Author: News Live

  • যেসব কারণে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর ব্য’থা করে, জেনে নিন

    যেসব কারণে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর ব্য’থা করে, জেনে নিন

    অনেকেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পুরো শরীরে এক ধরনের আড়ষ্টতা অনুভব করে। বিছানা ছেড়ে মেঝেতে পা ফেললে পায়ের তালুতে ব্যথা হয়। মনে হতে থাকে হাত, পাসহ পুরো দেহের ভাঁজে ভাঁজেই যেন ব্যথা লুকিয়ে আছে। এমনটা প্রায় প্রতিদিন সকালেই তিনি অনুভব করছেন। সারা দিন ব্যস্ততার পর রাতে আমরা ঘুমাতে যাই। পরিপূর্ণ ঘুমের পর সকালে দেহ ক্লান্তি কাটিয়ে সারা দিন কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকবে, এমনটিই আশা করেন সবাই। যদি লক্ষ করেন যে প্রায় প্রতিদিন অকারণে দেহে এক ধরনের ব্যথা জড়িয়ে আড়ষ্টতা নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠছেন, তার পেছনে এই কারণগুলো থাকতে পারে—

    ভালো ঘুমের অভাব

    রাতে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমালেও যদি ঘুমের গুণগত মান ভালো না হয়, সে ক্ষেত্রে শরীর খারাপের জন্য এটি একটি কারণ হিসেবে দায়ী। এ ক্ষেত্রে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়াকে ঘুমের গুণগত মান খারাপ হওয়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী করা হয়। আপনি যদি ভালোভাবে না ঘুমান, তাহলে শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলো রিপেয়ার হতে পারে না। যার ফলে সকালে শরীর ব্যথা হয় এবং অলসতা কাজ করে।

    যে কাজগুলো করলে রাতে ঘুম ভালো হবে

    ১. নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যান, এমনকি ছুটির দিনেও একই রুটিন বজায় রাখুন।

    ২. আপনার বেডরুমের তাপমাত্রা আরামদায়ক কি না, তা নিশ্চিত করুন।

    ৩. দিনের বেলা ঘুমের সময়ে চোখে উজ্জ্বল আলো বা কড়া রোদের আলো যেন না প্রবেশ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

    ৪. আরামের একটি বিছানা পেতে ভালো মানের ম্যাট্রেস ও বালিশ ব্যবহার করুন।

    ৫. ঘুমানোর ছয় ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন।

    ৬. ভারি খাবার খাওয়ার ২-৩ ঘণ্টা পর পর ঘুমাতে যান।

    ৭. ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে টিভি, মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিন এড়িয়ে চলুন।

    ৮. ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যাবেন না।

    দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ

    অতিরিক্ত কাজ থেকে শুরু করে অত্যধিক ব্যায়াম- এমন অনেক কারণ রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে করতে থাকলে মানুষ মানসিকভাবে চাপ অনুভব করেন। আপনার প্রতিদিন সকালে শরীরের ব্যথা নিয়ে জেগে ওঠার এটাও একটি কারণ হতে পারে। আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেসে থাকেন এবং সারা দিন ধরে টেনশন অনুভব করেন, তবে এটি পেশিতে ব্যথা হওয়ার জন্য কারণ হতে পারে।

    মানসিক চাপ মোকাবেলা করার উপায়

    ১. নিয়মিত ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম করুন।

    ২. কোন বিষয়টি আপনাকে মানসিকভাবে চাপে রেখেছে সে সম্পর্কে কারো সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    ৩. ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল পরিহার করুন।

    ৪. নিয়মিত বাইরের আলো-বাতাসে ঘুরে আসুন।

    যথেষ্ট ব্যায়াম করছেন না

    আপনারা হয়তো জেনে অবাক হবেন যে ব্যায়ামের অভাব ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনার শরীরে ব্যথা অনুভব করার কারণ হতে পারে। সপ্তাহে পাঁচ দিন অন্তত ৩০ মিনিটের ইয়োগা বা অন্যান্য শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। ব্যায়াম করা সম্ভব না হলে বাইরে গিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় বাস-রিকশা না নিয়ে কিছুটা পথ হেঁটে যেতে পারেন। তা ছাড়া লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি জিমে গিয়ে ব্যায়াম ক্লাসে যোগদান করতে পারেন।

