Author: News Live

  • সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খেলে যা হয়

    সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খেলে যা হয়

    সকালে খালি পেটে পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে নতুন করে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। রূপ ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে, শরীর সুস্থ রাখতে এবং মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে কাঠবাদাম একটি আদর্শ খাবার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    পুষ্টিবিদদের মতে, কাঠবাদামে রয়েছে বিপুল পুষ্টিগুণ। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ডি, বি, ও ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। তবে এসব পুষ্টিগুণ সহজে শরীরে শোষিত করার জন্য কাঠবাদাম আগে পানি ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, সকালে পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার ১০টি বড় উপকারিতা:

    মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়: কাঠবাদামে রয়েছে রিবোফ্লেভিন ও এল-ক্যারনিটিন, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং আলঝেইমারসহ নানা মস্তিষ্কজনিত রোগের ঝুঁকি কমায়।

    হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে: প্রচুর প্রোটিন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর কাঠবাদাম খেলে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

    ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক: বিশেষ করে কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে কাঠবাদাম কার্যকর। এটি কোলনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে: কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস ও সামান্য পরিমাণ সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে: কাঠবাদাম খাওয়ার পর ক্ষুধা কমে যায়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

    খারাপ কোলেস্টেরল কমায়: কাঠবাদাম শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

    হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে: এতে থাকা ফসফরাস ও অন্যান্য মিনারেল হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

    কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: ফাইবার সমৃদ্ধ কাঠবাদাম হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। এটি কার্ডিওভাসকুলার রোগীদের জন্যও উপকারী।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ভিটামিন-ই ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কাঠবাদাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

  • আকাশে উড়বে বিলাসবহুল হোটেল, থাকতে পারবে ৫ হাজার মানুষ

    আকাশে উড়বে বিলাসবহুল হোটেল, থাকতে পারবে ৫ হাজার মানুষ

    সম্প্রতি ‘স্কাই ক্রুজ’ নামে একটি বিমানের নকশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিমানটি আকাশে ওড়ার পর কয়েক মাস ভেসে থাকতে পারবে। বিমানে থাকবে বিলাসবহুল হোটেল। হোটেলটিতে পাঁচ হাজার অতিথি থাকতে পারবেন।

    ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চলা এই উড়োজাহাজটিতে থাকবে পরমাণু শক্তিচালিত ২০টি ইঞ্জিন। বিমানটি এমন ভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে এটি মাসের মাসের পর ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে। যাত্রী ওঠানামা, বিমানের যান্ত্রিক সমস্যার দেখাশোনা, সবই হবে মাঝ আকাশে।

    বিমানটির আসল নকশা তৈরি করেছিলেন টনি হোমস্টন। সেই নকশার ওপর ভিত্তি করে হাসেম আলঘাইলি নামে এক ব্যক্তি ভবিষ্যতের বিমানের এই ভিডিওটি তৈরি করেছেন।

    ইউটিউবে ভিডিওটি শেয়ারও করেছেন হাসেম। তার মতে ‘স্কাই ক্রুজ’ পরিবহণ ব্যবস্থার ভবিষ্যতের চমক। এই উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন বিমানে চালকের দরকার নেই, এটি হবে স্বতন্ত্র।এই বিশালাকার বিমানটির অন্যান্য কাজের জন্য দরকার হবে প্রচুর সংখ্যক কর্মী। এতে থাকবে রেস্তোরাঁ, জিম, শপিং মল, সিনেমা হল, এমনকি সুইমিং পুলও।

    অনেকে বলেছেন, যদি একবার পরমাণু চুল্লিতে কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়, তাহলে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়বে যা সহজেই কোনো শহরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে সক্ষম হবে।

  • ১ লাখ ভিউ হলে ইউটিউব ভিডিও থেকে কত টাকা আয়?

    ১ লাখ ভিউ হলে ইউটিউব ভিডিও থেকে কত টাকা আয়?

    ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম। শুধুমাত্র বিনোদনই নয়, আয়ের মাধ্যম হিসেবেও পরিচিত। লাখ লাখ কনটেন্ট ক্রিয়েটর এখান থেকে মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করছেন। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন, ১ লাখ ভিউ হলে কত টাকা পাওয়া যায়।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউটিউব আয় নির্ভর করে ভিডিওর ধরন, দর্শকদের দেশ, বিজ্ঞাপনের ধরন এবং চ্যানেলের পারফরম্যান্সের উপর। প্রযুক্তি, অর্থ বা শিক্ষামূলক ভিডিও থেকে বেশি আয় হয়, আর বিনোদন বা ভ্লগ ভিডিও থেকে তুলনামূলকভাবে কম।

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, প্রতি ১ হাজার ভিউ থেকে আনুমানিক ১–২৫ ডলার (প্রায় ১০৭–২৬০০ টাকা) আয় হতে পারে। তাই ১ লাখ ভিউ থেকে ক্রিয়েটর ১০০–১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে।

    তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, ইউটিউবের প্লে বাটন অর্জনের জন্য শুধু ভিউ নয়, সাবস্ক্রাইবার সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ। সিলভার বাটন পেতে ১ লাখ, গোল্ডেন বাটন পেতে ১০ লাখ, ডায়মন্ড বাটন পেতে ১ কোটি সাবস্ক্রাইবার থাকতে হয়।

     

  • হার্ট অ্যাটাক আসার আগে যে ৮টি সতর্ক সংকেত দেয় শরীর

    হার্ট অ্যাটাক আসার আগে যে ৮টি সতর্ক সংকেত দেয় শরীর

    আমরা প্রায়ই ভাবি হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করে ঘটে যায়। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, হৃৎপিণ্ড আসলে আগে থেকেই শরীরকে সতর্ক সংকেত পাঠায়। সমস্যা হলো এসব ইঙ্গিতকে আমরা সাধারণ অসুস্থতা ভেবে উপেক্ষা করি। অথচ সময়মতো ব্যবস্থা নিলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।

    হার্ট অ্যাটাকের আগাম ৮টি সিগন্যাল

    .বুকে চাপ বা অস্বস্তি: ভারী লাগা, চাপ ধরা বা পুড়ে যাওয়ার মতো ব্যথা কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে অথবা বারবার ফিরে আসতে পারে।

    ব্যথা ছড়িয়ে পড়া: শুধু বুকে নয়, কাঁধ, বাহু, ঘাড়, চোয়াল, পিঠ বা উপরের পেটেও ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে বাঁ হাতে ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম লক্ষণ।

    .শ্বাস নিতে কষ্ট: হঠাৎ হাঁপিয়ে যাওয়া বা বিশ্রামের সময়ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করা হার্ট সমস্যার স্পষ্ট সংকেত।

    .ঠান্ডা ঘাম: স্বাভাবিক পরিবেশে অস্বাভাবিকভাবে ঘেমে যাওয়া, বিশেষ করে বুকে চাপ বা দুর্বলতার সঙ্গে হলে সতর্ক হতে হবে।

    .বমিভাব বা পেটের অস্বস্তি: অনেক সময় গ্যাস্ট্রিক ভেবে ভুল করা হয়, কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের আগেও এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি ঘটে।

    .মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম লাগা: হঠাৎ মাথা ঘোরা বা চোখে অন্ধকার দেখা দিতে পারে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যার কারণে।

    .অস্বাভাবিক ক্লান্তি: সামান্য কাজেই অতিরিক্ত ক্লান্তি বা হাঁপিয়ে যাওয়া হৃদরোগের সতর্কবার্তা হতে পারে।

    .হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা অনিয়মিত হওয়া: হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়া বা অস্বাভাবিকভাবে চলা, বিশেষ করে বুকে ব্যথার সঙ্গে হলে, এটি অবহেলা করা যাবে না।

    করণীয়

    .এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    .প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন বা নিকটস্থ হাসপাতালে যান।

    .ঘরে অ্যাসপিরিন থাকলে এবং অ্যালার্জি না থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশে খাওয়া যেতে পারে। তবে এটি চিকিৎসার বিকল্প নয়।

    .নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে বয়স ৪০-এর বেশি হলে বা পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা নিলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ও জটিলতা অনেকটাই কমানো যায়। তাই শরীরের দেওয়া সতর্ক সংকেতগুলো অবহেলা না করে সচেতন থাকাই জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে বড় উপায়।