Author: News Live

  • আফ্রিকান ফুটবলারের বাঙালি বউ, বাসর রাতে বুঝলেন

    আফ্রিকান ফুটবলারের বাঙালি বউ, বাসর রাতে বুঝলেন

    হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ লেখা বড় স্টিকার ঝুলছে দরজার বাইরে। কলিং বেলের শব্দে দরজা খোলার পর ‘আ’সসালামু আলাইকুম’ও শোনা গেল। সম্বোধনের জ’বাব দিয়ে ভেতরে বসতে বসতে মাথায় এল, ক্ষণিকের ব্যবধানে

    ‘হ্যাপি ম্যারি ক্রিসমাস’ ও ‘আ’সসালামু আলাইকুম’ অনভ্যস্ত কানে কিছুটা অ’দ্ভুত লাগবেই।কিন্তু সে অ’স্বস্তিটা মিলিয়ে যায় মুহূর্তেই, দারুণ এক গল্প শোনার অপেক্ষায়। ২০১২ সালের প্রথম দিককার কথা। ক্লাবের অনুশীলন শেষে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসতেন এক ফুটবলার। সেখানে দেখা মিলত এক না’রীর, ছেলেকে স্কুলের টিফিন কিনে দিতে ঢুকতেন তিনি।নিয়মিত চোখাচোখি হতো, কথাবার্তাও শুরু হলো। এ প্লেট থেকে খাবার ও প্লেটে, মন আদান-প্রদান হতেও সময় লাগল না।

    দুই জোড়া হাতের এক হয়ে যাওয়া—সেটাও হয়ে গেল নিমেষে। সিনেমার গল্প মনে হচ্ছে, তাই না!এখনো ঢের বাকি গল্পের। কারণ, গল্পটা এক আফ্রিকান ফুটবলারের সঙ্গে বাঙালি মেয়ের বিয়ের। ঢাকার ফুটবলের পরিচিত নাম এলিটা কিংসলে। আর এ গল্পের অন্য চরিত্রের নাম লিজা। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকারের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার বছর খানেক আগে বিবাহবি’চ্ছেদ হয়েছিল তাঁর।

    সাধারণত আগের ঘরের সন্তানের বাবা বা মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে বা’ধা হয়ে ওঠে। কিন্তু লিজার ছেলে ফারিয়ানই দুই দেশের দুটি প্রা’ণের মধ্যে সেতুব’ন্ধ করে দিয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ফারিয়ানের সঙ্গেই প্রথমে পরিচয় হয়েছে এলিটার।

    বাবা থাকতেও নেই—এ কথা শুনে ফারিয়ানের প্রতি এলিটার সহানুভূতি জাগে। পরে ফারিয়ানের সূত্র ধরে লিজার সঙ্গে পরিচয়, রেস্টুরেন্টে নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া ও ফোন নম্বর বিনিময়। লিজা প্রথমে ইংরেজি বলতে পারতেন না। এখানেও ভরসা ছেলে ফারিয়ান।

    মা ও কিংসলের মধ্যে অনুবাদক হিসেবে কাজ করত ফারিয়ান। কয়েক মাসের পরিচয়ে এলিটার পক্ষ থেকেই প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০১২ সালের ২০ মে। প্রায় দেড় বছর পর ২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁদের কোলজুড়ে এসেছে মেয়ে সামিরা।

    বিয়ে ও মেয়ে সামিরার জ’ন্ম তারিখটা লিজার ঠোঁটের আগাতেই ছিল। তাঁদের সংসারটাও অনেক সুখের, ‘মনে হয় না আমি কোনো ভিনদেশির সঙ্গে সংসার করছি। আমাদের সম্পর্কটা খুবই মিষ্টি। দেখছেনই তো এক বাসাতেই আমার বাবা-মাও থাকেন।

    প্রথমে ভাষার স’মস্যা ছিল। কিন্তু ছেলে আমাদের সবকিছু বুঝিয়ে দিত। এখন আমি নিজেই ইংরেজিতে অ’ভ্যস্ত হয়ে উঠছি। এলিটাও এখন বাংলা অনেকটা আয়ত্তে নিয়ে ফেলেছে।’ এলিটার নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রথম শেখ কামাল গোল্ডকাপে চট্টগ্রাম আবাহনীর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৃশ্য।এলিটার জোড়া গোলেই ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী।