    খুব বেশি ব্যায়াম করছেন

    ব্যায়ামের অভাব যেমন সকালে পেশি ব্যথার কারণ হয়ে থাকে, তেমনি খুব বেশি ব্যায়ামও আপনার ঘুম থেকে ওঠার সময় ভয়ংকর পেশি ব্যথার কারণ হতে পারে। আপনি যদি নিয়মিত জিমে যান এবং মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম করেন, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার সময় আপনার পুরো শরীরে ব্যথা হতে পারে। আপনার শরীরকে প্রয়োজনীয় বিশ্রামের জন্য সময় দিতে প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম দুই দিন ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    যেসব খাবার শরীর ব্যথার জন্য দায়ী

    আপনার শরীরকে যদি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ না করেন তবে এটি শরীরের ওপর নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলবে। পেশিতে ব্যথার জন্য স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, গম ও অ্যালকোহল আছে এমন খাবার দায়ী।

    ডায়েটে যেসব খাবার রাখবেন

    তৈলাক্ত মাছ

    ফল ও শাকসবজি

    বাদাম ও বীজ

    মসলা, যেমন : আদা ও হলুদ

    সুস্থতা নিশ্চিত করতে দৈনন্দিন রুটিনে একটি ভালো মানের ডায়েট প্ল্যানের পাশাপাশি পরিপূর্ণ ঘুম ও পরিমিত ব্যায়াম নিশ্চিত করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজের অবস্থার পার্থক্য লক্ষ করতে পারবেন।

  • ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ভালোবাসার মানুষকে নিজের করে পেতে কত কিছুই করে মানুষ। সম্প্রতি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের এক নারী শিক্ষিকার ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার অভিনব এক গল্প সামনে এলো।

    রাজস্থান টিচার চেঞ্জেস জেন্ডার টু ম্যারি: ”এভরিথিংক’স ফেয়ার ইন লাভ” শীর্ষক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানায়, ছাত্রীর প্রেমে পড়েছিলেন রাজস্থানের ভরতপুরের ওই শিক্ষিকা। প্রেমের সম্পর্ক এতটাই গভীর হয়ে যায় যে, ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন তিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে এখন জুটি বেঁধেছেন শিক্ষিকা-ছাত্রী। তবে ঘটনাটি অন্যরকম।

    পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সরকারি স্কুলের শারীরবিদ্যার শিক্ষিকা মীরা। কল্পনা ছিল সেই স্কুলেরই ছাত্রী। খুব ভাল বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মীরা ও কল্পনার মাঝে। বছর দুয়েক বন্ধুত্বের পর কল্পনাকে ভালবাসতে শুরু করেন মীরা। শেষমেশ কল্পনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন তিনি। কল্পনারও সেই সম্পর্কে কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দুজনের পরিবার এতে মোটেও রাজি ছিল না। সামাজিক রীতি অনুযায়ী, রাজি হওয়ার কথাও নয়।

    ডিএনএ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমের কারণে মীরা এখন আরভ। কল্পনাকে বিয়ে করার জন্য মীরা অস্ত্রোপচার করে লিঙ্গ পরিবর্তন করেন। এক সাক্ষাৎকারে কল্পনা বলেন, ‘আমি ওকে প্রথম থেকেই ভালবাসতাম। অ;স্ত্রোপচার না করলেও আমি আরভকে বিয়ে করতাম। আরভের অস্ত্রোপচারের সময়ও ওর পাশে ছিলাম।’

    ইন্ডিয়া ডটকম জানায়, ২০১৯ সালে মীরা স্থির করেন, তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করবেন। ওই বছর তার প্রথম অস্ত্রোপচার হয়। অবশেষে গত ৪ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আরভ-কল্পনা। পরে আরভ বলেন, ‘নিজের ইচ্ছায় লিঙ্গ পরিবর্তন করিয়েছি। ভালবাসার জন্য এই কাজ আমার কাছে তুচ্ছ।’

