Author: News Live

  • আপনার হাতে কী X চিহ্ন আছে? থাকলে এর রহস্য জেনে নিন

    আপনার হাতে কী X চিহ্ন আছে? থাকলে এর রহস্য জেনে নিন

    জ্যোতিষ শাস্ত্র আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি। তাদের কথায় অনেক কিছুই অবার মিলে যায়। হাতের রেখায় নির্ধারিত হয় ভাগ্য। এমনটা বিশ্বাস করেন অনেকেই। তবে জানেন কি? কিছু মানুষের হাতের রেখার মধ্যে লুকিয়ে থাকে X. জেনে নিন কি এই X-এর রহস্য!

    প্রাচীন জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর ভিত্তি আমরা জানি প্যারামি লাইন এবং চিহ্নগুলি ক্যারিয়ার, জীবন, বিয়ের, অর্থ এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি বা অবনতি ইঙ্গিত করে। এক্ষেত্রে আমাদের ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাগুলির সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত ৷

    এটা বিশ্বাস করা হয় যে, ভারত থেকে চীন, তিব্বত, মিশর, পারসিয়া এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে জ্যোতিষ বিজ্ঞান বিস্তৃতি লাভ করেছ ।

    মিশরীয় পণ্ডিত আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট বলেছিলেন, তাঁর হাতে এই অন্যান্য চিহ্নটি ছিল। পরে জানা যায় যে, সমগ্র জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৩ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে এই X চিহ্নটি ৷

    জ্যোতিষ বিজ্ঞানীদের মতে, এই চিহ্নটি হাতের তালুতে থাকার কারণ হিসেবে বোঝায় যে, এটি অত্যন্ত সফল এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের পরিচয় ৷

    শুধু তাই নয় , যাদের হাতে এই চিহ্নটি রয়েছে তাদের মৃত্যুর পরও সকলের মনের মধ্যে দিয়ে তারা বেঁচে থাকেন।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভধারণ(Pregnancy) করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ(Pregnancy) হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস(Intercourse) করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন থাকে। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন।

    আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ(Pressure) না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন মিলন(Sexual intercourse) করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি(Loss) করে না।

    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত(Protected) থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse)কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে সহবাস(Intercourse) করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।

    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ সন্তানের জন্ম হয় তাহলে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়।

    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।

    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন(Physical intercourse) থেকে বিরত থাকুন।

    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস(Intercourse) থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে বা আপনি খুবই ব্যথা(Pain) পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।

  • মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    স”হবা”সের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়।

    অন্যথায় স”হবা”স করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়।

    পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়। অত্যধিক মৈ”থুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়।

    প্রত্যেক মানুষের কিছু গোপন ইচ্ছা, চাওয়া – পাওয়া থাকে। তবে এগুলো অনেকে প্রকাশ করে আবার অনেকেই প্রকাশ করে না। বিশেষ করে মেয়েরা । কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন নারী সবার অগোচরে চাহিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন ১০টি গোপন আকাঙ্ক্ষা কথা যা মনে মনে খুব চান কিন্তু কাউকে তা জানতে দেন না:

    ১) প্রত্যেক মেয়েই চায় তার স্বামী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেকে প্রেম করে কিন্তু বিয়ে করার কথা বললে প্রেমিকাকে বলে আগে একটা ভালো চাকরি কর তরাপর। অধিকাংশ নরীদের চাওয়া এটাই।

    ২) ছেলেদের থেকে মেয়েরা সব সময় একটা সাজালো গোছালো সংসার চায়। যা সম্ভব শুধু ছোট পরিবারে, বড় পরিবারে ও সম্ভব তবে কষ্টকর। এ কারণে অধিকাংশ মেয়েরা চায় একক পরিবার , যৌথ পরিবার আদৌ বর্তমান মেয়েরা পছন্দ করে না।

    ৩) বাহ্যিকভাবে একটা মেয়েকে ভালো ভাবে চেনা যায় না।প্রত্যেক নারী নিজেকে তার বন্ধুদের মাঝে আকর্ষণীয় এবং যৌবনময়ী হয়ে উঠতে চায় কিন্তু এই বিষযটা সে প্রকাশ করে না। মনে মনে রাখে।

    ৪) প্রত্যেক নারী চায় সে ফর্সা হতে। সে ফর্সা থাকুক আর না থাকুক ফর্সা হওয়ার চেষ্টা সে করবেই। ৫) মেয়েরা কখনই তার স্বামীর মুখে অন্য নারীর গুনকীর্তন শুনতে পছন্দ করে না।সে চাইবে তার স্বামী যেন একমাত্র তাকেই চাক।