    মাঠে এলিটার গোল করার ক্ষ’মতা সবার জানা। কিন্তু এই নাইজেরিয়ানের সবচেয়ে বড় গুণ, অন্যান্য আফ্রিকান ফুটবলারের মতো তাঁর নামে কোনো অ’ভিযোগ নেই। ক্লাব কর্মক’র্তা থেকে দর্শক—সবাই এলিটাকে ভদ্র ফুটবলার হিসেবেই স’ম্মান করেন। বাংলাদেশে পা রাখেন ২০১১ সালে। আরামবাগ, মু’ক্তিযো’দ্ধা ও বিজেএমসি ক্লাবের হয়ে মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়ে প্রায় সাত বছর হলো। ইতিমধ্যে পুরোপুরি বাংলাদেশি হয়ে ওঠার জন্য গত বছর নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন।

    এখন তাঁর একটাই স্বপ্ন, মেয়ে সামিরা বলবে তার বাবা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার, ‘অনেক বছর হলো বাংলাদেশে আছি।এখানেই সংসার পেতেছি। এখন আমি নিজেই বাংলাদেশের হতে চাই। লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলতে চাই। এ জন্যই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছি। মেয়ের মুখ থেকে শুনতে চাই, তার বাবা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার।’ কথাটি শে’ষ করার আগেই চার বছরের সামিরা ‘লাভ ইউ বাবা’ বলে চুমু দিলেন এলিটার গালে।

    বৃহস্পতিবার এলিটা-লিজা দম্পতির সামনে বসে একটি সুখের সংসারের ছবি দেখে নেওয়া গেল। পরের দিনই সামিরা তার দাদাবাড়ি নাইজেরিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এই নিয়ে ছোট মেয়েটার মধ্যে কী উচ্ছ্বাস। লিজাও প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন।

    শাশুড়ির পছন্দ-অ’পছন্দ নিয়ে তাঁর চিন্তা। সবকিছুর মধ্যেই একটা সুখের ঘ্রাণ।দুঃখও আছে। ঝ’গড়া হলে লিজা বা এলিটা কেউই নাকি মন খুলে ঝ’গড়া করতে পারেন না। লিজা যেমন খুব ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না, তেমনি এলিটাও পারেন না খুব ভালো বাংলা বলতে। ফলে ঝগ’ড়া হয় একপেশে। একপেশে ঝ’গড়ার আর মজা আছে নাকি। আফ্রিকা-বাংলাদেশের সন্ধিতে এই একটাই আফসোস!

  • অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে দাদুর হাসি থামছেই না

    অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে দাদুর হাসি থামছেই না

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একজন বৃদ্ধ ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের। একজন বৃদ্ধ তাঁর হাঁটুর বয়সী সমান যুবতীকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু, সবথেকে চমকে দেওয়া ব্যাপার হল ওই বৃদ্ধ যুবতীকে বিয়ে করে হেসেই চলেছেন। তিনি এতোটাই খুশি হয়েছেন যে দুই হাত দিয়ে তালি মেরে চলেছেন। বৃদ্ধর এমন কাণ্ড দেখে হাসি থামছে না নেটিজেনদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও।

    সোশ্যাল মিডিয়া হল এমন একটি জায়গা, যেখানে বিভিন্ন আজব ধরনের ঘটনা ভাইরাল হয় সবার আগে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে চলেছে একটার পর একটা বিয়ের ভিডিও। বিয়ের মণ্ডপে কখনও বর থাপ্পড় মারছেন বউকে আবার কখনও বউ থাপ্পড় মারছেন বরকে। কিছুদিন আগেই বিয়ের মণ্ডপে বর এবং বউয়ের তুমুল মারপিটের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

    মিষ্টি খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। সম্প্রতি একজন বৃদ্ধর বিয়ের ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি একজন কম বয়সী যুবতীকে বিয়ে করে হেসেই চলেছেন। নেটিজেনরাও হতবাক ওই বৃদ্ধর কাণ্ড দেখে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে ইন্সটাগ্রামে। psycho_biihari নামের একটি প্রোফাইল থেকে ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, বিয়ের পরে পাশাপাশি বসে রয়েছেন বর এবং বউ।

  • একবার খুশি করে ৮৫ লাখ টাকা নিলেন তামান্না, রইল লিংকসহ

    একবার খুশি করে ৮৫ লাখ টাকা নিলেন তামান্না, রইল লিংকসহ

    ভারতের তামিল নাড়ু থেকে আসা জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া এবার একটি গানে কোমর দুলিয়ে নিয়েছেন সাড়ে ৮৫ লাখ টাকার মতো টাকা। দক্ষিণী সিনেমার নায়িকাদের মধ্যে তামান্না খুব ভালো একজন নৃত্যশিল্পী। অনেক সিনেমার আইটেম গানে কোমর দুলিয়ে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি। পরিচালক কিরণ

