Author: News Live

  • ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    সন্তান জন্মদানে ও পুরুষ উভয়ের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করলে প্রজনন সক্ষমতা কমে যেতে পারে।
    ১. নারীদের গর্ভধারণে ঝুঁকির ৩ প্রধান লক্ষণ
    নারীর দেহে এই তিনটি লক্ষণ দীর্ঘমেয়াদী হলে তা প্রজননতন্ত্রে বড় সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:
    ১. দীর্ঘমেয়াদী তলপেটে ব্যথা:
    তলপেটে ক্রমাগত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা অনুভব করা, বিশেষত সেই ব্যথা যদি পায়ুপথ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়—তাহলে তা জরায়ুতে কোনো সমস্যা, যেমন ‘এন্ডোমেট্রিওসিস’ বা অন্য কোনো রোগের কারণে হতে পারে। এই ধরনের ব্যথা জরায়ুর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
    ২. পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ:
    হঠাৎ করে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, মুখে পুরুষের মতো লোম গজানো (হিরসুটিজম), ঘাড় ও বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যাওয়া, এবং ব্রণ বৃদ্ধি—এগুলো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ। PCOS ডিম্বাণু নিঃসরণে বাধা দেয় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
    ৩. অনিয়মিত ঋতুচক্র (পিরিয়ড):
    যদি কোনো নারীর ঋতুচক্র ২১ দিনের কম সময়ে বা ৪০ দিনের বেশি সময়ে হয়, অথবা পিরিয়ড একেবারেই অনিয়মিত হয়, তবে তা হরমোনের গুরুতর ভারসাম্যহীনতার (যেমন—এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, এফএসএইচ, এলএইচ হরমোনের পরিবর্তন) লক্ষণ। অনিয়মিত ঋতুচক্র ডিম্বাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ হ্রাস করে, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
    ২. পুরুষদের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের লক্ষণ
    পুরুষদের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে প্রধান বাধা হলো শুক্রাণুর সমস্যা। তবে কিছু বাহ্যিক লক্ষণ এই সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:
    ১. তলপেট বৃদ্ধি ও পেশীর শিথিলতা:
    হঠাৎ করে তলপেটে মেদ জমা, দ্রুত ওজন বৃদ্ধি এবং পেশী (মাসেলস) দুর্বল বা শিথিল হয়ে যাওয়া (লুজ হওয়া)। এই লক্ষণগুলো প্রায়শই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
    ২. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফুলে যাওয়া:
    বিশেষ করে অণ্ডকোষে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেওয়া, যা শুক্রাণুর উৎপাদন বা গুণগত মানকে প্রভাবিত করতে পারে।
    ৩. যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস ও চুল পড়া:
    স্ত্রীর প্রতি আকাঙ্ক্ষা বা যৌন মিলনে আগ্রহ কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া এবং অস্বাভাবিক হারে চুল পড়া বা দাড়ি কমে যাওয়া। এগুলো শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে এবং পুরুষের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।
    ৩. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও করণীয়
    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
    * নারীদের জন্য: অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। দ্রুত গর্ভধারণের জন্য চেষ্টা করলে তিন মাস আগে থেকে ফলিক এসিড, ভিটামিন ই ও ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান অপরিহার্য।
    * পুরুষদের জন্য: স্ত্রীর পিরিয়ড স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও ৬ মাস নিয়মিত চেষ্টার পরেও যদি সন্তান না হয়, তবে সিমেন অ্যানালাইসিস (Semen Analysis) পরীক্ষা করে শুক্রাণুর পরিমাণ ও গতি যাচাই করা যেতে পারে। পুষ্টিকর খাদ্য (ভিটামিন ই, ডি, জিঙ্ক) গ্রহণ, ধূমপান ও মধ্যপান পরিহার করা, এবং রাতের খাবারে ভাতের পরিবর্তে প্রোটিন (ডিম/মাংস/মাছ) ও ফলমূল রাখা শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সহায়তা করে।

