Author: News Live

  • পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের ৫ ধাপ উন্নতি: ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যেসব দেশে

    পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের ৫ ধাপ উন্নতি: ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যেসব দেশে

    বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বড় ধরনের উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। লন্ডনভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স’ প্রকাশিত ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ ধাপ এগিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫তম, যা গত বছরের শেষে ছিল ১০০তম।

    পাসপোর্টের ক্ষমতা ও গন্তব্য: ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)-এর তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই সূচক অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের ৩৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুবিধা পাবেন। যদিও অবস্থানে উন্নতি হয়েছে, তবে ভিসা-মুক্ত সুবিধার তালিকায় গন্তব্যের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় খুব একটা বাড়েনি।

    ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণের তালিকা: নতুন সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলে বার্বাডোস, ভুটান, ডোমিনিকা, ফিজি, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার মতো আকর্ষণীয় পর্যটন দেশগুলোতে ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, এর মধ্যে কিছু দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল) নিতে হয় এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে অনলাইন ই-ভিসার প্রয়োজন হতে পারে।

    বিশ্বের শীর্ষ ও তলানির দেশসমূহ:

    শীর্ষে সিঙ্গাপুর: ১৯২টি দেশে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর।

    দ্বিতীয় স্থানে: যৌথভাবে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া (১৮৮টি দেশ)।

    সর্বনিম্নে: সূচকের তলানিতে রয়েছে আফগানিস্তান (১০১তম), সিরিয়া (১০০তম) এবং ইরাক (৯৯তম)।

    দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন পঞ্চম। এই অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের (৫২তম), এরপর রয়েছে ভারত (৮০তম), ভুটান (৮৫তম) এবং শ্রীলঙ্কা (৯৩তম)। তবে নেপাল (৯৬তম) ও পাকিস্তানের (৯৮তম) তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। যদিও উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিন (যৌথভাবে ৯৪তম) এখনো বাংলাদেশের চেয়ে এক ধাপ উপরে অবস্থান করছে।

     

  • না;রী যৌ;না;ঙ্গের ১০টি অবাক কথা, জানে না মেয়েরাও

    না;রী যৌ;না;ঙ্গের ১০টি অবাক কথা, জানে না মেয়েরাও

    নারী যৌনাঙ্গের ১০টি অবাক কথা, জানে না মেয়েরাও

    নারী যৌনাঙ্গের ১০টি অবাক কথা, জানে না মেয়েরাও

    নারী শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যোনি। এ শুধু যৌনাঙ্গ নয়, সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা এই অঙ্গের। জানুন সে সম্পর্কে ১০টি বৈজ্ঞানিক তথ্য।

    স্ত্রী যৌনাঙ্গে থাকে আট হাজার নার্ভ। যেখানে পুরুষাঙ্গে মাত্র চার হাজার।

    স্ত্রী যৌনাঙ্গ প্রয়োজনে ২০০ শতাংশ বড় হতে পারে। সঙ্গম কিংবা সন্তান প্রসবের সময়ে এমনটা হয়ে থাকে।

    স্ত্রী যৌনাঙ্গের একটা অবাক-করা বৈশিষ্ট্য হল তা নিজে থেকেই পরিষ্কার হয়! বিভিন্ন গ্ল্যান্ড এই কাজ করে।

    চিকিৎসকরা বলেন, কেউ সাবান বা অন্য কিছু দিয়ে যোনি পরিষ্কার করলে তা প্রাকৃতিক ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে।

    স্ত্রী যৌনাঙ্গের আকৃতি বদল হয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে তা স্পষ্ট বোঝা যায়।

    গবেষণা জানিয়েছে, মহিলারা হস্তমৈথুন করলে ঋতুকালীন যন্ত্রণা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যায়।

    প্রতিবার সন্তান জন্ম দিয়ে কমপক্ষে ছ’সপ্তাহ যৌনাঙ্গের বিশ্রাম প্রয়োজন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

    সঙ্গমের সময়ে যোনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশের বড় বাধা কৌণিক অবস্থান। যোনির শারীরিক অবস্থান ১৩০ ডিগ্রি কোণ করে।

    সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রতিটি যোনির গন্ধ আলাদা আলাদা। এর কারণ গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত রস এবং আলাদা আলাদা ব্যাক্টেরিয়ার অবস্থান।

    ইংরেজি ‘ভ্যাজাইনা’ শব্দটি আদতে লাতিন। অর্থ— তরোয়ালের খাপ।

  • চরম দুঃসংবাদ, ভিসা বন্ধ ঘোষণা..

