Author: News Live

  • হঠাৎ পাল্টে গেল এলপিজি বাজার, জানা গেল আসল কারণ

    হঠাৎ পাল্টে গেল এলপিজি বাজার, জানা গেল আসল কারণ

    দেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাত এখন ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। এক দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সঙ্কট ও জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, অন্য দিকে দেশে এলসি খোলার জটিলতাসহ সবমিলিয়ে এলপিজির আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে ভয়াবহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার সিলিন্ডার দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়ও মিলছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে আবার মাটির চুলা, কেরোসিন স্টোভ বা বৈদ্যুতিক চুলায় ফিরে যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জানুয়ারিতে অন্তত দেড় লাখ টন এলপিজি আমদানি করে ফেব্রুয়ারিতে বাজারে পৌঁছানো জরুরি। সময়মতো এই পরিমাণ আমদানি না হলে রোজার মাসে বড় ধরনের সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে।

    বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশে এলপিজি আমদানি হয়েছিল ১২ লাখ ৭৫ হাজার টন। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ১৬ লাখ ১০ হাজার টনে উঠলেও ২০২৫ সালে আমদানি নেমে আসে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার টনে অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আমদানি কমেছে প্রায় দেড় লাখ টন। বিশেষ করে বছরের শেষ তিন মাসে আমদানির পতন সবচেয়ে বেশি, যা সরাসরি বাজারে সঙ্কট তৈরি করেছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদা যেখানে প্রতি বছর ১০ শতাংশের বেশি হারে বাড়ছে, সেখানে আমদানি কমে যাওয়া বাজারকে কার্যত অচল করে দেয়। বিইআরসি বলছে, দেশে লাইসেন্সধারী ৫২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩টির আমদানির সক্ষমতা থাকলেও গত বছর নিয়মিত আমদানি করেছে মাত্র ৮টি প্রতিষ্ঠান। বড় কয়েকটি কোম্পানি এলসি জটিলতার কারণে আমদানি বন্ধ রাখায় সঙ্কট আরো গভীর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঙ্কটের মূল কারণ এলসি খোলার জটিলতা এবং ইরান থেকে আসা এলপিজিবাহী জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। চট্টগ্রামের একাধিক আমদানিকারক জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকিং খাতে অনিশ্চয়তার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান সময়মতো এলসি খুলতে পারেনি। ফলে আমদানি চেইনে বড় ছেদ পড়েছে।

    চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক ও এলপিজি ব্যবসায়ী মাহফুজুল হক বলেন, তাদের এলপিজির বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় কয়েকটি জাহাজ আটকে যাওয়ায় বাংলাদেশমুখী সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এলসি খোলা থাকলেও জাহাজ সঙ্কটে সময়মতো পণ্য আনা সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, আগে ইরান থেকে একটি বেসরকারি চ্যানেলে উল্লেখযোগ্য এলপিজি আসত, সেটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজারে হঠাৎ বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

    এ দিকে বাস্তবে ভোক্তাদের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশালে সিলিন্ডার মিলছে না দিনের পর দিন। মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা তামান্না আক্তার জানান, এক হাজার ৩০৬ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে দুই হাজার ৩০০ টাকায়। মিরপুর, রূপনগরের আরাফাতুল ইসলাম ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনেছেন দুই হাজার ৭০০ টাকায়। রাজধানির অনেক পরিবার গ্যাস না পেয়ে নতুন করে কেরোসিন স্টোভ কিনছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    এ দিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রায় ৭০ শতাংশ সিলিন্ডার এখন খালি। যেটুকু আসে, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সরবরাহ না থাকায় হোটেল-রেস্তোরাঁ ও মেসগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে বলে তিনি জানান।

    সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও। বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে এক লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজি ব্যবহৃত হয়, যার প্রায় ১৫ হাজার টন যায় অটোগ্যাসে। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় দেশের প্রায় সব অটোগ্যাস স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এতে প্রায় দেড় লাখ এলপিজিচালিত যানবাহনের মালিক বিপাকে পড়েছেন বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    সংগঠনের সভাপতি সেরাজুল মাওলা বলেছেন, মোট ব্যবহারের অন্তত ১০ শতাংশ অটোগ্যাস খাতে নিশ্চিত না করলে পুরো খাত ধসে পড়বে এবং মালিকরা আবার পেট্রোল-অকটেনে ফিরে যেতে বাধ্য হবেন, যা পরিবেশ ও জ্বালানি ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর।

    কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলছেন, সরকারি দাম ১,৩০০ টাকা হলে ভোক্তা কেন ২,৫০০ টাকা দেবে। তিনি এলপিজিকে অত্যাবশ্যক পণ্য ঘোষণা ও স্বচ্ছ মূল্যকাঠামো নিশ্চিতের দাবি জানান।

    এ দিকে বিইআরসি স্বীকার করেছে, খুচরা পর্যায়ে দাম নিয়ন্ত্রণ কঠিন। কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, শীতকালে চাহিদা বাড়ে, জাহাজ সঙ্কটও আছে। তবে এসব সমস্যা সাময়িক। অভিযান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

    কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। বাজারে কয়েকটি বড় কোম্পানির আধিপত্য থাকায় ছোট অপারেটররা টিকতে পারছে না। জেএমআই চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক সতর্ক করে বলেছেন, ২৭ অপারেটরের মধ্যে মাত্র পাঁচটির আমদানির সক্ষমতা রয়েছে। এই ভারসাম্যহীনতা চললে পুরো বাজার অস্থির হয়ে পড়বে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সঙ্কট শুধু আমদানির নয়, নীতিগত সমন্বয়হীনতারও। অধ্যাপক এম তামিম বলছেন, এলপিজি খাতে একক ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দরকার। বর্তমানে লাইসেন্স, আমদানি অনুমোদন, মূল্য নির্ধারণ সবখানে বহুমুখী সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া কাজ করছে, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া নেয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

    সরকারের সংশ্লিষ্টরা দফতর থেকে বলা হচ্ছে, এলসি খোলায় অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবং আমদানি অনুমতি বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি উপদেষ্টা ফৌজুল কবির খান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে জি-টু-জি ভিত্তিতে সরকারি পর্যায়ে এলপিজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বেসরকারি খাতের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা এখন প্রায় ২০ লাখ টন, যা অদূর ভবিষ্যতে সাড়ে ৩৫ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। এমন দ্রুত বর্ধনশীল বাজারে পরিকল্পনাহীনতা যে কতটা বিপজ্জনক, বর্তমান সঙ্কট তার বড় উদাহরণ।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান সামনে রেখে দেড় লাখ টন জরুরি আমদানি নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে। ভোক্তাপর্যায়ে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, এলসি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, জাহাজ সঙ্কটে বিকল্প রুট খোঁজা এবং অটোগ্যাস খাতে ন্যূনতম বরাদ্দ নিশ্চিত এই চারটি পদক্ষেপ এখন সবচেয়ে জরুরি বলে তারা মনে করছেন। এলপিজি খাতের এই অস্থিরতা শুধু রান্নাঘর নয়, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তাকেই বড় ঝুঁকিতে ফেলবে, যার মাশুল দিতে হবে সাধারণ মানুষকে এমনটাই মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?

    কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?

    তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

    ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।

    একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

    ১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

    ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

    মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

    ১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।

    ২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।

    ৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।

    ৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।

    ৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।

    খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।

    আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।

    ৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

    **যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    **আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

    – ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।

    – দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।

    – ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।

    – অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।

    – মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।

    – ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।

    – উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।

    – মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

    Similar Pos