  • শারীরিক ক্ষমতা ১০ গুন বাড়িয়ে তুলতে যা খাবেন

    শারীরিক ক্ষমতা ১০ গুন বাড়িয়ে তুলতে যা খাবেন

    শারীরিক ক্ষমতা ১০ গুন বাড়িয়ে তুলতে যা খাবেন
    বিবাহিত জীবনের অন্যতম সৌন্দর্য হলো যৌনতা। একটি সুন্দর ও সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে যৌনতার অপরিহার্যতা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই একটা সময় গিয়ে যৌন ইচ্ছায় শিথিলতা দেখা দেয়। এটি হতে পারে নানা কারণে।

    আর এর ফলে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি ও অস্থিরতা বাড়ে। তবে বেশ কিছু পুষ্টিকর খাবার রয়েছে যা আমাদের শরীরে ভিটামিন ও মিনারেলের ভারসাম্য রক্ষা করে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম কার্যকর রাখে। এন্ড্রোক্রাইনের কাজ শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন উৎপাদন করা আর এই ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন আপনার যৌন ইচ্ছা জাগানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি।

    পালং শাক : পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।

    রসুন : রসুনে অনেক উপকারিতা রয়েছে। রসুন ফোড়া ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে, নিস্তেজ লোকদের মধ্যে যৌন ক্ষমতা সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও গ্রন্থর ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন করে।

    বিস্তারিত: যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুনের ভূমিকা

    তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে।ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

    আরো পড়ুন: লিঙ্গের মাথায় ঘা হলে করণীয় কি?

    জেনে নিন এমন ১০টি খাবার যা যৌনজীবন সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    ডিম: পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে ডিমের নাম। ডিম যৌন সামর্থ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ থাকে যা হরমোন লেভেলের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ক্লান্তি দূর করে।

    আপেল : প্রতি দিন পুরুষদের একটি করে আপেল খাওয়া উচিত। এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জননাঙ্গে রক্ত সরবরাহ বাড়ায়। যা আপেলের মধ্যে থেকে পাওয়া যায়।

    বিস্তারিত: মেয়েদের যৌন চাহিদা বাড়ানোর ওষুধ

    দুধ : যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটাবে। আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন বাড়াতে চান তাহলে অবশ্যই দুধ খান।

    কলা : কলা পুষ্টি বাড়ায় শুধু তাই নয়, যৌন ইচ্ছা তীব্র করে। এতের প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম যা যৌন মিলনে শক্তি যোগায় ও রিবফ্লাবিন যা শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে দেহকে সুস্থ রাখে এবং বীর্যের মান উন্নত করে।

    বিট : জননাঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদিন বিট খাওয়া উচিত। সালাদের সঙ্গে নিয়ম করে বিট খেলে প্রচুর নাইট্রট শরীরে প্রবেশ করবে।

    বাদাম : সকল ধরনের বাদামেই আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল যা দেহের যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং বীর্য তৈরি ও ঘন হতে সাহায্য করে। এর মধ্যে এ্যলমন্ড (কাঠ বাদাম) চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম খাওয়া বেশি ভাল।

    চেরি : ডায়েট চাটে রাখুন চেরি ফল। চেরিতে প্রচুর অ্যান্থোসায়ানিন থাকায় ধমনীতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। কাজেই প্রতিদিন চেরি খেলে পুরুষদের যৌনাঙ্গের উন্নত হয়।

  • প্র’স্রাবের সময় ফেনা হলে সাব’ধান, জেনে নিন এটা কোন কোন রো’গের আ’লামত!

    প্র’স্রাবের সময় ফেনা হলে সাব’ধান, জেনে নিন এটা কোন কোন রো’গের আ’লামত!

    জীবন বড়ই গোলমেলে। কোন বাঁকে যে মৃ’ত্যু লুকিয়ে, তা বোঝা বেজায় ক’ঠিন কাজ। তাই তো সময় থাকতে শ’রীরের ভাষাকে রপ্ত ক’রতে শিখু’ন। জা’নার চেষ্টা করুন শ’রীরের সেই সব ছোট ছোট লক্ষণকে,

    যা দেখে সহজেই বোঝা সম্ভব দে’হে কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে কিনা। যেমন ধ’রুন প্রস্রাব। ইউরিন দেখে শ’রীরের অন্দরের একাধিক গোপন রদবদল স’ম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা করে নেওয়া সম্ভব। শুধু শিখে নিতে হবে শ’রীরের ভাষাটা। তাহলেই কেল্লাফতে!

