গবেষণাটি চালানো হয় ক্রেজি ক্যাপশনদের একদল সৃষ্টিশীল সদস্য দ্বারা, এই কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সিনিয়র আপুদের বিয়ে করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় এমন প্রমাণ পেয়েছেন তারা। গবেষণার ভাষ্যমতে, এটির কারণ হতে পারে মানসিক চাপের হ্রাস ও জীবনের আনন্দময়তা বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখা।
তদন্ত কমিটির মুখপাত্র ডা. রাবিয়া হোসেন জানান, “সিনিয়র আপুদের বিয়ে মানেই তাদের জীবনে নতুন এক অধ্যায় শুরু করা, যেখানে তারা পরিবারের সহায়তায় নিয়মিত জীবনযাপন করে থাকে। এছাড়া নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে, যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।” গবেষণার এক পর্যায়ে আরও বলা হয়েছে যে, সিনিয়র আপুরা বিয়ে করে সুখী সংসারে মগ্ন হলে শরীর থেকে স্ট্রেস হরমোন কমে এবং হাসিখুশি থাকার ফলে ক্যান্সারের কোষগুলোর বৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হয়।
এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিয়ের প্রস্তাবগুলো সিনিয়র আপুদের ইনবক্সে লাইন ধরে অপেক্ষায় আছে। তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মতে, সিনিয়র আপুদের চা-কফির অভ্যাসও ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে, কারণ বিয়ের পর তারা বন্ধুদের সঙ্গে কফি খাওয়ার পরিবর্তে স্যুপ, ফলের রস ও স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝোঁকে।
লিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঞ্চালনায় সম্প্রতি শুরু হয়েছে ভারতে সবচেয়ে বড় টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’-এর ১৬তম সিজন। এই সিজনে উপস্থিত হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার নাগরিক কিলি পল।
শুধু বিগ বসের ঘরেই না, কিলি পলকে দেখা যাবে ড্যান্স রিয়্যালিটি শো ‘ঝলক দিখলা জা’-এর সিজন দশে। যেখানে মাধুরী দীক্ষিত ও নোরা ফাতেহির সঙ্গে নাচতেও দেখা যাবে কিলিকে।
সম্প্রতি ‘ঝলক দিখলা জা’-এর প্রোমো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছে কালারস টিভি। সেখানে দেখা যায়, মাধুরী দীক্ষিত ও নোরার সঙ্গে নাচছেন কিলি।
ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া মাধুরীর সিনেমা আনজাম-এর গান ‘চান্নে কে খেত মে’-তে অভিনেত্রীর সঙ্গে নাচছেন কিলি ।
এছাড়াও গায়ক গুরু রনধাওয়ার গান ‘ড্যান্স মের রানি’তে প্রতিযোগীদের সঙ্গে নাচেন কিলি।
‘ঝলক দিখলা জা’র মঞ্চে কিলির পারফর্ম করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে।
কিলি বলেন, ‘আমার কাছে নাচের আনন্দের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা হয় না। আমি ঝলক দিখলা জাতে যোগ দিতে পেরে রোমাঞ্চিত। আমি ভারত থেকে এবং সবার কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি। আমি ভারতের সংস্কৃতি এবং বলিউডে আবদ্ধ।’
তানজানিয়ার এই সোশ্যাল মিডিয়া স্টার আরও বলেন, ‘এই শোতে দুর্দান্ত নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে পা মেলানো আমার জন্য আশ্চর্যজনক। এই শোতে সেরা কিছু স্মৃতি তৈরি হয়েছে আমার। আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রতিযোগী এবং বিচারক করণ জোহর, মাধুরী দীক্ষিত এবং নোরা ফাতেহিকে ধন্যবাদ জানাই।’
