Author: News Live

  • সুন্দরী স্ত্রীর নিচে চাপা পড়ে প্রাণ গেলো স্বামীর

    সুন্দরী স্ত্রীর নিচে চাপা পড়ে প্রাণ গেলো স্বামীর

    সুন্দরী স্ত্রীর নিচে চাপা পড়ে প্রাণ গেলো স্বামীর
    live news August 28, 2025
    IMG_20250828_200652
    আরো একটি অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হল বিশ্ববাসী। যা ডাক্তার থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন, কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না। কিন্তু ঘটনা শতভাগ সত্যি!

    সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় পা পিছলে স্বামীর গায়ের ওপর পড়ে যান ১২৮ কেজি ওজনের স্ত্রী’। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, দুজনেরই মৃত্যু হয়।

    এ দম্পতি হলেন- নটবরলাল বিথালিনী ও মঞ্জু বিথালিনী। তারা থাকতেন ভারতের রাজকোটের অভিজাত কালাভাড় রোডের রমধাম সোসাইটিতে।

    মঙ্গলবার ভোরে ছেলে আশিসের শ্বাসকষ্টের খবর পেয়ে সিঁড়ি দিয়ে হুড়মুড়িয়ে উঠে ছেলের ঘরে যাচ্ছিলেন মঞ্জুলাদেবী। ঠিক আগেই ছিলেন স্বামী নটবরলাল।

    সে সময় পা পিছলে ১২৮ কেজির মঞ্জুলা স্বামীর ওপর পড়ে যান। নটবরলালের মাথায় মারাত্মক চোট লাগে, আহত হন মঞ্জুলাও।

    হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে দুজনেরই মৃত্যু হয়।

    এই দম্পতির ছেলে আশিসের স্ত্রী’ নিশা তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করলে পিছলে পড়েন তিনিও। পায়ে চোট নিয়ে তিনিও হাসপাতালে ভর্তি। জানা গেছে, রমধাম সোসাইটির দোতলা বাংলোর একতলায় থাকতেন ওই স্বামী স্ত্রী’, দোতলায় ছেলে আশিস ও পুত্রবধূ নিশা।

    সোমবার ভোর চারটে নাগাদ আশিসের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে নিশা নীচে ওষুধ আনতে যান। তখনই বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।

  • চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

    শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের

    যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

    আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ

    একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।

  • ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড স্কোর: ‘মেডিকেলে পড়তে চাই না’ লিখে নিজেকে শেষ করলেন শিক্ষার্থী

    ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড স্কোর: ‘মেডিকেলে পড়তে চাই না’ লিখে নিজেকে শেষ করলেন শিক্ষার্থী

    ভারতের মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলার ১৯ বছর বয়সী অনুরাগ অনিল বোরকা নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি দেশটির জাতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (এনইইটি ইউজি-২০২৫)–এ ৯৯.৯৯ পারসেন্টাইল পেয়ে ওবিসি ক্যাটাগরিতে অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক ১৪৭৫ অর্জন করেছিলেন। তবুও চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদেনে বলা হয়, অনুরাগ ছিলেন সিন্দেওহি তালুকার নওয়ারগাঁওয়ের বাসিন্দা। পরিবারের সঙ্গে বসবাসকারী এই মেধাবী শিক্ষার্থীকে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। সেদিনই সকালে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিষয়বস্তু প্রকাশ না করা হলেও তদন্তকারী সূত্রগুলো জানায়, অনুরাগ সেখানে লিখেছেন তিনি চিকিৎসক হতে চান না। বর্তমানে নওয়ারগাঁও পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে

    কিশোর-কিশোরীদের ওপর একাডেমিক চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা মানসিকভাবে ভীষণ প্রভাব ফেলে। পড়াশোনা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, সেটি জীবনের পুরোটা নয়—এমনটি মনে রাখা জরুরি। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা, অনুভূতি ভাগাভাগি করা চাপ সামলাতে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

  • মুখ অতিরিক্ত ঘামে কেন, এর সমাধান কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

