Author: News Live

  • হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে সেটি হতে পারে আপনার ব্যতিক্রমী ভাগ্যের ইঙ্গিত। হাতের রেখা নাকি একজন মানুষের জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাসীদের মতে, হাতের তালুর মধ্যে ‘M’ আকৃতির রেখা থাকা মানেই আপনি একজন বিশেষ ব্যক্তি।

    M

    কী বোঝায় ‘M’ আকৃতির রেখা?
    হাতের রেখাগুলোর মধ্যে হৃদয় রেখা, আয়ু রেখা, এবং ভাগ্য রেখা মিলে যদি ‘M’ আকার তৈরি করে, তাহলে এটি ইঙ্গিত করে যে:

    পুরুষদের জন্য: অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল, উদ্যোগী এবং অনুভূতিপ্রবণ। চাকরির তুলনায় ব্যবসায় বেশি সফল হন।
    নারীদের জন্য: পুরুষদের তুলনায় ক্ষমতাশালী। নেতৃত্বগুণ ও নিজস্ব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন।
    দুজনেরই ক্ষেত্রে: যে কোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর অসাধারণ দক্ষতা থাকে। সফলতার জন্য নিজেদের বদলাতে পারেন।

    সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘M’-এর প্রভাব
    যদি কোনো দম্পতির দুজনের হাতেই ‘M’ থাকে, তবে সেটি রাজযোটক বলে ধরা হয়। যদিও সাফল্যের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকতে পারেন। এ ধরনের মানুষ প্রতারণা করেন না এবং তাদের ওপর ভরসা করা যায় চোখ বন্ধ করে।

    জ্যোতিষীদের অভিমত
    জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ‘M’ রেখা থাকা মানুষদের জীবনে অসাধারণ সফলতা আসে। তাদের উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা ও অনুভূতিশীল মনোভাব তাদের সবার থেকে আলাদা করে তোলে।

    তাই, যদি আপনার হাতেও থাকে এই ‘M’, তাহলে নিজের ওপর আস্থা রাখুন। সফলতা আপনার দোরগোড়ায় আসবেই!

  • নবম পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত দুপুরে

    নবম পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত দুপুরে

    নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত করতে বুধবার (২১ জানুয়ারি) শেষ সভায় বসছে পে কমিশন। দুপুর ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সম্মেলন কক্ষে পূর্ণ কমিশনের এই সভা শুরু হবে। সভা শেষে বিকেলেই খসড়া সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    পে কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুপুরে পূর্ণ কমিশনের সভায় পে-স্কেলসংক্রান্ত সব বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। সভা শেষে বিকেল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত রয়েছে। ওই সাক্ষাতে কমিশনের চূড়ান্ত খসড়া তুলে ধরা হবে।

    কমিশনের এক সদস্য বলেন, নবম পে-স্কেলের সবকিছুই মোটামুটি চূড়ান্ত। বিষয়গুলো আরেকবার রিভাইজ করা হবে। কমিশনের সভায় খসড়া সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন

    Advertisement: 0:24

    Close Player
    সুপারিশ প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই সদস্য বলেন, কমিশনের সুপারিশের কপি কোনো সদস্যের কাছেই থাকবে না। এটি কেবল প্রধান উপদেষ্টার কাছে থাকবে। পরবর্তীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সময় আরও কয়েক কপি প্রিন্ট করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন

    ৫০তম বিসিএস নিয়ে সরকারের নতুন প্রজ্ঞাপন
    কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। পুরো মাত্রায় এটি কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে।

    বিজ্ঞাপন
    এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন বেতন কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান।

     

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • শরীরে ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই যে সংকেত দেয়

    শরীরে ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই যে সংকেত দেয়

    শরীরে ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই যে সংকেত দেয়
    ক্যান্সার—বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি। তবে সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, ক্যান্সার যতটা হঠাৎ ধরা পড়ে বলে মনে হয়, বাস্তবে তা নয়। শরীর ক্যান্সার শুরুর প্রায় এক বছর আগেই বিভিন্ন ধরনের সতর্ক সংকেত পাঠাতে থাকে—যা অবহেলা করলেই বিপদ!