  • যে সব মেসেজে বিবাহিত নারী পটানো যায়

    যে সব মেসেজে বিবাহিত নারী পটানো যায়

    প্রেম-ভালোবাসা সব সময় আসতে পারে। বিবাহিত জীবন হোক কিংবা অবিবাহিত জীবন জীবনের যেকোনো সময় প্রেম আসতে পারে। যাকে ভালো লাগে তাকে সব সময় ভালোবাসা যায় সে যে অবস্থা থাকুক না কেন। বিবাহিত মেয়েদের প্রতি ইয়াং ছেলেদের একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। বর্তমান গবেষণা দেখা গেছে শতকরা 80 ভাগেরও বেশি ছেলে বিবাহিত মেয়েদের প্রতি আকর্ষিত। তাই আজকের এই অনুচ্ছেদে আমরা বিবাহিত মেয়ে পটানোর কিছু মেসেজ আপনাদের মধ্যে শেয়ার করব। আমাদের এই অনুচ্ছেদে শেয়ার কিন্তু মেসেজগুলো আপনি আপনার বাস্তব জীবনে এপ্লাই করে বিবাহিত মেয়েদের অতি সত্তর পটিয়ে ফেলতে পারবেন। কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল পোস্টে চলে যাই।

    আপনি যদি কোন বিবাহিত মেয়ের প্রতি দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে সেই মেয়েটিকে খুব সহজে পটিয়ে ফেলতে পারেন। সেরকম কিছু কৌশল আমরা আপনাদের মধ্যে আলোচনা করব।

    যেকোনো মেয়েকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার জন্য মেয়েটির কাছে সব সময় নেট অ্যান্ড ক্লিন থাকা প্রয়োজন। আপনাকে সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মার্জিত ভাবে সেই মেয়েটির কাছে আসতে হবে। কথাবার্তা রুচি সম্মত হতে হবে প্রথম দিকে সেই মেয়েটির সাথে আপনি বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করবেন। বন্ধুত্ব একবার হয়ে গেলে সেই বন্ধুত্বকে আরো ঘনিষ্ঠ করার জন্য ধীরে ধীরে কিছু ক্লোজ কথাবার্তা শুরু করবেন।

    ক্লোজ কথাবার্তা বলতে আমি এখানে এডাল্ট কিছু কথাবার্তা কথা বলেছি। একটি কথা বলে রাখি বিবাহিত মেয়েরা এডাল কথাবার্তায় অত বেশি মাইন্ড করেনা। কিন্তু আপনার এডাল কথাবার্তা যদি মেয়েটি মাইন্ড করে থাকে তাহলে সেটি পরিহার করার চেষ্টা করবেন।

    মোটামুটি আপনার সাথে ভালো সম্পর্ক করে পটে গেলে দেখবেন মেয়েটি আপনাকে ধরা দেবে এবং আপনার এডাল কথা বলতে অভ্যস্ত হবে।

    পরে আপনি বুঝতে পারবেন মেয়েটি আপনার প্রতি দুর্বল এবং আপনার এডাল কথা বার্তায় বেশ মজা পাচ্ছে। এভাবেই খুব সহজে একটি বিবাহিত মেয়েকে পটিয়ে ফেলতে পারবেন।

    বিবাহিত মেয়ে পটানোর মেসেজ:

    বিবাহিত মেয়ে পটা খুবই সহজ। আমার এই অনুচ্ছেদে এতক্ষণে আলোচনায় আপনি মেয়েটির সাথে কিভাবে ভালো বন্ধুত্ব করে তুলবেন সেটি সম্পর্কে আলোচনা। এখন আমরা আলোচনা করব সেই ভালো বন্ধুটিকে কিভাবে পটিয়ে ফেলে নিজের করে নেবেন। মেয়েটির সাথে ভালো বন্ধুত্ব করে আমাদের অনুচ্ছেদের মেসেজগুলো সেই বন্ধুর মোবাইলে অনবরত সিচুয়েশন অনুযায়ী পাঠাতে পারেন। আপনার মেসেজগুলো পেয়ে আপনার বন্ধুটি অনেক বেশি আপনার প্রতি আকর্ষিত হবে এবং আপনার প্রতি মনোনিবেশ করবে।

    ভাবি, আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র ইন্টারপাস করছেন! সিরিয়াসলি! – এ কথা শুনে ভাবি তো আহলাদে আট দু’গুণে ষোলখানা। একটু লজ্জা পেয়ে ভাবি বলেন, সেই সময় কি আর আছে, বয়স হয়েছে না!