    মুখ অতিরিক্ত ঘামে কেন, এর সমাধান কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

    ঘাম শরীরের স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। গরমে বা তীব্র গরমের সময় শরীর ঘামলে তা কিছুক্ষণ পর শরীরকে ঠান্ডা করে। এ জন্য ঘামকে শরীর ঠান্ডা করার জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের রূপকও বলা হয়। কিন্তু সেই ঘাম যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে তা চিন্তার বিষয়। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ঘাম হওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয়।

    ঘাম পুরো শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে হতে পারে। গরমের সময় ব্যায়াম করলে বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। আবার কোনো ওষুধ সেবনের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও বেশি ঘাম হতে পারে―যা খুব কম সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম স্পষ্টতই অস্বাভাবিক।

    এ ব্যাপারে কথা বলেছেন ভারতের স্কিন ক্রাফট ল্যাবসের প্রধান ডা. কোস্তভ গুহ। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, অনেকেই অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে চিন্তিত। ঘাম সাধারণত ভালো নয়। এরপরও শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘামের প্রবণতা থাকলে হাইপারহাইড্রোসিসের সমস্যা থাকতে পারে।

    এ চিকিৎসক বলেন, মুখ ও মাথা ঘামার অর্থ হচ্ছে ক্রেনিওফেইশল হাইপারহাইড্রোসিস। এ জন্য শরীর থেকে ঘাম বের হয়ে শীতল হয়, তাপমাত্রা কমে যায় কিন্তু হাইপারহাইড্রোসিস হলে কোনো কারণ ছাড়াই বেশি ঘাম হয়। এমনকি শরীর ঠান্ডা করারও প্রয়োজন হয় না। শতকরা প্রায় দুই-তিনজন এই সমস্যায় ভোগে থাকেন।

    অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ:
    এ ব্যাপারে চিকিৎসক কোস্তভ বলেন, হাইপারহাইড্রোসিস ছাড়াও বংশগত, দীর্ঘ ঘামগ্রন্থি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি, অতি আবেগ, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ এবং চিকিৎসাগত কারণেও মুখ ও মাথায় অস্বাভাবিক ঘাম হতে পারে।

    ভারতের পুনেতে অবস্থিত কোরেগাঁও পার্কের ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. হিতাশা পাতিল একটি তালিকায় হাইপারহাইড্রোসিসের কিছু সাধারণ লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে হাতের তালু, পায়ের তলা, বাহুমূল ও মুখ ঘামা। মুখ অতিরিক্ত ঘামার কারণ হচ্ছে একক্রিন গ্রন্থির অতিরিক্ত উত্তেজনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না। যদিও এটি বংশগত হতে পারে। আবার কখনো উদ্বেগ, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, মেনোপেজ, ইনসুলিন, পাইলোকারপাইন ইত্যাদি ওষুধজনিত কারণেও হতে পারে।

    অতিরিক্ত ঘাম বন্ধের উপায়:
    অতিরিক্ত ঘাম ক্ষতিকর নয়। তবে এটি ব্যক্তির আত্মসম্মান কমায় এবং কখনো বিব্রতবোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনো এটি সম্পর্কে প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে। এ জন্য এর চিকিৎসা প্রয়োজন। ডা. হিতাশা পাতিল মুখের অতিরিক্ত ঘাম কমাতে পারে এমন কয়েকটি উপায় জানিয়েছেন।

    অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করা। বোটক্স ঘামগ্রন্থির স্নায়ুকে নিষ্ক্রিয় করে। যা প্রায় ৮ মাস বা এরও বেশি সময় স্থায়ী হয়। অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ সেবন করতে পারেন, এটি মুখের ঘাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো অবস্থা কাটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত ওষুধও অতিরিক্ত ঘাম সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হচ্ছে পাউডার ব্যবহার করা। এছাড়া সবশেষ উপায় হচ্ছে সার্জারির মাধ্যমে স্নায়ু কেটে ফেলা।