Author: News Live

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে শেখ হাসিনা

    নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে শেখ হাসিনা

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের কার্যাদেশে অনিয়ম, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুতির পর ভারতে পালিয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন।

    দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অপর ১৬ জন হলেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী (অর্থ ও পরিকল্পনা) এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল, সাবেক উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল ও ইবনে আলম হাসান, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আফতাব হোসেন খান ও আব্দুস সালাম, সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজীর আহমেদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    দুদকের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থার সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

    আবেদনে বলা হয়, ‘একক উৎসভিত্তিক দরপত্র’ আহ্বান করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড (সিএনএস) শতকরা ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ (ভ্যাট ও আইটি ব্যতীত) ৫ বছর মেয়াদে কার্যাদেশ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। এতে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়। যা আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আত্মসাৎ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা দেশত্যাগ করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।

    গত ১২ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সংস্থাটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১–এ দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়কারী হিসেবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেডকে নিয়োগ দিতে আগের দরপত্র ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল’ করে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

    অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে বাদ রেখে কেবল সিএনএস লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য টোল আদায়ের চুক্তি করা হয়। এতে সার্ভিস চার্জের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক না করে হার বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এই হার ছিল আদায় করা টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ (ভ্যাট ও আয়কর ব্যতীত)।

    দুদক বলছে, এ চুক্তির আওতায় সিএনএস লিমিটেড মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। অন্যদিকে ২০১০-২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল আদায়ের জন্য এমবিইএল-এটিটি মাত্র ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় কাজ করে। পরবর্তী সময়ে ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় (ভ্যাট ও আয়করসহ) কার্যাদেশ দেওয়া হয়, যা পাঁচ বছরে রূপান্তর করলে দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

    দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সিএনএস লিমিটেড কথিত ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন ও অবকাঠামো ব্যয়’ বাবদ আরও ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দাবি করে।

    তুলনামূলক বিশ্লেষণে দুদক মনে করছে, সিএনএস লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেওয়ার ফলে সরকারের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা।

    দুদক বলছে, সিএনএস লিমিটেডের পরিচালক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে এ অনিয়ম করেছেন।

  • মহিলার সঙ্গে নেতার ন/ গ্ন ভিডিও ভাইরাল! জানামাত্রই অপসারণের সিদ্ধান্ত দলের

    মহিলার সঙ্গে নেতার ন/ গ্ন ভিডিও ভাইরাল! জানামাত্রই অপসারণের সিদ্ধান্ত দলের

    সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল এক মহিলার সঙ্গে চাকদহের তৃণমূল নেতার নগ্ন ভিডিও। যা নিয়ে তুমুল শোরগোল এলাকায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই ভিডিওটি নিজের তা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত। তারপরই পদ থেকে সরানো হয় অভিযুক্তকে।

    জানা গিয়েছে, নদিয়ার চাকদহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নারায়ণ মণ্ডল। দিন কয়েক আগেই এক মহিলার সঙ্গে তাঁর একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়ায়। যা বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ভিডিওর সত্যতা স্বীকার করেছেন চাকদহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবকৃষ্ণ মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, ফেসবুকে এই ভিডিও দেখার পরই তিনি নারায়ণ মণ্ডলকে ফোন করে বিষয়টি জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণ নাকি সবটা স্বীকার করে নিয়েছেন। এরপরই জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে চাকদহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতির পদ থেকে নারায়ণ মণ্ডলকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এলাকারই বাসিন্দা চিকিৎসক দিবাকর চক্রবর্তীর দাবি, নারায়ণ জমি মাফিয়াদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। ভূমিদপ্তরের কিছু আধিকারিকদের সঙ্গেও ওই তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। অভিযোগ, মহিলাদের নানান প্রলোভন দেখিয়ে ভূমিদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে সহবাস করাতে বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেতেন তিনি। পরে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অংকের অর্থ উপার্জন করেন। এই টাকার ভাগ অনেকেই পান বলে দাবি চিকিৎসকরে। তাঁর আরও দাবি, এবার নিজের জালেই ফেঁসে গিয়েছেন ওই চিকিৎসক।

  • দিনে কত বার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক? জানেন কোন বিপদের ইঙ্গিত

    দিনে কত বার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক? জানেন কোন বিপদের ইঙ্গিত

    মানুষের ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া অত্যন্ত অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। সাধারণভাবে, ঘন ঘন প্রস্রাব মানে হলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ বোধ করা এবং বারবার প্রস্রাব করা। এটি দৈনন্দিন জীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এবং ঘুমেও ব্যাঘাত আনে।

    অনেকেই শুরুতেই চিকিৎসা ছাড়াই এন্টিবায়োটিক খেতে শুরু করেন, যা বহু ক্ষেত্রে উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    🔹 কখন সমস্যা হিসাবে গণ্য হয়
    দিনে ৪–৫ বার প্রস্রাব হওয়া সাধারণ। তবে তার চেয়ে বেশি হলে তা চিন্তার বিষয়। ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস—এমন নয়। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন-

    অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা ক্যাফিন সেবন

    ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই)

    পেলভিক অঞ্চলের সমস্যা

    কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

    🔹 ব্লাডারের অতি সক্রিয়তা
    এ সমস্যা হলে ব্লাডার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কাজ করে। অনেকের ক্ষেত্রে মূত্রথলি থেকে ছোট ছিদ্র দিয়ে মূত্র চুঁইয়ে পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

    🔹 সম্ভাব্য কারণ
    ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন: কিডনি বা মূত্রথলির সংক্রমণ

    আউটফ্লো অবস্ট্রাকশন: বিশেষত পুরুষদের প্রস্টেট সমস্যা

    নিউরোলজিক সমস্যা: পারকিনসন, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস বা স্ট্রোকের পর

    দৈনন্দিন ওষুধ: উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ (ল্যাসিক্স, ডাইয়ুরেটিক্স)

    মদ্যপান ও কফি অতিরিক্ত সেবন

    🔹 ঝুঁকি কারা বেশি?
    মহিলাদের মধ্যে মেনোপজ পরবর্তী রিস্ক বেশি

    পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্টেট সমস্যাযুক্তদের ঝুঁকি বেশি

    🔹 চিকিৎসা ও পরামর্শ
    লক্ষণ দেখা দিলে ইউরিন কালচার, ব্লাডার ক্ল্যান, সিস্টোস্কোপি ও ইউরোডায়নামিক টেস্টিং করে ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডার রোগ নির্ণয় করা হয়।

    ঘরোয়া প্রতিকার ও যত্ন:
    কফি, ক্যাফিন জাতীয় পানীয়, কার্বনেটেড ড্রিংক, মিষ্টি ও অ্যাসিডিক খাবার বর্জন করুন

    ওজন বেশি হলে তা কমান

    পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ করুন

    সারাদিনে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বাথরুমে যান

    সমস্যা থাকলে ডায়েরি রাখুন, যা চিকিৎসায় সাহায্য করবে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক চিকিৎসা ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।