    ৬) মেয়েরা মুখে মুখে বলতে পারে সে নিজের দেহের ওজন নিয়ে সে কখনোই চিন্তা করে না কিন্তু অাসলে সে চায় নিজেকে চান স্লিম ও যৌবনময়ী শরীরের অধিকারী করতে।

    ৭) মেয়েদের ভিতর অনেক ঈর্ষা। একজন মেয়ে অন্য একজন মেয়ের সাফল্য কখনোই দেখতে পারে না। ৮) সকল নারী চায় তার প্রিয় মানুষটি তার কথা সবসময় মেনে চলুক, তার কথা সবসময় পালন করুক, সে মনে করে তার অনেক দ্বায়িত্ব।

    ৯) একজন ছেলে তার বয়স এবং চেহারা নিয়ে ততোটা না ভাবলেও একজন নারী চায় তার চেহারায় যেন বয়সের কালো ছাপ না পড়ে।

    ১০) একটি মেয়ে তার বুকের স্তন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নারীরা স্ত’নের ব্যাপরে খুবই সজাগ, খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। কারণ পুরুষকে আকর্ষণ করার মেইন অঙ্গ এটা। এজন্য নারী চায় স্ত’ন থাকুক সবসময় আকর্ষণীয় ও যৌ’বনদীপ্ত।

  • মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    দেশে সারাবছর একাধিক পরীক্ষা হয়। তবে এই প্রতিযোগীমূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে তারাই পারেন যারা নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। লিখিত পরীক্ষায় অনেকে পাস করলেও ইন্টারভিউতে বেশিরভাগই ব্যর্থ হন।

    আসলে যারা ইন্টারভিউ নেন তারা ওই প্রার্থীদের উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন করেন যা শুনে তারা ঘাবড়ে যান। তবে আপনিও যদি একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করেন তাহলে উত্তর দিতে পারবেন। যাইহোক, এই প্রতিবেদনে তেমনই কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হলো।

    ১) প্রশ্নঃ কোন জিনিসটা আমরা দু’বার বিনামূল্যে পাই কিন্তু তিনবারের জন্য টাকা লাগে?
    উত্তরঃ আসলে দাঁত আমরা দুবার পাই কিন্তু এরপর দাঁতের জন্য টাকা লাগে।

    ২) প্রশ্নঃ ভারতের ইলেকট্রনিক শহর কাকে বলা হয়?
    উত্তরঃ বেঙ্গালুরুকে ভারতের ইলেক্ট্রনিক শহর বলা হয়।

    ৩) প্রশ্নঃ ভারতের জনগণনা কত বছর পর পর হয়?
    উত্তরঃ ১০ বছর অন্তর। সর্বশেষ ২০১১ সালে হয়েছিল। ২০২১ সালে হবার কথা থাকলেও মহামারীর জন্য জনগণনা বাতিল হয়েছিল।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন দেশের বেকার ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
    উত্তরঃ ভারতবর্ষে।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবথেকে পুরাতন গাছটির বয়স কত?
    উত্তরঃ ৫০০০ বছরের বেশি, যা ক্যালিফোর্নিয়াতে রয়েছে।

    ৬) প্রশ্নঃ বিশ্বের প্রথম কোন দেশ রকেট তৈরি করেছিল?
    উত্তরঃ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ যারা রকেট আবিষ্কার করে।

    ৭) প্রশ্নঃ উত্তম কুমারের প্রথম বাংলা সিনেমা কোনটি?
    উত্তরঃ দৃষ্টিদান (১৯৪৮ সাল)।

    ৮) প্রশ্নঃ রাবণ নামটি কোন দেবতার দেওয়া?
    উত্তরঃ মহাদেব রাবণের নামকরণ করেছিলেন।

    ৯) প্রশ্নঃ মানুষের মুখ থেকে পেট পর্যন্ত খাবার যেতে কত সময় লাগে?
    উত্তরঃ মাত্র ৭ সেকেণ্ড।

    ১০) প্রশ্নঃ মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে?
    উত্তরঃ আসলে চোখ এমন একটি অঙ্গ, যা শৈশব থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত এটি বৃদ্ধি পায় না (বিভ্রান্ত করার জন্য প্রশ্নের মধ্যে মেয়ের প্রসঙ্গ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়)।