‘ঝলক দিখলা জা’ শোটি বর্তমানে বিচারক হিসেবে রয়েছেন মাধুরী দীক্ষিত, নোরা ফাতেহি এবং করণ জোহর।
কিলি বলিউড সিনেমার গানে ঠোঁট মেলানো এবং নাচের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমূল জনপ্রিয়। ইনস্টাগ্রামে ৪০ লাখের বেশি ফরোয়ার তার।
সারারাত ঘুম হয়নি।নতুন বিয়ে হয়েছে। বিয়েটা পরিবার থেকেই হয়েছে।দেড় মাস হলো বিয়ে হয়েছে আর সেদিন থেকেই ঘুমাতে পারিনা। অথচ এই বিয়ে নিয়ে কত্ত স্বপ্ন দেখতাম!! ছিমছাম, সুঠাম দেহের হ্যান্ডসাম রাজপুত্রের মতো দেখতে একটা ছেলের সাথে আমার বিয়ে হবে। কত রোমান্টিক কথা বলবে, একসাথে কত্ত মধুর স্মৃতি, কত্ত জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবে!! তার সাথে রাত জাগারও প্ল্যান ছিল।
কিন্তু সেই রাত জাগা আর এখনকার রাত জাগার মধ্যে অনেক তফাৎ। ইচ্ছে ছিল আমরা একসাথে রাতের বেলা বেলকনিতে বসে কফি খাবো আর জোৎস্না দেখবো, কোন কোন দিন রাতে ছাদে শুয়ে শুয়ে চাঁদের আলো গায়ে মাখবো, হয়তোবা কখনো কখনো তারা গুনবো। একটা সিনেমা সিনেমা ফিলিংস থাকবে।কিন্তু কি পেলাম আমি?? পেলাম তো এক ভুড়িওয়ালা কালো চামড়ার বিরক্তিকর লোককে,
যে সারারাত নাক ডেকে ডেকে ঘুমোয়।ঘুমের ঘোরে সে অনবরত হাত পা ছুঁড়তে থাকে। আমাকে সে মাঝে মাঝে এমন ভাবে কোলবালিস বানিয়ে ঘুমোয় যে আমার নিঃশ্বাস আটকে যেতে চায়।।। আর আমাকে জেগে থাকতে হয়। প্রথম প্রথম খুব মেজাজ খারাপ হতো, রাগ লাগতো নিজের ভাগ্যের উপর।কিন্তু এখন আরএকটুও খারাপ লাগেনা। দিন যাচ্ছে আর মনে হচ্ছে এই বিষয়টা আমি ইনজয় করছি। দিনকে দিন আমার ধারণা, ভালো লাগা- খারাপ লাগার ধরণ চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। আমার বরের নাম সোহানুর রহমান। আমি এখনও সামনাসামনি নাম ধরে ডেকে উঠতে পারিনি। ২০-২১ বছরের একটা মেয়ের পক্ষে ৩২-৩৩বছরের একটা ভুড়িওয়ালা লোকের নাম ধরে ডাকা কি সম্ভব?? আমি সোহানকে এখনো আপনি করেই ডাকি।। তুমি বলতে অস্বস্তি লাগে। সোহান একটা প্রাইভেট জব করে।
সোহানকে স্পেশালি আমার বাবার খুব পছন্দ। বাবার পছন্দের কারণেই আমার বিয়েটা করা। বয়সের এত্ত গ্যাপ থাকার কারণে এবং প্রথম অবস্থায় সোহানকে পছন্দ না হওয়াতে আমি অনেক আপত্তি করেছিলাম বিয়েতে। কিন্তু ওই যে কপালের লিখন না যায় খন্ডন।বিয়েটা হয়েইগেলো।
সোহান অফিস যাওয়ার পর শুয়ে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময়ে দরজায় কলিং বেল বাজলো ২ বার। চোখ খুলে দেখলাম ১১.২৫ বাজে।এই সময় আবার কে আসবে ভাবতে ভাবতে গেট খুলে দেখি সোহান। একি আপনি?? এই সময়? কিছু হয়েছে কি?? আপনি তো এই সময় আসেননা।দাঁড়াও দাঁড়াও এত প্রশ্ন একসাথে করলে উত্তর দেবো কি করে?? এক গ্লাস পানি দাও আগে।। আর হ্যাঁ শোন পানিতে বরফ দিও একটু। আমি পানি নিতে এগুতে এগুতে বললাম দরজাটা লাগিয়ে দিন।। তারপর একগ্লাস নরমাল পানি দিলাম তাকে।একি পানিতে বরফ দাওনি? পানিটা তো গরম হয়ে আছে।। ওইটা খেয়ে তৃপ্তি হবেনা।না হলে না হবে। ভুলে গেলেন কয়েকদিন আগে ঠান্ডা পানি খেয়ে কি অবস্থা হয়েছিল?? আজব যেটা খেলে সমস্যা হয় সেটা খান কেন?? ওরে বাবা! ঠিকআছে ঠান্ডা পানি আর খাবোনা যাও। কিন্তু আমার বৌ-টা রাগ করলে তো আরো সুন্দর লাগে?? দেখি একটু কাছে আসো তো!আহ্ কি করছেন কি বলুন তো? ভীমরতি ধরেছে নাকি??