    কোরাপতি নির্মাণ করছেন স্পোর্টস-ড্রামা ঘরানার সিনেমা ‘ঘানি’। এ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা বরুণ তেজ। এতে একজন বক্সারের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এই সিনেমার একটি আইটেম গানে পারফর্ম করবেন তামান্না ভাটিয়া। আর এজন‌্য মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ‌্যম টলিউড ডটনেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইটেম গানে পারফর্ম করার জন‌্য পাঁচ দিন গানটির শুটিং করেন তিনি। আর এজন‌্য পারিশ্রমিক নেন ৭৫ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৭ টাকা)।

    তামান্না ভাটিয়া অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘অ‌্যাকশন’। ২০১৯ সালে মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে তার হাতে বেশ কিছু সিনেমার কাজ রয়েছে। এর মধ‌্যে ‘বোল চুড়িয়া’ সিনেমার কাজ শেষ করেছেন তামান্না। এতে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। এটি পরিচালনা করছেন নওয়াজের ভাই সামাস নবাব সিদ্দিকী।

  • টাকার বিনিময়ে জন্ম, দেশটি হয়ে যাচ্ছে সন্তান তৈরির কারখানা

    টাকার বিনিময়ে জন্ম, দেশটি হয়ে যাচ্ছে সন্তান তৈরির কারখানা

    বিবাহিত জীবনের প্রকৃত সুখ তখনই আসে যখন পরিবারে সন্তানের আগমন ঘটে। কিন্তু বিশ্বের অসংখ্য দম্পতি সেই সুখ পায় না। অনেক চেষ্টা করেও তারা সন্তান জন্ম দিতে পারে না, অক্ষম। এক্ষেত্রে তাদের জন্য গন্তব্য হতে পারে ইউক্রেন। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে গর্ভ ভাড়া বা সারোগেসি পদ্ধতির মাধ্যমে সন্তান উৎপাদনে অক্ষম দম্পতিরা বাবা-মা হতে পারেন। দেশটি বর্তমানে ‘সন্তান তৈরির কারখানা’ হিসেবেও পরিচিত।

    আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে কিছু শর্ত মানার মধ্য দিয়ে বাবা-মা হতে পারবেন সন্তান উৎপাদনে অক্ষম দম্পতিরা। অবশ্য এক্ষেত্রে খরচ করতে হয় বিপুল পরিমাণ অর্থ। গর্ভ ভাড়া দেওয়ার মাধ্যমে সন্তান জন্মদানকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ও শিল্প পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে দেশটি। পরিসংখ্যান বলছে, বিদেশি দম্পতিদের জন্য প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন হাজার সন্তানের জন্ম হয় ইউক্রেনে।

    বার্তা সংস্থা এএফপির মতে, এই দম্পতিদের এক- তৃতীয়াংশই চীনের বাসিন্দা। মূলত ভারত ও থাইল্যান্ড বিদেশিদের জন্য সন্তান ধারণের বাণিজ্যিক সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। এই সুযোগে ভাগ্য খুলেছে ইউরোপের দেশটির।

    সেখানে সারেগেসির মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ন্যূনতম খরচ ২৫ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা)। এই খরচ বেড়ে ৭০ হাজার ইউরো (৭০ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬১ টাকা) পর্যন্তও হয়। অবশ্য ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি সারোগেসি ক্লিনিক বলছে, অর্ধেকের ক্ষেত্রে ৩৯ হাজার ৯০০ ইউরোর মধ্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে যায়।

    ক্লিনিকটির ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, দম্পতিরা চাইলে পুত্রসন্তান নিতে পারবেন, আবার কন্যসন্তানও নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে খরচ বেশি পড়বে। ছেলে বা মেয়ে বেছে নিতে দু’বার চেষ্টা করতে পারবেন তারা। আবার পছন্দমতো না হওয়া পর্যন্তও চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারবে। প্রথমটির মূল্য ৪৯ হাজার ৯০০ ইউরো এবং দ্বিতীয় পদ্ধতির ৬৪ হাজার ৯০০ ইউরো।

    এর বাহিরে দম্পতিদের কিছু শর্তও পালন করতে হয়। বিশেষ করে কোনো স’’ৎ’ম’’ৎ’কা’’ৎ’মী দম্পতি এই প্রক্রিয়ায় সন্তান নিতে পারবে না। কেবল বিবাহিত নারী-পুরুষরাই পারবেন। তবে তারা যে সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম সেটিরও মেডিকেল কাগজপত্র দেখাতে হবে।