    অনেকেরই প্রস্রাব করার সময় ফেনা হয়। কেন এমনটা হয় জা’না আছে? সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে এক্ষেত্রে প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষ মনে করেন প্রস্রাব খুব স্পিডে বেরোনোর কারণেই এমনটা হয়ে থাকে। যদিও এই ধ’রণা একেবারে ভুল নয়। তবে প্রস্রাবে ফেনা হওয়ার পিছনে অনেক সময় কোনও না কোনও রোগের ভূমিকাও থাকে। তবে সেক্ষেত্রে ইউরিনে ফেনার হওয়ার স’ঙ্গে আরও কিছু লক্ষণ প্র’কাশ পায়। যেমন…

    প্রস্রাবে ফেনা এবং আরও কিছু: কোনও রোগের কারণে যদি প্রস্রাবের ধ’রনে এমন বদল আসে, তাহলে হাতের তালু,পা এবং মুখ ঘামতে শুরু করবে। সেই স’ঙ্গে ক্লান্তি, ক্ষিদে কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা, বমি, ঘুম কমে আসা, প্রস্রাবের রং গাড় হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণগু’লিও প্র’কাশ পেতে শুরু করবে।

    কী কী কারণে প্রস্রাবে এমন ফেনা হতে পারে? ব্লাডার থেকে খুব দ্রত গতীতে প্রস্রাব বেরলে সাধারণত এমন ধ’রনের ফেনা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি রোগের প্রস’ঙ্গে আসেন, তাহলে বলতে হয় শ’রীরে যখন জলের অভাব দেখে দেয়, তখন প্রথম লক্ষণ হিসেবে ইউরিনে ফেনা দেখা দেয়। তাছাড়া প্রস্রাবে প্রোটিন বা অ্যালবুমিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে, কি’ডনির ক’র্মক্ষ’মতা কমতে থাকলে এবং স্পার্মের ক্ষরণ ঠিক মতো না হলে এমন ধ’রনের স’মস্যা হয়ে থাকে।

    প্রসঙ্গত, কি’ডনির কাজ হল র’ক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদান প্রস্রাবের মাধ্যমে বার করে দেওয়া। কিন্তু যখন কি’ডনির ক্ষ’মতা কমতে থাকে, তখন প্রস্রাবের স’ঙ্গে বর্জ্য পদার্থের পাশাপাশি প্রোটিনও বেরোতে শুরু করে। প্রোটিন বায়ুর সংস্প’র্শে এলে ফেনায় প’রিণত হয়। তাই টানা কয়েক দিন ধ’রেই যদি ইউরিনে ফেনা হতে থাকে, তাহলে যত শীঘ্র সম্ভব চিকি’ৎসকের স’ঙ্গে পরাম’র্শ করা উচিত।

    ভ’য়ের কারণ আছে কী? শ’রীরের ভাইটাল অর্গানগু’লির মধ্যে অন্যতম হল কি’ডনি। তাই এই অ’ঙ্গটি যদি ঠিক মতো কাজ ক’রতে না পারে তাহলে তো বি’পদ। সেই কারণেই প্রস্রাবে ফেনা হওয়াটাকে হাল্কা চালে নেওয়া উচিত নয়। প্রসঙ্গত, যে যে কারণে

    কি’ডনির ক্ষ’তি হওয়ার আশ’ঙ্কা থাকে, সেই কারণগু’লি হল- ডায়াবেটিস, ক্রনিক কি’ডনি ডিজজ, উচ্চ র’ক্তচা’প প্রভৃতি। তাই কারও যদি এই রোগগু’লির মধ্যে কোনওটা থাকে এবং প্রস্রাবে ফেনা হওয়ার মতো লক্ষণও প্র’কাশ পায়, তাহলে সা’বধান হতে হবে।

