Author: News Live

  • নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে শেখ হাসিনা

    নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে শেখ হাসিনা

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের কার্যাদেশে অনিয়ম, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুতির পর ভারতে পালিয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন।

    দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অপর ১৬ জন হলেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী (অর্থ ও পরিকল্পনা) এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল, সাবেক উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল ও ইবনে আলম হাসান, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আফতাব হোসেন খান ও আব্দুস সালাম, সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজীর আহমেদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    দুদকের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থার সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

    আবেদনে বলা হয়, ‘একক উৎসভিত্তিক দরপত্র’ আহ্বান করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড (সিএনএস) শতকরা ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ (ভ্যাট ও আইটি ব্যতীত) ৫ বছর মেয়াদে কার্যাদেশ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। এতে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়। যা আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আত্মসাৎ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা দেশত্যাগ করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।

    গত ১২ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সংস্থাটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১–এ দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়কারী হিসেবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেডকে নিয়োগ দিতে আগের দরপত্র ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল’ করে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

    অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে বাদ রেখে কেবল সিএনএস লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য টোল আদায়ের চুক্তি করা হয়। এতে সার্ভিস চার্জের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক না করে হার বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এই হার ছিল আদায় করা টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ (ভ্যাট ও আয়কর ব্যতীত)।

    দুদক বলছে, এ চুক্তির আওতায় সিএনএস লিমিটেড মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। অন্যদিকে ২০১০-২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল আদায়ের জন্য এমবিইএল-এটিটি মাত্র ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় কাজ করে। পরবর্তী সময়ে ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় (ভ্যাট ও আয়করসহ) কার্যাদেশ দেওয়া হয়, যা পাঁচ বছরে রূপান্তর করলে দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

    দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সিএনএস লিমিটেড কথিত ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন ও অবকাঠামো ব্যয়’ বাবদ আরও ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দাবি করে।

    তুলনামূলক বিশ্লেষণে দুদক মনে করছে, সিএনএস লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেওয়ার ফলে সরকারের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা।

    দুদক বলছে, সিএনএস লিমিটেডের পরিচালক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে এ অনিয়ম করেছেন।

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে সেটি হতে পারে আপনার ব্যতিক্রমী ভাগ্যের ইঙ্গিত। হাতের রেখা নাকি একজন মানুষের জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাসীদের মতে, হাতের তালুর মধ্যে ‘M’ আকৃতির রেখা থাকা মানেই আপনি একজন বিশেষ ব্যক্তি।

    M

    কী বোঝায় ‘M’ আকৃতির রেখা?
    হাতের রেখাগুলোর মধ্যে হৃদয় রেখা, আয়ু রেখা, এবং ভাগ্য রেখা মিলে যদি ‘M’ আকার তৈরি করে, তাহলে এটি ইঙ্গিত করে যে:

    পুরুষদের জন্য: অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল, উদ্যোগী এবং অনুভূতিপ্রবণ। চাকরির তুলনায় ব্যবসায় বেশি সফল হন।
    নারীদের জন্য: পুরুষদের তুলনায় ক্ষমতাশালী। নেতৃত্বগুণ ও নিজস্ব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন।
    দুজনেরই ক্ষেত্রে: যে কোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর অসাধারণ দক্ষতা থাকে। সফলতার জন্য নিজেদের বদলাতে পারেন।

    সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘M’-এর প্রভাব
    যদি কোনো দম্পতির দুজনের হাতেই ‘M’ থাকে, তবে সেটি রাজযোটক বলে ধরা হয়। যদিও সাফল্যের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকতে পারেন। এ ধরনের মানুষ প্রতারণা করেন না এবং তাদের ওপর ভরসা করা যায় চোখ বন্ধ করে।

    জ্যোতিষীদের অভিমত
    জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ‘M’ রেখা থাকা মানুষদের জীবনে অসাধারণ সফলতা আসে। তাদের উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা ও অনুভূতিশীল মনোভাব তাদের সবার থেকে আলাদা করে তোলে।

    তাই, যদি আপনার হাতেও থাকে এই ‘M’, তাহলে নিজের ওপর আস্থা রাখুন। সফলতা আপনার দোরগোড়ায় আসবেই!