যান ফ্রেশ হয়ে আসুন। আমি চা বানাচ্ছি।।ঠিক আছে! যাচ্ছি। ইয়ে মানে বলছিলাম কি চায়ে একটু চিনি বেশী দিও কেমন??এই লোকটাকে প্রথম প্রথম খুব বেশি বিরক্ত লাগতো, যদিও মুখে প্রকাশ করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে মনে হয় একটু একটু ভালো ও লাগছে। নাহ একটু না, অনেক বেশী ভালো লাগছে। প্রথম প্রথম যেগুলা অসহ্য লাগতো এখন সেগুলাই ভালো লাগছে। আচ্ছা আমি কি ওনার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি নাকি??এই যে নিন আপনার চা।।আদা চা করেছি আর হ্যাঁ, চিনি ছাড়া। এটাই খেয়ে নিন। আপনার এখন থেকে কিছু কিছু জিনিস কন্ট্রোল করতে হবে। এ নিয়ে আর কোন কথা বলা যাবেনা। ইয়ে এক চামুচ তো দিতে পারো তাইনা?এক চিমটি ও না। ওটাই খেয়ে নিন। এখন বলুন তো এত্ত আগে কেন আসলেন আজকে?? কিছু হয়েছে??আজ একটা কাহিনী ঘটেছে। আমার এক কলিগের বড় বোনের জন্য রক্তের দরকার ছিল। কোথাও পাচ্ছিলনা,আর আমার সাথে মিলে গেলো তাই আমি ডোনেট করলাম।
এই জন্য আজ বস ছুটি দিয়ে দিল।মানে কি? আপনি ব্লা;ড ডোনেট করে এসেছেন? আর আমি কিছুই জানিনা? আমাকে বলার প্রয়োজন মনে করেননি??না, তা না। আসলে ভাবলাম তুমি যদি টেনশন করো! বয়েই গেছে আমার টেনশন করতে। আচ্ছা স্যালাইন খেয়েছেন? আর ডাব খেয়েছেন কি? বাসায় তো কোনটাই নেই। আচ্ছা এতো অস্থির হচ্ছো কেন?? স্যালাইন খাইনি তবে জুস দিয়েছিল জুস খেয়েছি। আর আসার সময় একটা ডাব খেয়েছি।। ধুর! জুস খেয়ে কি হবে? সব কেমিক্যাল।ডাব টা কাজে লাগবে। দাড়ান এককাজ করি! পানি, চিনি আর লবণ দিয়ে স্যালাইন বানিয়ে আনি। আর একটা ডিম সেদ্ধ আনি।এই শোন শোন, এখন দরকার নেই। আসো, আমার পাশে একটু বসো, গল্প করি।।বসতে পারবোনা। আপনি ওয়েট করুন, আমি আসছি এখনি। ডিম সেদ্ধ, আর স্যালাইন বানিয়ে এনে দেখি “ও” ঘুমিয়ে পড়েছে। ওকে জাগাতে ইচ্ছা করছেনা।
কেন জানিনা ওর ঘুমানো দেখতে ভালো লাগছে। মানুষটার উপর কেন জানিনা মায়া পড়ে গেছে। কালো একটা মানুষ যে এত্ত সুন্দর হতে পারে আগে বুঝিনি।কালো অনেক মানুষ আছে যারা অনেক সুন্দর হয়। কিন্তু তারা কেউ আমার বরের মতো সুন্দর না। কি আজব যেই মানুষটাকেই কয়েকদিন আগে কুৎসিত মনে হতো তাকেই আজ সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ মনে হয়। তাকে কেউ খারাপ বললে সহ্য করতে পারিনা। আচ্ছা এটাই কি প্রেম?প্রেমে পড়েছি আমি?? কেন জানিনা ইচ্ছা করছে ওর কোলবালিশ হয়ে যাই।ও ঘুমোবে আর আমি দেখবো।।কখন যেন ঘুমিয়ে গেছিলাম নিজেও জানিনা। উঠে দেখি ২.৩৮ বাজে। কয়েক সেকেন্ড মনে হলো সব ভূলে গেছি। তারপর মনে হলো সোহান তো বাড়িতে আছে। একি! দুপুরেতো রান্নাই করিনি আজকে। ও খাবে কি?? আমি কখন কি করবো?