    এক্ষেত্রে কী কারণে এমন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে সে স’ম্পর্কে জে’নে নিয়ে যথাযথ চিকিৎ’সা শুরু ক’রতে হবে। না হলে কিন্তু মৃ’ত্যু মুখে পরা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। প্রসঙ্গত, আরেকটি রোগের কারণেও অনেক সময় প্রস্রাবে ফেনা হয়ে থাকে।

    কী সেই রোগ? শ’রীরের নিয়ম অনুসারে স্পার্ম ইউরেটার হয়ে শ’রীরের বাইরে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু এমনটা না হয়ে যখন সিমেন উল্টো পথে ইউরিনারি ব্লাডারের দিকে চলে যায়, তখন নানা ধ’রনের শা’রীরিক স’মস্যা দেখা দেয়। যার অন্যতম হল প্রস্রাবে ফেনা হওয়া। এই রোগকে চিকিৎ’সা পরিভাষায় রেট্রোগেড ইজেকুলেশন বলা হয়ে থাকে।

    ইউরিনে ফেনা হচ্ছে কেন তা জানতে কী করণীয়: এক্ষেত্রে প্রথমেই চিকি’ৎসকের পরাম’র্শ নিতে হবে। তিনি যদি প্রয়োজন বোধ করেন তাহলে ইউরিনের নমুনা নিয়ে কয়েকটি টেস্ট করলেই ধ’রা পরে যাবে ফেনা হওয়ার কারণ কী।

    এক্ষেত্রে চিকিৎ’সা কী? কী কারণে এমনটা হচ্ছে জা’নার পর সেই মতো চিকিৎ’সা শুরু ক’রতে হয়। যদি কি’ডনির কোনও রোগের কারণে প্রস্রাবে ফেনা হয়ে থাকে তাহলে সেই রোগের চিকিৎ’সা শুরু ক’রতে হবে। একবার রোগ সেরে গেলেই লক্ষণও কমে যেতে শুরু করবে।

    ফেনা কোনও রোগের কারণে হচ্ছে কিনা জা’নার কোনও সহজ পদ্ধিত আছে? মাঝে মধ্যে প্রস্রাবে ফেনা হওয়াটা স্বা’ভাবিক। এক্ষেত্রে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কিন্তু যদি দেখেন বেশ কয়েকদিন ধ’রেই এমনটা হচ্ছে, তাহলে চিকি’ৎসকের পরাম’র্শ নিতে ভুলবেন না। এছাড়াও যে যে বিষয়গু’লির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, সেগু’লি হল, প্রস্রাবের স’ঙ্গে র’ক্ত পরছে কিনা এবং অন্য কোনও শারীরির অসুবিধা দেখা দিচ্ছে কিনা।

  • ঘুমের মধ্যে লা’লা ঝ’রে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ!

    ঘুমের মধ্যে লা’লা ঝ’রে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ!

    শুধু কি শিশুদের মুখ দিয়েই লালা ঝরে! আসলে ছোট-বড় বিভেদে নয় সবার মুখেই লালা উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে, তা ছোট হোক বা বড়দের। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে অনেকের মুখ দিয়ে লালা ঝরে বালিশ ভিজে যায়!
    বিষয়টি বিব্রতকর হলেও কিন্তু হেলাফেলার নয়। কারণ লালা ঝরার সমস্যাটি হতে পারে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার লক্ষণ। আবার স্বাভাবিকভাবে শোয়ার ধরন পরিবর্তনের কারণেও ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? এর প্রতিকারই বা কী?