    চরম দুঃসংবাদ, ভিসা বন্ধ ঘোষণা..

    কানাডা তার প্যারেন্ট অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামের (পিজিপি) আওতায় বাবা-মা এবং দাদা-দাদিদের স্থায়ী বাসিন্দা (পিআর) করার আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। ২০২৪ সালের শুরুতেই এই প্রোগ্রামের আওতায় নতুন কোনো আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন, উদ্বাস্তু ও নাগরিকত্ববিষয়ক বিভাগ (আইআরসিসি)।

    শুক্রবার আইআরসিসি’র এক ঘোষণায় বলা হয়, পিজিপি প্রোগ্রামের অধীনে নতুন আবেদন গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে, তবে আগের আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    আইআরসিসি জানায়, ২০২৫ সালের মধ্যে কানাডা সরকারের লক্ষ্য হলো অভিবাসীদের সংখ্যা ২০ শতাংশ কমানো। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পিজিপি প্রোগ্রামের নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে পিজিপি প্রোগ্রামের আওতায় স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে আবেদনকারীদের গ্রহণযোগ্যতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

    ২০২৪ সালে যারা আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে সাড়ে ২৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নতুন আবেদন প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হবে কিনা, এবং কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

    নতুন আবেদন বন্ধ হলেও, পরিবারিক সদস্যদের কানাডায় নিয়ে আসার জন্য সুপার ভিসার সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে। এই ভিসার অধীনে বাবা-মা ও দাদা-দাদি কানাডায় একটানা পাঁচ বছর বসবাস করতে পারবেন।

    এই সিদ্ধান্ত বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার, বিশেষত বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক পরিবারকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার সরকারের এই পদক্ষেপে বাংলাদেশি ও ভারতীয় অভিবাসীরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন, কারণ তাদের নিকটাত্মীয়দের কানাডায় স্থায়ীভাবে নিয়ে আসার পরিকল্পনা স্থগিত হতে পারে।

    উল্লেখযোগ্য, এই সিদ্ধান্ত ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত পিজিপি প্রোগ্রামের নতুন আবেদন বন্ধ থাকবে।

    কানাডার পিজিপি প্রোগ্রামে আবেদন বন্ধের এই সিদ্ধান্ত অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য বড় একটি ধাক্কা, তবে সুপার ভিসার বিকল্প কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রোগ্রামটি পুনরায় চালু হবে কিনা, তা কানাডার অভিবাসন নীতির ওপর নির্ভর করবে।

  • ১১ দলীয় জোটে কে কত আসন পাচ্ছে? জামায়াত লড়বে কত আসনে?

    ১১ দলীয় জোটে কে কত আসন পাচ্ছে? জামায়াত লড়বে কত আসনে?

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান হতে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই জোটের শরিকদের মধ্যে চূড়ান্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, শীঘ্রই ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে। তাঁর এই বক্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে জোটের সম্ভাব্য আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, দলটি প্রায় ১৯০টি আসনে নির্বাচন করবে। বাকি ১১০টি আসনে জোটের অন্য ১০টি দল নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
    একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই জোটের অন্যতম বড় শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রায় ৪০টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। অন্যদিকে, শেষ পর্যায়ে জোটে যুক্ত হওয়া ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) লড়তে পারে ৩০টি আসনে।
    এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫টি আসনে, খেলাফত মজলিস ৭টি আসনে, এলডিপি ৭টি আসনে এবং এবি পার্টি ৩টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। বিডিপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে ২টি আসনে, আর জাগপা লড়বে একটি আসনে। অবশিষ্ট ৫টি আসনে জোটের আরও তিনটি শরিক দলের প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    সব মিলিয়ে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।