Author: News Live

  • ভয়াবহ ‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’ নিয়ে সতর্ক করলেন নিউরোসার্জন

    ভয়াবহ ‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’ নিয়ে সতর্ক করলেন নিউরোসার্জন

    আপনি হয়তো নিয়মিত হাঁটছেন, পরিমিত খাবার খাচ্ছেন, কাজও করছেন স্বাভাবিক ছন্দে। তবু অজান্তেই মস্তিষ্কে ঘটতে পারে ছোট্ট কিন্তু গুরুতর এক ক্ষতি ‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’। মুখ বেঁকে যায় না, কথা জড়িয়ে যায় না, হাত–পা অবশ হয় না তাই ধরা পড়ে না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এই নীরব আঘাতই ডেকে আনতে পারে স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের ঘাটতি এমনকি ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও।

    সার্জন ডা. ধ্রুব চতুর্বেদী জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এসে অনেক রোগীর এমআরআইতে তিনি নীরব স্ট্রোকের চিহ্ন দেখেন যাদের কেউই আগে বড় কোনো উপসর্গ টের পাননি।

    সাইলেন্ট স্ট্রোক আসলে কী?

    সাধারণ স্ট্রোক হলে হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা আটকে যাওয়া বা শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। কিন্তু সাইলেন্ট স্ট্রোক বা ‘কোভার্ট ব্রেন ইনজুরি’ এসব কিছুই দেখায় না। ডা. চতুর্বেদীর ভাষায়,  এটি নিঃশব্দে মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র অংশে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে। তখনই কোষের ক্ষতি শুরু হয় যার প্রভাব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়।

    যেসব পরিবর্তনে সতর্ক হবেন: উপসর্গ না থাকলেও কিছু ছোট পরিবর্তন অবহেলা করা উচিত নয়—

    • হালকা স্মৃতিভ্রংশ
    • মনোযোগে ঘাটতি
    • হাঁটার সময় অস্থিরতা
    • শরীরের কোনো অংশে সামান্য অবশ ভাব
    • আচরণ বা মুডে পরিবর্তন
    • চিন্তায় ধীরগতি

    এসব লক্ষণ অনেক সময় বয়সজনিত সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু প্রয়োজন হলে এমআরআই পরীক্ষাই সাইলেন্ট স্ট্রোক শনাক্তের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

     

    কারা বেশি ঝুঁকিতে: বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের—

    • উচ্চ রক্তচাপ
    • ডায়াবেটিস
    • উচ্চ কোলেস্টেরল
    • ধূমপানের অভ্যাস
    • দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ
    • আছে, তাদের নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি।
    • জীবনযাপনের ভুলেই বাড়ে ঝুঁকি

    যেসব অভ্যাস সাইলেন্ট স্ট্রোকের কারণ:  ডা. চতুর্বেদী সতর্ক করেন, আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসই নীরব স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে—

    • ঘুমের ঘাটতি: পর্যাপ্ত ঘুম না হলে রক্তচাপ বাড়ে ও রক্তনালির ক্ষতি হয়।
    • স্ট্রেস: দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ কর্টিসল বাড়িয়ে রক্তনালী দুর্বল করে।
    • ব্যায়ামের অভাব: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়।
    • অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: বেশি লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার রক্তনালিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
    • ধূমপান ও অ্যালকোহল: সরাসরি রক্তনালির ক্ষতি বাড়ায়।

    মস্তিষ্ক সবসময়ই সংকেত দেয় শুধু তা শোনার অভ্যাস থাকতে হয়। শরীর স্বাভাবিক মনে হলেও ছোটখাটো পরিবর্তনকে অবহেলা করবেন না। নিয়মিত চেক-আপ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম আর মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই বড় বিপদকে দূরে রাখতে পারে।

  • এবার ঈদে কতদিন ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

    এবার ঈদে কতদিন ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

    আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী মার্চ মাসের ২০ বা ২১ তারিখ হতে পারে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। রোজার শুরু থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকে। তবে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদে কতদিন ছুটি পাবেন, তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে।

    প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে অসংখ্য মানুষ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ছেড়ে যান। অনেক মানুষ একসাথে ঢাকা ত্যাগ করার কারণে সড়কে দীর্ঘ যানজট এবং নানা ভোগান্তি তৈরি হয়। তবে যদি ঈদের ছুটি তুলনামূলক দীর্ঘ হয় বা বাড়তি ছুটি থাকে, তাহলে এই ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসে। তাই সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।

    ২০২৬ সালের জন্য বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট পাঁচ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদের ছুটির ঠিক সময় ও দৈর্ঘ্য নিয়ে কৌতূহল থাকলেও শবে কদরের ছুটি (ঈদের একদিন আগে) এবং ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি থাকায় মোট ছুটি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

    ২০২৬ সালে রমজান মাসের চাঁদ ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে দেখা গেছে। তাই ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হয়। আরবি মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণ করা হয়। যদি শাবান মাসের চাঁদ ২০ মার্চ দেখা যায়, তাহলে ঈদুল ফিতর ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হয়, তাহলে ঈদ হবে ২২ মার্চ।

    সরকার অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এবারের ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ১৯শে মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে সোমবার ২৩শে মার্চ পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

  • সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির শত শত অভিযোগ

    সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির শত শত অভিযোগ

    ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে শত শত দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যালয়ে। দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এই উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে এসব লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, যে হারে অভিযোগ আসছে তাতে মনে হচ্ছে, অভিযোগের রেকর্ড হবে। অধিকাংশ অভিযোগে অভিযোগকারী নাম প্রকাশ করেননি, তবে কয়েকটি অভিযোগে অভিযোগকারী নাম-পরিচয় উল্লেখ করেই লিখিত চিঠি দিয়েছেন দুদকে।

    দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুদক অন্য সব অভিযোগ যেভাবে যাচাই করে, এসব অভিযোগও একইভাবে যাচাই করা হবে। এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    সূত্র জানিয়েছে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ প্রায় সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

    সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের। গ্রামীণ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা ড. ইউনূস কীভাবে নিজের নামে একটি ট্রাস্ট করে গ্রামীণ কল্যাণ এবং গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ করছেন, তার বিবরণ তুলে ধরেছেন। এই অভিযোগে বলা হয়েছে, আয়কর ফাঁকি এবং অর্থ আত্মসাতের জন্য ড. ইউনূস তাঁর নিজের নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করেছেন।

    এই ট্রাস্টের একমাত্র কাজ হলো, ড. ইউনূসের পরিবারের দেখাশোনা করা। এভাবে ড. ইউনূস বিপুল পরিমাণ আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে ড. ইউনূস বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন বলেও একাধিক অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
    সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের এক ডজনের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- মামলা বাণিজ্য, জামিন বাণিজ্য, বিচারক পদায়ন এবং অন্যান্য দুর্নীতি।

    একটি অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, আসিফ নজরুল জামিন বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই অভিযোগে একটি শিল্প গ্রুপের সিইও, জালিয়াতির মাধ্যমে ভাই এবং বোনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন। ছোট বোন তার বিরুদ্ধে মামলা করে, পিবিআই মামলা তদন্ত করে জালিয়াতির প্রমাণ পায়। আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। কিন্তু আসিফ নজরুল ২০ কোটি টাকা নিয়ে ভিআইপি আসামিকে জামিন দেওয়ার নির্দেশ দেন। গান বাংলা টেলিভিশনের তাপসের জামিন আসিফ নজরুল বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে করিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত তথ্যও অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এভাবে আসিফ নজরুল ১৮ মাসে টাকার বিনিময়ে বহু জামিন করিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এ ছাড়াও আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে পদায়নে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় বিচারক বদলিতে আসিফ নজরুল ৫০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত নিতেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। সাব রেজিস্ট্রার পদায়নে তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আসিফ নজরুল উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, সাভারের মতো লাভজনক এলাকার সাব রেজিস্ট্রার বদলি করেন। এসব বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে অন্তত আটটি অভিযোগ এখন পর্যন্ত জমা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের একাধিক প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাৎ অন্যতম। এ ছাড়াও রিজওয়ানার বিরুদ্ধে অন্যের সম্পত্তি জোর করে দখল করার অভিযোগও করা হয়েছে। একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। রিজওয়ানার স্বামী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন কি না তা তদন্ত করার জন্য দুদককে অনুরোধ জানিয়েছেন একজন।

    সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বিরুদ্ধে সামিট গ্রুপের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির সঙ্গে অবৈধ লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, হাসপাতালের কেনাকাটায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে।

    তবে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে। দুদকের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ অভিযোগই ভুক্তভোগীরা নাম-ঠিকানাসহ করেছেন। ঘুষ নিয়ে কাজ না দেওয়ার অভিযোগের সঙ্গে তথ্য-প্রমাণও দেওয়া হয়েছে। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার এবং বেআইনি বিটকয়েন লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

    সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স প্রদানে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ করেছেন একজন। এভাবে প্রায় সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধেই অভিযোগ জমা পড়েছে। দুদকের সূত্রগুলো বলেছে, এসব অভিযোগ তারা যাচাইবাছাই করছে। যেসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাবে সেগুলো অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে।

    জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যদি তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যায় এবং সেগুলো আমলযোগ্য হলে তা তদন্ত করা উচিত। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। অভিযোগের সত্যতা পেলে দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। আগেও কোনো কোনো উপদেষ্টার দপ্তরের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় কিন্তু দুদকের তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। এখন যেহেতু তারা সরকারে নেই তাহলে দুদক তদন্ত করে দেখতে পারে। আগেও আমরা দেখেছি যারা সরকারে থাকে তাদের বিরুদ্ধে দুদক কোনো পদক্ষেপ নেয় না। এখনো তেমন ধারাবাহিকতা রয়েছে। তবে যদি কারও অভিযোগ আমলযোগ্য হয় সেটারও যুক্তি দুদকের কাছে উপস্থাপন করতে হবে এবং আমলযোগ্য না হওয়ারও যুক্তি উপস্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে কেউ যেন কারও দ্বারা হয়রানির শিকার না হন সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

  • নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস

    নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস

    দেশের নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে একটি সেল গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেলের কার্যক্রম সারা দেশে পরিচালিত হবে।

    ৮ সদস্যের এ সেলের সভাপতি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে। সদস্য হিসেবে থাকবেন ভূমি, কৃষি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর প্রধান প্রকৌশলী এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর সচিবকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেলটি নদী-খাল-জলাশয় খননের জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। বিভিন্ন সংস্থার চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে এবং খনন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যালোচনা করে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবে। পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে প্রচার কার্যক্রমও গ্রহণ করা হবে।

    এতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সেলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবেন। সেলের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক সুবিধা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

    প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে আদেশটি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।