করে কেটে ফেলা হয় তার পুরুষাঙ্গ। অস্ত্রোপচারের পর প্রস্রাবের পথ সচল রাখতে সেখানে জোড়াতালি দিয়ে ঢুকিয়ে রাখা হয় প্লাস্টিক নল। সংক্রমণের ঝুঁকি আর অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে এখন পঙ্গুত্বের পথে এই যুবক।

    মোহাম্মদ শাকের (ভুক্তভোগী) বলেন, আমি জানি না আমাকে কী ড্রিঙ্ক দিয়েছে, আমি অজ্ঞান হয়ে গেছি। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার এদিকে এগুলো নাই। আমি যে কান্নাকাটি করছি তা সারারাত চলে গেছে। আমি আগের মতো হাঁটতে পারি না, দৌড়াতে পারি না। আমার জীবনটা শেষ করেছে ও, আমার জীবন অন্ধকার করেছে। আমি একটা ছেলে ছিলাম। আমার কেন আমার জীবনটা শেষ করল, আমি জানি না।

    শোনা যায়, ইলু নিজেও একজন পূর্ণাঙ্গ পুরুষ, যে কিনা হিজড়া সেজে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। ইলুর নির্দেশ অমান্য করলেই নেমে আসে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের খড়গ, যে কারণে ভয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে পারে না কেউ। আমাদের হাতে আসা কিছু অডিও রেকর্ডে মিলেছে এই হিজড়া রূপধারী মাফিয়ার হুমকির চিত্র।

    তবে বর্তমানে একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন অভিযুক্ত ইলু।

    আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি ও মানব অঙ্গহানির একটি স্পষ্ট দৃষ্টান্ত। সম্মতির দোহাই দিলেও আইনত এটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

  • তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    সাম্প্রতিক গবেষণা দেখিয়েছে, ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের (Colorectal Cancer) হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে এটি মূলত মধ্যবয়সী বা বৃদ্ধদের রোগ হিসেবে ধরা হতো। তবে আধুনিক জীবনধারা, অস্বাস্থ্যকর খাবার, কম শারীরিক কার্যকলাপ ও মানসিক চাপ তরুণদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে।

    এই ৫ লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন
    1. মলদ্বারে রক্ত বা অস্বাভাবিক পদার্থ দেখা
    রক্তমিশ্রিত মল, কালচে বা পাথুরে পদার্থ দেখা মানে প্রাথমিক সতর্ক সংকেত।

    2. দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথা বা ফোলা
    ক্রমাগত পেট ফোলা, খিঁচুনি বা ব্যথা থাকলে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    3.হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত ওজন কমা
    খাবার ঠিক মতো খাওয়ার পরও ওজন কমছে? এটি ক্যান্সারের প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

    4. পেটের চলাচলে পরিবর্তন
    দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলমুক্তিতে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে পরীক্ষা করা উচিত।

    5.ধীরগতিতে ক্লান্তি ও দুর্বলতা
    অকারণ ক্লান্তি, দুর্বলতা বা ঘুমানুরোধী অবস্থা ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
    গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বলছেন, যদি এই কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে ডাক্তারি পরীক্ষা দ্রুত করানো প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা গেলে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসাযোগ্য।