    ইউকে-ভিত্তিক নতুন গবেষণার আলোকে ও একাধিক গবেষণা, জার্নাল যেমন The Lancet Oncology এবং BMJ সম্প্রতি রিপোর্ট করেছে যে, ডায়াগনোসিসের প্রায় ৮-১২ মাস আগেই কিছু রোগী নানা অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপসর্গের মুখোমুখি হন—যেমন অকারণে ওজন হ্রাস, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, হজমের সমস্যা বা রাতের ঘাম।

    রক্তের পরিবর্তন:

    কোনো উপসর্গ ছাড়াই রক্তে হালকা রকম অস্বাভাবিকতা (যেমন, হিমোগ্লোবিন হ্রাস, সাদা রক্তকণিকার পরিবর্তন) দেখা যেতে পারে, যা কিছু ধরনের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
    হজমে সমস্যা:

    দীর্ঘমেয়াদি অম্বল, বদহজম বা পেটের ব্যথা (বিশেষ করে প্যানক্রিয়াস বা পাকস্থলীর ক্যান্সারে) কয়েক মাস বা এক বছর আগেই শুরু হতে পারে।
    ওজন হ্রাস:

    অযথা ওজন কমে যাওয়া বা ক্ষুধা কমে যাওয়া শরীরে কোনো বড় সমস্যা, বিশেষ করে ক্যান্সারের সূচনাপর্ব নির্দেশ করতে পারে।
    অসাধারণ ক্লান্তি বা দুর্বলতা:

    ঘুম, বিশ্রাম বা খাবার খাওয়ার পরেও ক্লান্তি না কমা—বিশেষ করে রক্তাল্পতা ছাড়া ক্লান্তি হলে সেটা কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।
    ত্বকে পরিবর্তন:

    ত্বকে হঠাৎ দাগ, মোল বা কালো চিহ্ন বড় হয়ে যাওয়া (স্কিন ক্যান্সারের সম্ভাবনা), বা চোখের সাদা অংশে হলদে ভাব (লিভার সমস্যা) ইত্যাদি লক্ষণ শরীরের ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
    অতিরিক্ত ঘাম বা রাতে ঘাম:

    রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া (night sweats) বা অস্বাভাবিক জ্বর (বিশেষ করে টিউমার থেকে সৃষ্ট) অনেক সময় লিম্ফোমার পূর্ব সংকেত।
    গবেষকেরা বলছেন, অনেক সময় রক্ত পরীক্ষা বা ইউরিন টেস্টেও সূক্ষ্ম কিছু পরিবর্তন ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সার হিসেবে ধরা পড়ে।

    উপসর্গ যেগুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি:

    অকারণে ওজন হ্রাস
    অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা
    দীর্ঘদিন ধরে চলা হজমের সমস্যা বা বুক জ্বালা
    রাতের বেলা অতিরিক্ত ঘাম বা জ্বর
    ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ, মোল বড় হয়ে যাওয়া
    বাত বা পেশিতে ব্যথা যেটি সহজে সারছে না
    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপসর্গগুলো যে সবসময় ক্যান্সারের ইঙ্গিত, তা নয়; তবে অবহেলা করাও ঠিক নয়।

    ভবিষ্যতের প্রযুক্তি আশা দিচ্ছে ,স্বিডিশ গবেষকরা সম্প্রতি একটি রক্ত পরীক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যেটি রক্তের “শর্করার ধরণ” বা glycosaminoglycan পরিমাপ করে ১৪ ধরনের ক্যান্সার প্রথম ধাপেই শনাক্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও আগেভাগেই ক্যান্সার ধরা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন চিকিৎসকেরা।

    ক্যান্সার ‘নীরব ঘাতক’, কিন্তু নীরব নয়। শরীর সময় থাকতেই সতর্ক করে, শুধু আমাদের সেই সংকেত বুঝতে শিখতে হবে। প্রাথমিক উপসর্গগুলোকে গুরুত্ব দিন, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আগেভাগে সচেতনতা মানেই—জীবনের নিরাপত্তা!