    মন খারাপ কেন ভাবি? ভাইয়া ঝগড়া-টগড়া করলো নাকি?… আপনার মতো এরকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না! ভাবি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘বইলেন না, আপনার ভাই কোনোদিন বোঝার চেষ্টাই করলো না।’

    ভালোবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য ।

    শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র ।

    কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত ।

    বাস্তবতার কাছে অবহেলিত ।

    ভালবাসা মানে তার কাছ থেকে কিছু

    আশা করা নয় ..বরং ভালবাসা মানে

    যেকোন মূল্যে তাকেই সবকিছু দেওয়া

    ভালবাসা মানে একজনের প্রতি আকর্ষণ

    যাকে সে নিজের সুখে-দুঃখে

    পাশে রাখতে চায়

    ভালবাসা মানে একজনের সব দোষগুলো

    জেনে যাওয়া এবং সেগুলোর জন্যে

    তাকে আরো বেশী করে ভালবাসা

    ভালবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য

    শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র. কিন্তু

    সময়ের কাছে পরাজিত,,

    বাস্তবতার কাছে অবহেলিত.!

    ভালবাসা সেই অমূল্য উপলব্ধির নাম যা

    একজনকে অতীতের সব দুঃখ ভুলিয়ে

    দেয় আর নতুন আনন্দে নিজেকে

    খুশি রাখতে সাহায্য করে

    তুমি আকাশের ওই নীল

    আমি মেঘে মেঘে স্বপ্নিল,

    তুমি হাওয়া হয়ে আসো

    শুধু আমাকেই ভালোবাসো,

    তুমি মনের আলপনা

    তুমি সেই প্রিয় কল্পনা…

    তুমি ছুঁয়ে দিলে এই মন…

    আমি উড়বো আজীবন ।

    হৃদয়ের ভাষা বুঝা বড় দায়,

    ভুল করে কেউ প্রেমে পড়ে যায়,

    যদিও এই কথা মিথ্যে নয়,

    ভালোলাগা শেষে ভালোবাসা হয় ।

    তবুও ভালোলাগা আর ভালোবাসা এক নয় ।

    যদি মন কাঁদে আমি আসবো বরষা হয়ে,

    যদি মন হাসে আসবো চাঁদ হয়ে,

    যদি মন উড়ে, আমি আসবো পাখি হয়ে,

    যদি মন খোঁজে আমি আসবো…

    খুজেই দেখনা !!!

    কিছু বৃষ্টির জল অশ্রু হিসেবে দিলাম,

    কিছু ফুলের কাঁটা বেথা হিসেবে দিলাম,

    কিছু সুখ নিরদাবি করে দিলাম,

    কিছু দুঃখ ধার হিসেবে দিলাম,

    অবশেষে কিছু গোলাপ

    শুভেচ্ছা হসেবে দিলাম …

    তুমি বৃষ্টি ভেজা পায়ে,

    সামনে এলে মনে হয়-

    আকাশের বুকে যেন

    জল ছবি একে যায় ।

    তুমি হাসলে বুঝি মনে হয়-

    স্বপ্ন আকাশে পাখি ডানা মেলে দেয় ।

    আমাদের এই অনুচ্ছেদের কৌশল এবং মেসেজগুলো দিয়ে আপনি যেকোনো বিবাহিত মেয়েদের খুব সহজে পটিয়ে ফেলতে পারবেন। কিন্তু, আপনাকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে সবগুলো নির্ভর করতেছে সিচুয়েশনের উপর। অর্থাৎ অবশ্যই আপনাকে ভালো সময় এবং সিচুয়েশন বিবেচনা করে এই মেসেজগুলো এপ্লাই করতে হবে।

  • চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

    শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের

    যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

    আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ

    একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।