Author: News Live

  • মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ==> Watch 720P 1080P
    মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি টার্ন অন হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ছেলেরা সেইসব অংশের দিকে নজর দেয় না। ফোরপ্লে সীমাবদ্ধ থাকে ব্রেস্ট, নিপলস আর কিসের মধ্যেই। তারপরেই ইন্টারকোর্স। ব্যাপারটা যেন একঘেয়েই। কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের।

    সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ==> Watch 720P 1080P
    ১. ঘাড়ের পিছন দিকে:

    মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে। সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।

    সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ==> Watch 720P 1080P
    ২. কান:

    কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।

    সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ==> Watch 720P 1080P
    ৩. উরু বা থাই:

    মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।

    ৪. হাতের তালু ও পায়ের পাতা:

    হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাকে স্বর্গের সুখ দিবে

    সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ==> Watch 720P 1080P

  • সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে সুখবর

    সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে সুখবর

    প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন ভাতার হার কার্যকর করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে যারা প্রশিক্ষণ নেবেন তাদের জন্য এই ভাতা কার্যকর হবে। এর মধ্যে ৯ গ্রেড বা তার উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের কেন্দ্রে অবস্থান কালীন পুনর্নির্ধারিত ভাতা ৮০০ টাকা; যা আগে ছিল ৬০০ টাকা।

    একই গ্রেডে মাঠসংযুক্তকালীন নতুন ভাতা হবে ১ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৭০০ টাকা। অন্য দিকে ১০ম বা তার নিচে কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬০০ ও ৭০০ টাকা; আগে যা ছিল ৫০০ ও ৬০০ টাকা। এর আগে গত আগস্টে সরকারের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের বক্তা সম্মানী এবং প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। তখন প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী উভয়েরই ভাতা বাড়ানো হয়।

    প্রশিক্ষার্থীদের ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়। আর প্রশিক্ষকদের ভাতা বেড়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া গত জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ওপর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দিয়েছে সরকার। কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ‘বিশেষ সুবিধা’র ন্যূনতম পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর পেনশনভোগীদের জন্য ন্যূনতম ৭৫০ টাকা করা হয়েছে।

  • এই জীবাণু শরীরে একবার ঢুকলেই খেয়ে ফেলে মস্তিষ্ক, ইতিমধ্যে ভারতে ১৭ জনের মৃত্যু

    এই জীবাণু শরীরে একবার ঢুকলেই খেয়ে ফেলে মস্তিষ্ক, ইতিমধ্যে ভারতে ১৭ জনের মৃত্যু

    মানুষের মস্তিষ্কে আক্রমণ করে ধ্বংস করছে এক বিরল ও প্রাণঘাতী জীবাণু— নেগলেরিয়া ফাউলেরি। এই জীবাণুর সংক্রমণে প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিংগো-এনসেফালাইটিস (PAM) নামের ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়ে গত নয় মাসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন মাত্র তিন মাস বয়সী শিশু। এখন পর্যন্ত ৩ মাস থেকে ৯১ বছর বয়সী মোট ৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের কেরালায় এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। উষ্ণ ও মিঠা পানির উৎস যেমন পুকুর, নদী বা অপরিষ্কার সুইমিং পুলেই জীবাণুটি বেশি জন্মায়। নাকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এটি মস্তিষ্কে ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ঘটায়। আগে ধারণা করা হতো কেবল খোলা জলাশয়ে সাঁতার কাটলেই সংক্রমণ হয়। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, বাড়ির বাথরুমের পানিতেও সংক্রমণ ঘটছে।

    রোগের প্রধান উপসর্গ: হঠাৎ জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া। দ্রুত চিকিৎসা না হলে মাত্র ৫–৭ দিনের মধ্যে মৃত্যু ঘটে। বিশ্বজুড়ে এই রোগের মৃত্যুহার ৯৭ শতাংশ। তবে কেরালায় সময়মতো রোগ শনাক্ত ও উন্নত চিকিৎসার কারণে মৃত্যুহার তুলনামূলক কম।

