Author: News Live

  • স্বামীরটা বিশাল বড় রাতে ৮ বার দেবার পরও আবার চাইতো

    স্বামীরটা বিশাল বড় রাতে ৮ বার দেবার পরও আবার চাইতো

    বিয়ে মানে এক নতুন জীবনে পদার্পণ, দুজনে হাতে হাত রেখে সকল বাধা কাটিতে সারা জীবন একসাথে থাকার প্রস্তুতি, আর ছেড়ে না যাবার অঙ্গিকার। বিয়ে মানে শুধুমাত্র দুটি মনের মিলন নয়, মিলন দুটি পরিবারেরও, একসাথে হাত ধরে জীবনের সিমান্ত পর্যন্ত পৌঁছানর। আর এই বিয়ে সংসার তখনই সুখের হয় যখন দুটি মন ও শরীর মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়।

    কিন্তু এইগুলির মিল না হলে সংসারে দেখা যায় অশান্তি। পরকীয়া, মিথ্যাচার, জটিলতা গ্রাস করতে থাকে। তাই আজ জেনে নিন কোন তিন অক্ষর নামের মহিলারা কখনও নিজের স্বামী ও সংসার নিয়ে সুখী হন না।

    S বা ‘স/শ নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা নিষ্ঠাবান হয়ে থাকেন। কিন্তু স্বামীর প্রতি বেশি পরিমান পসিসিভনেস কাজ করায় তা বিপত্তি ডেকে আনে। তবে এরা যত্নশীল হয়ে থাকেন। এদের অতিরিক্ত সন্দেহ সংসারে ঝামেলার সৃষ্টি করে।

    A বা ‘অ/আ নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা ভালোবাসার কাঙ্গাল হয়ে থাকেন। সংসার ঠিকমত চালালেও এই একটা কারণে সংসারের শান্তি বিনষ্ট হয়। তারা নিজের স্বামীতে সন্তস্ট হন না। তাদের ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা প্রবল হওয়ায় স্বামীর কাছে কিছু না পেলে রেগে যান। তারা চান স্বামী যেকোনো কাজ করার পূর্বে স্ত্রীর পরামর্শ নেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তা না করলে তারা অসন্তস্ট হন। যার ফলে সংসারে অশান্তি নেমে আসে।

    K বা ‘ক নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা দৃঢ় সংবেদনশীল সম্পন্ন মানুষ হয়েথাকেন। নিজের সংসারের দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করে থাকেন এনারা। সাংসারিক সকল সমস্যার এনারা নিজেরাই সব কিছু রক্ষা করেন।

    কিন্তু কিছু কথা গোপন করার কটুতা এনাদের মধ্যে থাকে। তারা চান তাদের স্বামী যেন তাদের কথা মতন চলে। তা না করলে তারা অসন্তুষ্ট হন। ফলে সংসারে নানান রকম কলহ ও অশান্তির সৃষ্টি হয়।

  • বাংলা ৬ সিনেমায় বাস্তবেই সহবাস করতে হয়েছে নায়ক-নায়িকার

    বাংলা ৬ সিনেমায় বাস্তবেই সহবাস করতে হয়েছে নায়ক-নায়িকার

    সিনেমা মানেই গল্প আর অভিনয়ের মেলবন্ধন। তবে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণে অনেক সময় নির্মাতারা সাহসী দৃশ্যের আশ্রয় নেন। বাংলা চলচ্চিত্রেও রয়েছে এমন কিছু সিনেমা, যেগুলোতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক। এসব সিনেমার মধ্যে কিছু দৃশ্য বাস্তবতাকে এতটাই স্পর্শ করেছে যে, তা নিয়ে দর্শকের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহলের ঝড়।

    চলুন দেখে নিই এমন কিছু আলোচিত বাংলা সিনেমা:

    ১. কসমিক সেক্স (২০১৪) ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    বাউল দর্শনের ভাবনায় নির্মিত এই সিনেমায় আত্মা ও শরীরের সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এক বিশেষ দৃষ্টিকোণে। পরিচালক অমিতাভ চক্রবর্তীর ছবিতে রি’র অভিনয় ছিল ব্যতিক্রমী ও সাহসী।

    ২. ছত্রাক (২০১১) ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    শ্রীলঙ্কান নির্মাতা ভিমুক্তি জয়াসুন্দর পরিচালিত এই ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল। পাওলি দামের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ফাঁস হওয়ার পর তা নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। সাহসী উপস্থাপনার কারণে ছবিটি দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

    ২. বেডরুম (২০১২) ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত এই ছবি মূলত সম্পর্কের জটিলতা ও মানসিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে তৈরি। তবে এর কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যও তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়। অভিনয়ে ছিলেন আবির চট্টোপাধ্যায়, পাওলি দাম, পার্নো মিত্র প্রমুখ।

    ৩. নাগরদোলা (২০০৫) ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    রাজ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় তৈরি এই ছবিতে নারীর মনস্তত্ত্ব এবং যৌনতা নিয়ে এক ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহসী অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়।

    ৫. অন্তরমহল (২০০৫) ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনায় এই সিনেমায় ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাজব্যবস্থা ও নারীর অবস্থান নিয়ে নির্মিত এক শক্তিশালী চিত্রনাট্য দেখা যায়। সাহসী দৃশ্য থাকলেও শিল্পগুণের কারণে ছবিটি প্রশংসিত হয়। অভিনয়ে ছিলেন সোহা আলি খান, জ্যাকি শ্রফ ও অভিষেক বচ্চন।

    ৬. গান্ডু ভিডিও দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন

    এই ছবি মুক্তির আগেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এর অতিরিক্ত খোলামেলা দৃশ্যের কারণে। অনেক দর্শক হলে বসে থাকতে পারেননি। তবুও ছবির নির্মাণশৈলী ও ভিন্নধর্মী প্রকাশভঙ্গি একে করেছে অনন্য।

    এই ছবিগুলোর সাহসী উপস্থাপনা যেমন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তেমনি চলচ্চিত্রশিল্পে নতুন এক প্রশ্নও তুলেছে—শিল্পের প্রয়োজনে সাহস কতদূর যেতে পারে? তবে এক কথায় বলা যায়, এসব ছবির পেছনে ছিল না শুধুই দৃশ্যের ঝলক, বরং ছিল গভীর বার্তা ও চিন্তার খোরাক।

  • বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্মদানের শীর্ষে রয়েছে ৪টি দেশ

    বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্মদানের শীর্ষে রয়েছে ৪টি দেশ

    বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্মদানের শীর্ষে রয়েছে ৪টি দেশ
    বিবাহবহির্ভুত সন্তান জন্মদানে ইউরোপের দেশগুলোতে শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে ১০০ শিশুর মধ্যে ৬০ জনের বাবা-মা বিয়ে ছাড়াই তাদের সন্তান জন্ম দেন। পরিবার গঠন, সন্তান জন্মদান এবং লালন-পালনের জন্য বিয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী প’দ্ধতি। কিন্তু পশ্চিমা আধুনিক সভ্যতায় সেই ঐতিহ্য দিন দিন গু’রুত্ব হারাচ্ছে। যার প্রমাণ মিলে পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্টেটের এক জরিপে।

    ২০১৮ সালে ইউরোপে বিবাহবহির্ভূত সন্তান জন্ম দেয়ার হার দাঁড়ায় ৪২ শতাংশ। ২০০০ সালে এ হার ছিল ২৫ শতাংশ। গেলো ১৮ বছরে বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্ম দেয়ার হার বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

    বর্তমানে ওই অঞ্চলের দেশগু’লোতে জন্ম গ্রহণ করা শতকরা ৪২টি শিশুর বাবা-মা বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে জরিপটি পরিচালনা করা হয়।