    মানবদেহ প্রতিদিন ১ লিটারেরও বেশি লালা উৎপাদন করে। এটি লালা গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা লালা ঝরতে দেই না, সাধারণত তা গিলে ফেলা হয়। পরক্ষণে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুনরায় লালা উৎপাদিত হতে থাকে। ঘুমে বিভোর থাকা অবস্থায় লালা যেহেতু গিলে ফেলা যায় না, তাই মুখে লালা জমতে শুরু করে। এর ফলে ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা বাইরে ঝরে পড়ে।
    রাতে কেন লালা বেশি ঝরে?
    অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ খুলে ঘুমিয়ে থাকেন। আবার কেউ উপুর হয়ে ঘুমান। এসব ক্ষেত্রে লালা ঝরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকেই নাক দিয়ে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না, তাই তারা মুখ খুলে শ্বাস নিয়ে থাকেন ঘুমের মধ্যে। এক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, উপুর হয়ে পেটে ভর দিয়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। ঠিক একইভাবে উপুর হয়ে ঘুমালে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    লালা ঝরা কোন রোগের লক্ষণ?

    >> অনেকেই ভাবতে পারেন, লালা ঝরা হয়তো একটি সাধারণ বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে লালা ঝরতে পারে। স্ট্রোক বা সেরিব্রাল পলসিসহ একাধিক স্ক্লেরোসিস (এমএস) এর কারণেও আপনার মুখ দিয়ে নিয়মিত লালা ঝরতে পারে।

    >> সর্দি বা সংক্রমণজনিত কারণে নাক বন্ধ অবস্থায় থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে লালা ঝরতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে ঘুমানোর সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য যখন আপনি মুখ খুলে ঘুমাবেন; তখন লালা জমে তা বাইরে বেরিয়ে আসবে।

    >> গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রিফ্লেক্স ডিসঅর্ডার (জিইআরডি) এর কারণেও মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো কিছু গিলতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যায় যারা ভুগছেন; তাদের মুখ দিয়েও লালা ঝরতে পারে।

    >> কিছু ওষুধের কারণেও এমনটি ঘটতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষত ক্লোজাপাইন) এবং আলঝাইমারস চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত ওষুধসহ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।

    >> এমএস, পারকিনসন, পেশীবহুল ডিসস্ট্রফি এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থুতু গিলতে অসুবিধা হয়।

    >> স্নায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ হতে পারে মুখ দিয়ে লালা ঝরা। যারা নিদ্রহীনতার সমস্যায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যাটি নিয়মিত দেখা দিতে পারে।

    >> শ্বাসকষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি বা সাইনাস সংক্রমণের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রেও মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    >> যদি মাউথ আলসার থাকে, সেক্ষেত্রেও মুখে থুতু বেড়ে যায়। এ কারণেও লালা ঝরতে পারে। এ সময় প্রতিরোধক ওষুধ খেলে সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

    লালা ঝরার সমস্যা প্রতিকারের উপায় জেনে নিন-

    ১. ঘুমের অবস্থান
    বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ঘুমের ভুল অবস্থানের কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরে থাকে। তাই প্রথমত, ঘুমের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। পেটে নয় বরং পিঠে ভর দিয়ে ঘুমান। তাহলে মুখে লালা জমতে পারবে না।

    ২. ঘরোয়া প্রতিকার
    আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, লালা শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের মতে, সাইট্রাসজাতীয় ফল খেলে লালা ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর জল পান করতে হবে। এতে শরীর হাইড্রেট থাকবে এবং লালা ঝরার সমস্যাও কমবে।

    ৩. ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস
    ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস একটি সরঞ্জাম। এটি মুখে ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আরামের সঙ্গে ঘুমাতেও পারবেন আর মুখ থেকে লালাও ঝরবে না।

    ৪. সিপিএপি মেশিন
    ঘুমের মধ্যে যারা শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তারা এই মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সর্বাধিক প্রস্তাবিত চিকিত্সা হলো সিপিএপি মেশিন।

    ৫. সার্জারি
    যাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা ঝরে; তাদের ক্ষেত্রে সার্জারির মাধ্যমে লালা গ্রন্থিগুলো অপসারণের পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্নায়বিক সমস্যা থাকে। এ কারণেই ঘুমের মধ্যে তাদের অত্যাধিক লালা ঝরে থাকে।

    ৬. ঘুমানোর আগে যা মানবেন
    ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন। আর ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবণ মিশ্রিত জল পান করুন