    সংক্রমণ ঠেকাতে কেরালা কর্তৃপক্ষ “ওয়াটার ইজ লাইফ” নামে ক্লোরিনেশন ক্যাম্পেইন চালু করেছে। পাশাপাশি জনসাধারণকে অপরিষ্কার পানিতে গোসল না করতে, বাড়ির কুয়ার পানি বা ট্যাংক নিয়মিত ক্লোরিনেশন করতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

  • ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    নিজস্ব প্রতিবেদন: বুক জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নকে আমরা প্রায়ই সাধারণ হজমের সমস্যা মনে করি। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন—এই উপসর্গকে অবহেলা করা বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে চলা বুক জ্বালা হতে পারে একটি মারাত্মক ও দুর্লভ ক্যানসারের পূর্বাভাস, যার নাম ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার।

    এই ক্যানসার শরীরে বাসা বাঁধার এক বছর আগেই কিছু পূর্ব লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা শরীরের আচরণ বা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু আমরা অনেকেই এসব সংকেতকে গুরুত্ব দিই না।

    যে লক্ষণগুলো আগেভাগেই দেখা দেয়:

    * শরীরের যেকোনো জায়গায় চাকা বা গাঁট অনুভব হওয়া

    * অস্বাভাবিক রক্তপাত

    * দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা

    * ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া

    * অতিরিক্ত ক্লান্তি

    * ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তন

    * হজমে সমস্যা বা বুক জ্বালা

    উপরের লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘ সময় থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার কী?

    এটি খাদ্যনালীর দেয়ালের কোষে তৈরি হওয়া এক ধরনের ক্যানসার। এটি বিশ্বজুড়ে দশম সর্বাধিক দেখা ক্যানসার হলেও এর প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে এবং চিকিৎসাও জটিল হয়ে ওঠে।

    এই ক্যানসারের দুইটি সাধারণ ধরন রয়েছে:

    * স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা: খাদ্যনালীর সমতল কোষে তৈরি হয়

    * অ্যাডেনোকার্সিনোমা: মিউকাস নিঃসরণকারী কোষে তৈরি হয়

    যেসব উপসর্গ দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে:

    * বুকের মাঝখানে বা পিঠে ব্যথা অনুভব হওয়া

    * গলা ব্যথা বা খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া

    * হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, যদিও খাওয়ার অভ্যাস বদলায়নি

    * রক্ত বমি হওয়া বা কাশির সঙ্গে রক্ত আসা

    * নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি হেয়ার্টবার্ন

    * কণ্ঠস্বর ভারী বা ভেঙে যাওয়া

    জিইআরডি এবং ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড বারবার খাদ্যনালীতে উঠে আসে, তখন সেটাকে বলা হয় জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ। দীর্ঘমেয়াদি জিইআরডি থাকলে ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস নামে একটি অবস্থা তৈরি হতে পারে, যেখানে খাদ্যনালীর কোষের গঠন পরিবর্তিত হয়ে তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।

    ঝুঁকিতে কারা?

    বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত এমন কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে:

    * ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ

    * যারা ধূমপান বা নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন করেন

    * যারা অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভোগেন

    * যাদের পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ:

    * ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ

    * অতিরিক্ত ওজন

    * দীর্ঘমেয়াদি অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    * কিছু বিরল রোগ যেমন আকালেশিয়া ও টাইলোসিস

    * এইচপিভি ভাইরাস সংক্রমণ

    * পারিবারিকভাবে ক্যানসারের ইতিহাস থাকা

    * কিছু রাসায়নিক পদার্থের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ

    সতর্কতা এবং সচেতনতা

    পেটের জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নের মতো সাধারণ মনে হওয়া উপসর্গকেও অবহেলা করা উচিত নয়। শরীরের দেওয়া সংকেতগুলো গুরুত্ব সহকারে বুঝে নেওয়া এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করাই পারে জীবন রক্ষা করতে।

    সচেতন থাকুন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং সুস্থ থাকুন।