    অবাধ মেলামেশার জন্য ফরাসীরা বিয়ের সম্পর্কে জড়ায় না।এক্ষেত্রে রাষ্ট্রেরও কোনো বাধা নেই। বিয়ের পর আলাদা ‘’হতে চাইলে স্ত্রীকে সম্পদের অর্ধেক দিতে হয়। সন্তান থাকলে আরো বেশি।

    সন্তান তার মায়ের কাছে থাকার আইনি অধিকার পায়। এ কারণে সন্তান জন্মদানে সক্ষমতা থাকা অবস্থায় বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে কম। ফ্রান্সের পরই আছে বেলজিয়াম।

    সেখানে ৫৮ দশমিক ৫ দশমিক শিশুর মা-বাবা পরস্পর স্বামী-স্ত্রী নয়। স্লোভেনিয়া ও পর্তুগালে এ হার ৫৭ দশমিক ৭ এবং ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ। পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশি তারিকুল হাসান আশিক বলেন,

    দুজনের মধ্যে সারাজীবন একস’ঙ্গে থাকতে পারার মতো মানসিক মিল খুঁজে পেলে কেবল তারা বিয়ের চিন্তা করে।ক্যারিয়ারের জন্য বিয়েতে জড়ায় না অনেকে। বিয়ে ছাড়া, নারী-পুরুষের সম্পর্ক বিচ্ছেদে আইনি ঝামেলাও নেই।

    বনাবনি হলো না ছেড়ে দিলো। আর সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয় রাষ্ট্র। বিয়ে ছাড়া সম্পর্কে সন্তান থাকলে শুধু অভিভাবকত্বের বিষয়টি সুরাহা হলেই আর কোনো সমস্যার মুখোমুখি ‘’হতে হয় না।

    সুইডেন, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, নেদারল্যান্ডসেও এ হার ৫০ শতাংশের উপরে। বেলজিয়াম, চেচনিয়া স্পেন, ফিনল্যান্ড, হা’ঙ্গেরি, অস্ট্রিয়ায় জন্ম নেয়া শিশুদের ক্ষেত্রে এ হার ৪০ শতাংশের বেশি। এ তালিকায় ১৯ নম্বরে ইতালি।

    দেশটিতে ৩৪ শতাংশ শিশুদের বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী নয়। জার্মানিতে এ হার ৩৩ শতাংশ।জরিপ অনুযায়ী ইউরোপে দেশটির অবস্থান ২০ নম্বরে।ইউরোপে তুলনামূলক জার্মানিতে বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্মদানের হার কিছুটার কম।

    বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্মদানকে আদি জার্মানরা অনৈতিক মনে করে। সন্তান পালনের জন্য শুধু মা কিংবা যথেষ্ট নয়। স্বামী-স্ত্রী দায়িত্ব ভাগাভাগির মাধ্যমে সন্তান লালনে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন তারা।

    ক্যারিয়ার সচেতন হওয়ায় বিয়ের আগে সন্তান নিয়ে একা শিশু লালন-পালনের ঝুঁকিও নিতে চায় না জার্মানরা। এছাড়া, বিয়ের পর সন্তান নিলে অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয় জার্মান সরকার।

    বিবাহিতদের চাকরি পেতে অন্যদের তুলনায় গু’রুত্ব বেশি দেয়া হয়। সন্তান থাকলে গু’রুত্বের পাশাপাশি সরকার ভাতা দেয়।বাড়ি পেতে সুবিধা হয়। ২ বছর মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়া যায়। যা বিয়ে ছাড়া সম্ভব নয়।