এমনিতে সকালে মানুষটাকে রাতের বাঁসি রুটি-তরকারি খেয়ে অফিসে যেতে হয়েছে। আবার দুপুরেও একটু খাবার রান্না করে দিতে পারলামনা?কিন্তু ও ই বা কোথায় গেলো? রান্না ঘরের দিকে গিয়ে দেখি মশায় রান্না করছেন।ওমা! একি!! আপনি? কি করছেন? আমাকে ডাকেননি কেন??তুমি ঘুমিয়ে পরেছিলে। তাই ডাকিনি। টি- টেবিলে স্যালাইন আর ডিম রাখা ছিল খেয়ে নিয়েছি। তারপর ভাবলাম আজ তোমাকে না ডাকি। একদিন না হয় আমি রা
ক্লাস রুটিন আর পরীক্ষার রুটিনের বাইরে ভিন্ন রকম এক রুটিন চালু করেছে রাঙ্গুনিয়ার এক কওমি মাদরাসাশিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন (নাছির হুজুর)। কোন রাতে কোন ছাত্রকে বলা’ৎকার করা হবে তা রীতিমতো রুটিনের মতো করে ঠিক করে রেখেছিলেন এই শিক্ষক।
উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের শাহ আহমদীয়া আজিজুল উলুম মাদরাসার এই শিক্ষক ছোট ছেলেশিশুদের প্রতি প্রবলভাবে আসক্ত। এই কাম’না চরি’তার্থ করতে তিনি প্রতি রাতে নতুন নতুন শিশু ব্যবহার করে আসছেন। নিউজটি সম্পন্ন পড়ুন দেশের জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা কালেরকণ্ঠ থেকে । ক্লিক করুন।
আরও পড়ুন : প্রাত্যহিক জীবনে নানা প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ব্লেডও একটি। কিন্তু খেয়াল করে দেখেছেন কি, ব্লেডের যে নকশা তা আজও অপরিবর্তিত!
কেন ব্লেডের এই নকশার বদল ঘটেনি, আর কেনই বা এই নকশা করা হয়েছে? যুগের পর যুগ একই স্টাইল ধরে রাখার রহস্য কি তা নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে করছে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ব্লেডের এই নকশা ও তা অপরিবর্তিত থাকার রহস্য-
১৯০১ সালে জিলেট কর্মসংস্থার প্রতিষ্ঠাতা কিং ক্যাম্প জিলেট এবং সহকর্মী উইলিয়াম নিক্সারসন একটি ব্লেডের ডিজাইন করে আমেরিকায় ব্যবসা শুরু করেন। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হবার ৩ বছর পর প্রথমে ১৬৫ টি ব্লেড প্রস্তুত করেন।
এরপর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। যাবতীয় চিন্তাভাবনা করেই ব্লেডের সঙ্গে রেজারের হাতল আটকানোর জন্য স্ক্রু ও নাট-বল্টু ব্যবহৃত হত। কেন অন্যান্য সংস্থাও এই স্টাইল ও নকশা অনুকরণ করল? কারণ হিসেবে জানা যায়, সে সময় একমাত্র জিলেটই রেজার তৈরি করত। তাই অন্যান্য সংস্থাও একই পথে হাঁটা শুরু করেছিল।
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরণের ব্লেড বের হলেও, যদি কেউ হঠাৎ ব্লেড কথাটা উচ্চারণ করে তাহলে কিন্তু সেই একই নকশার চেহারা চোখের সামনে ভেসে আসবে। এমনকি বিবিধ প্রশ্নও মাথাচাড়া দিয়ে উঠে আসতে পারে। তাই চিন্তা মুক্ত থাকাটাই শ্রেয়।