  • বিয়ের পর থেকেই রাতে ৫ বারের পরও আবার চাইতো, বলেই কেঁদে ফেললো

    বিয়ের পর থেকেই রাতে ৫ বারের পরও আবার চাইতো, বলেই কেঁদে ফেললো

    আ’সক্তিকে একটি রো’গ হিসাবে তালিকাভুক্তি এবং চিকি’ৎসার জন্য দা’বি তুলেছে দাতব্য প্রতিষ্ঠান রিলেট। যুক্তরাজ্যের জাতীয় চিকিৎ’সা সেবার মধ্যে সেটিকে অন্তর্ভুক্ত করার দা’বি করছেন। বিবিসির স’ঙ্গে কথা বলেছেন এমন দুইজন রো’গী, যারা অনেকদিন এই স’মস্যাটি মো’কাবেলা ক’রেছেন।

    তিন সন্তানের জননী রেবেকা বার্কার বলছেন, ”এটা ছিল অসহ্য একটি ব্যাপার যে, দিনে পাঁচবার করার পরেও তা আমা’র জন্য যথেষ্ট ছিল না।”প্রতা’রণা করার বদলে তিনি তার সঙ্গীকে বার’বার মিলিত হতে বলতেন। ”ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমা’র মাথায় প্রথমে আসতো। অনেক চেষ্টা করেও সেটা আমি মাথা থেকে সরাতে পারতাম না।

    বলছেন ৩৭ বছরের নর্থ ইয়র্কশায়ারের এই বাসিন্দা।” মিজ বার্কার বলছেন, ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমা’র মাথায় প্রথমে আসতো” সবকিছুর স’ঙ্গে যেন আমি এর মিল খুঁজে পেতাম। আমি মনে করি, এটা আমা’র বিষণ্ণতা আর সেরোটোনিনের অভাবের স’ঙ্গে জড়িত ছিল। আমা’র পুরো শ’রীর যেন এটাচাইতো।”

    আরও পড়ুন : ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সাদিয়া জাহান প্রভা। নাটকে দীর্ঘ সময় পার করছেন এ অভিনেত্রী। ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভক্তদের স’ঙ্গে সরাসরি আড্ডা দেন তিনি। রূপ আর অভিনয়গুণে পরিপূর্ণ এই অভিনেত্রী। যত দিন যাচ্ছে, বাড়ছে অভিনয় দক্ষ’তা।

    ক্যামেরা-অ্যাকশন ছাপিয়ে ব্য’ক্তিজীবনেও তিনি খুবই উ’চ্ছ্বসিত এক নারী। তবে প্রভা বিভিন্ন সময় নানা কারণে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন। মাঝে ব্য’ক্তিগত কারণেও স’মালোচনার মুখে প’ড়েতে হয়েছে তাকে। তবে সব কিছুকে পেছনে ফে’লে নিয়মিত মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

    প্রভাকে নিয়ে মানুষের জা’নার আগ্রহেরও কমতি নেই। সেই জা’নার আগ্রহ থেকেই প্রভার কাছে জানতে চাওয়া হয় ‘মা’ হওয়ার ব্যাপারে।জবাবে প্রভা বললেন, ‘পরের মেয়ে’ নাটকে আমা’র মেয়ের চরিত্রে অভিনয় ক’রেছেন আরিয়ানা। আরিয়ানার স’ঙ্গে অভিনয় করার আগে কখনো মা হতে ইচ্ছে করেনি। আরিয়ানার স’ঙ্গে অভিনয়

    ক’রতে গিয়ে, ওর আদরমাখা মুখ আর বাচ্চামিতে মনটা ভরে উঠেছে আমা’র। কোনদিন তার মন খা’রাপ, সেটাও তার মুখ দেখে বুঝে ফে’লে ছোট্ট আরিয়ানা। আর তাই এখন তার মনে হয়, ‘যদি আরিয়ানার মতো আমা’র একটা বেবি থাকত!’ এদিকে কয়েকদিন আগে অভিনেতা আব্দুন নূর সজলের স’ঙ্গে ‘অনুশোচনা’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় ক’রেছেন প্রভা।